জাতীয় সংসদ ভবন © সংগৃহীত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী প্রার্থীদের গড় বয়স ৫৯ বছর, যা দেশের সর্বোচ্চ আইনসভায় অভিজ্ঞ নেতৃত্বের উপস্থিতির ইঙ্গিত দেয়। নতুন এই সংসদে বয়সভিত্তিক প্রতিনিধিত্ব ও প্রজন্মগত ভারসাম্য নিয়ে ইতোমধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক অঙ্গনে।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে প্রেরিত ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়া ও হলফনামাভিত্তিক পর্যবেক্ষণ’ শীর্ষক প্রতিবেদন এ তথ্য জানানো হয়েছে।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী সংসদ সদস্যদের গড় বয়স ৫৯ বছর বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বয়সভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, সর্বাধিক ৩৬ দশমিক ০৩ শতাংশ সংসদ সদস্যের বয়স ৬৫ বছরের বেশি। এ ছাড়া ৫৫ থেকে ৬৫ বছর বয়সী রয়েছেন ৩৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ, ৪৫ থেকে ৫৪ বছর বয়সী ১৮ দশমিক ৮৬ শতাংশ এবং ৩৫ থেকে ৪৪ বছর বয়সী ৬ দশমিক ৭৩ শতাংশ। ২৫ থেকে ৩৪ বছর বয়সী সংসদ সদস্য রয়েছেন ৩ দশমিক ০৩ শতাংশ। পাশাপাশি ১ দশমিক ৬৮ শতাংশ সংসদ সদস্যের বয়স উল্লেখ নেই বা অস্পষ্ট রয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়।
প্রতিবেদন আরও বলা হয়, প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন ২০৯ জন। এ ছাড়া সম্ভাব্য সংসদ নেতা ও বিরোধীদলীয় নেতার দুজনেই প্রথমবারের মতো সংসদে যাচ্ছেন।
এদিকে নির্বাচনে জাল ভোট পড়া নিয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশকে (টিআইবি) উদ্ধৃত করে ভুল ও অপতথ্য ছড়ানো হচ্ছে। এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে অতিদ্রুত এ ভুল সংশোধনসহ বিভ্রান্তি প্রতিরোধে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
গণমাধ্যমে প্রেরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, টিআইবির মাঠপর্যায়ের গবেষণার জন্য দৈবচয়ন পদ্ধতিতে নমুনাভিত্তিকভাবে নির্বাচিত ৭০টি আসনের মধ্যে ২১.৪ শতাংশ আসনে এক বা একাধিক জালভোট প্রদানের ঘটনার তথ্য পাওয়া গেছে। এ তথ্যকে পুরো নির্বাচনে ২১.৪ শতাংশ জালভোট পড়েছে- এমনভাবে ব্যাখ্যা করা সম্পূর্ণ ভুল, ভিত্তিহীন ও অমূলক।
এ পরিপ্রেক্ষিতে যেসব গণমাধ্যম ইতোমধ্যে এ তথ্যকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা বা উপস্থাপন করেছে, তাদের যথাযথ সংশোধনী প্রকাশের জন্য অনুরোধ জানানো হচ্ছে। অন্যথায় এ ধরনের বিভ্রান্তিকর উপস্থাপনাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হিসেবে বিবেচনা করা হবে।