পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। © টিডিসি ছবি
গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার জন্য বিরোধী দল নতুন চক্রান্তে লিপ্ত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।
তিনি বলেন, গালিগালাজ এমনভাবে করে এটা হলো বিরোধী দলের গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। এটা যদি গণতন্ত্রের সৌন্দর্য হয়, এদেশের মানুষ তাদেরকে গ্রহণ করেনি, ভবিষ্যতেও তাদেরকে গ্রহণ করবে না। আর এদেরকে গণতন্ত্রের সৌন্দর্যও বলা যাবে না। এরা গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার জন্য নতুন চক্রান্তে লিপ্ত হয়েছে। তারা নিজেরাই বলছে ১১ দলের দাবি না মানলে বোমাবাজি বন্ধ হবে না, ককটেলবাজি বন্ধ হবে।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নে ওয়াপদাখালের তীর প্রতিরক্ষা কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আয়োজিত আলোচনার প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, যারা ৫ তারিখে পালিয়ে গেছে, তারা ওই পাড়ে বসে তাদের কাজ, তাদের গাড়িতে আগুন, তাদের নেতৃত্বে ককটেল মারা, তাদের নেতৃত্বে ঝটিকা মিছিল করা, আর বর্তমান বিরোধী দলের অপকর্ম, কথাবার্তা, কর্মকান্ডের সঙ্গে মিল খুঁজে পাওয়া যায়। দেশের বিরুদ্ধে, গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে, তারেক রহমানের সরকারের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। তাদেরকে স্মরণ করে দিচ্ছি, এটা জিয়ার দল, এটা খালেদা জিয়ার দল, আন্দোলন করতে করতে এখানে এসেছি, রাজপথ থেকে আমরা উঠে এসেছি, রাজপথে আমরা ষড়যন্ত্রকারীদের মোকাবেলা করেছি। আগামি দিনেক এই অপশক্তিকে আমরা মোকাবেলা করবো রাজপথে।
পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, আমরা যেদিন শপথ নিয়েছে সেদিন বিরোধী দল উপস্থিত ছিলেন না। মত ভিন্ন হতে পারে, বিভিন্ন বক্তব্য থাকতে পারে, আলোচনা হতে পারে, কিন্তু না উনারা ওই ফ্যাসিস্ট কায়দায়, ফ্যাসিস্টদের সঙ্গে যেভাবে ৮৬ সালে, ৯৬ সালে সখ্যতা গড়ে তুলেছেন, এখন আগামি ৫ বছর আমাদেরকে শান্তিতে থাকতে দেবেন না, এটা হলো উনাদের মনের কথা। প্রথম দিন থেকে এখন পর্যন্ত বুঝছি, যে মনের কথাটা কত খারাপ।
তিনি বলেন, বিরোধী দল উপর দিয়ে সুন্দর কথা বলে, পার্লামেন্টে গিয়ে এতো সুন্দর সুন্দর কথা বলে, আমাদের প্রধানমন্ত্রী তাদের কথায় গলে গিয়ে বরাদ্দ বাড়িয়ে দেয়। কিন্তু বাহিরে গিয়ে ওরা ৭১ এর রুপ ধারণ করে। বাহিরে গিয়ে তারা আমাদের বিরুদ্ধে অসভ্য ভাষায়, যেটা সভ্য ভাষা নয়, অশালিন, শিষ্টাচার বহির্ভূত, যে সমাজে আমার আপনার পরিবারের মধ্যে আলোচনায় করি না যায় না।
এসময় উপস্থিত ছিলেন লক্ষ্মীপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিদ উজ জামান খান, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক হাছিবুর রহমান, বাফুফে সহ-সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দীন চৌধুরী হ্যাপি ও সদর (পূর্ব) উপজেলার বিএনপির সভাপতি মাইন উদ্দিন চৌধুরী রিয়াজ প্রমুখ।