মনিরা শারমিন © ফেসবুক থেকে সংগৃহীত
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াত সমর্থিত জোটের ১৩ প্রার্থীর মধ্যে ১২ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে সরকারি চাকরি ছাড়ার সময়সহ আনুষঙ্গিক তথ্য অস্পষ্ট থাকায় এনপিপির প্রার্থী মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র স্থগিত করা হয়েছে। তার পক্ষে প্রয়োজনীয় যুক্তি ও তথ্য উপস্থাপনের জন্য আগামীকাল দুপুর ১২টা পর্যন্ত সময় দিয়েছে কমিশন।
বুধবার দুপুর ২টা থেকে নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রম পরিচালনা করেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দীন খান। এ সময় প্রার্থীদের হলফনামা, শিক্ষাগত যোগ্যতা, ঋণ খেলাপি এবং মামলার তথ্যসহ বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করা হয়।
যাচাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, উপস্থাপিত তথ্যের ভিত্তিতে জামায়াত সমর্থিত জোটের ১৩ জন প্রার্থীর মধ্যে ১২ জনের মনোনয়ন প্রাথমিকভাবে বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে মনিরা শারমিনের ক্ষেত্রে কিছু তথ্যের অস্পষ্টতা থাকায় তার মনোনয়নপত্র আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে।
জোটের প্রার্থীরা জানিয়েছেন, সংসদে প্রতিনিধিত্বের মাধ্যমে তারা জুলাই সনদ বাস্তবায়নে কাজ করবেন। পাশাপাশি দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখার কথাও জানান তারা। দেশ ও জাতির স্বার্থে জনগণের বিরুদ্ধে কোনো সিদ্ধান্ত মেনে না নিয়ে শক্ত অবস্থান নেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেন তারা। তারা আরও আশা প্রকাশ করেন, প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারলে মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্রও বৈধ ঘোষণা করা হবে।
বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব জয়নুল আবেদিন শিশির দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, আমরা এখন আইনি প্রক্রিয়ায় যাব। যদি আইনি প্রক্রিয়ায় আবার আপিল করার সুযোগ থাকে, আমরা সে আবেদনও করব। আদালতেও যাব।
তিনি আরও বলেন, এটা আমাদের উপর তারা অন্যায় করেছে। তাবাসসুমের মনোনয়ন পত্রটা রাখতে পারতো। কারণ তারা মনোনয়ন পত্র গ্রহণ করেছে। গ্রহণ করার পরে তো তাদের আর কোন থাকার কথা ছিল না। এটা সম্পূর্ণ বিএনপির পক্ষে নিয়ে তারা পক্ষপাতমূলক আচরণ করেছে।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আগামীকাল সকাল থেকে বিএনপি সমর্থিত জোটের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রম শুরু হবে।