প্রতীকী ছবি © সংগৃহীত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জ জেলার তিনটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ৩০ প্রার্থীর মধ্যে ১৩ জন তাদের জামানত হারিয়েছেন। তিনটি আসনেই জয় পেয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রার্থীরা মো. সেলিমুজ্জামান মোল্যা, কে এম বাবর ও এস এম জিলানী।
গোপালগঞ্জ-১ আসন
এ আসনে বৈধ প্রদত্ত ভোট ছিল ১ লাখ ৯১ হাজার ৯৭৯। জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি-এর নীরদ বরন মজুমদার (কাস্তে) ৩৪৯ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী এম আনিসুল ইসলাম (ঘড়া) ৩,২৫৭ ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ মিজানুর রহমান (হাতপাখা) ৫,৮৭০ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. কাইউম আলী খান (কলস) ২,১৮০ ভোট এবং জাতীয় পার্টির সুলতান জামান খান (লাঙ্গল) ৬২১ ভোট পেয়েছেন।
গোপালগঞ্জ-২ আসন
এ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ১ লাখ ৫৩ হাজার ৮৫। জামানত হারানোদের মধ্যে রয়েছেন গণফোরামের শাহ মফিজ (উদীয়মান সূর্য) ২১৫ ভোট, জাতীয় পার্টির রিয়াজ সরোয়ার মোল্লা (লাঙ্গল) ৪১৫ ভোট, স্বতন্ত্র রনী মোল্লা (তালা) ৪০৩ ভোট, স্বতন্ত্র সিরাজুল ইসলাম সিরাজ (টেবিল ঘড়ি) ২,৮১৯ ভোট, জাকের পার্টির মাহামুদ হাসান (গোলাপ ফুল) ১,৩৭১ ভোট, গণঅধিকার পরিষদের দ্বীন মোহাম্মদ (ট্রাক) ৩০৫ ভোট, ইসলামী আন্দোলনের তসলিম সিকদার (হাতপাখা) ২,৯১১ ভোট ও স্বতন্ত্র উৎপল বিশ্বাস (ফুটবল) ৮,৬৬৫ ভোট পেয়েছেন।
গোপালগঞ্জ-৩ আসন
এ আসনে প্রদত্ত ভোট ছিল ১ লাখ ৩৬ হাজার ৪৮৫। জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) শেখ সালাউদ্দিন (আম) ৫৯১ ভোট, গণঅধিকার পরিষদের আবুল বসার (ট্রাক) ২,৬০০ ভোট, গণফোরামের দুলাল চন্দ্র বিশ্বাস (উদীয়মান সূর্য) ২৬৯ ভোট, ইসলামী আন্দোলনের মো. মারুফ শেখ (হাতপাখা) ৪,৭১৭ ভোট ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. হাবিবুর রহমান (ফুটবল) ৩,৮০০ ভোট।
নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী মোট বৈধ ভোটের এক-অষ্টমাংশের কম ভোট পাওয়ায় এসব প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বড় দলগুলোর শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণে ছোট দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ভোটের লড়াইয়ে টিকে থাকতে পারেননি।