জেলা আমির আটকের বিষয়ে যা বলছে ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াত

১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:০৭ PM
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত নেতারা।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত নেতারা। © টিডিসি সম্পাদিত

প্রায় ৫০ লাখ টাকা বহন করার সময় নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে আটক হওয়া ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির বেলাল উদ্দিনের আটক নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াত। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ১১ দলের উদ্যোগে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঠাকুরগাঁও আসনে জামায়াতের প্রার্থী দেলোয়ার হোসেন। 

তিনি বলেন, আটকের বিষয়টি আপনাদের মত আমরাও মিডিয়ার মাধ্যমে জানতে পেরেছি। এরপরে পারিবারিকভাবে আমরা খোঁজ খবর নেওয়ার চেষ্টা করেছি। আমরা যতটুকু জানতে পেরেছি উনি ব্যক্তিগত কাজে ঢাকায় গিয়েছিলেন এবং ঢাকা থেকে ফেরার পথে সৈয়দপুরে উনাকে সম্পূর্ণ অবৈধভাবে তার সঙ্গে হয়রানিমূলক আচরণ করা হয়েছে। ব্যক্তিগত টাকা তিনি নিয়ে আসবেন, বিমানে আসবেন, ট্রেনে আসবেন, নাকি উনি বাসে আসবেন এটা তার ব্যক্তিগত বিষয়।

জামায়াত নেতা দেলোয়ার প্রশ্ন রেখে বলেন, উনি তো কোথাও টাকা বিতরণ করতে যাননি। উনার ব্যক্তিগত টাকা, ব্যবসায়িক টাকা ঢাকা থেকে উনার নিয়ে ঠাকুরগাঁও আসার সময় তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলো। তাকে হয়রানি করার এই ঘটনা একটা দুরুসন্ধিমূলক আচরণ।

তিনি বলেন, উনি একজন শিক্ষক, উনার পরিবারের সাথে কথা বলেছি। তারা জানিয়েছেন, উনার বাসায় একটা গার্মেন্টস আছে। আমি উনার ফ্যামিলির কাছ থেকে জেনেছি গার্মেন্টস আছে ঠাকুরের বাসায়। পরিবার আমাকে জানিয়েছেন যে উনি ব্যক্তিগত এবং ব্যবসায়িক কাজে উনি ঢাকায় গিয়েছেন এবং এসেছেন।

এদিকে ঠাকুরগাঁও জেলা আমীরকে হয়রানি ও নির্যাতনের প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এতে বলা হয়েছে, ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার আমীর বেলাল উদ্দিন ব্যবসায়ী কাজে নগদ টাকা নিয়ে বিমানযোগে তার এলাকায় যাচ্ছিলেন। কাস্টমসের অনাপত্তিতেও তাকে টাকা বহনের ছাড়পত্র দেয় ঢাকা বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। কিন্তু সৈয়দপুর বিমানবন্দরে সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাকে হেনস্তা করা হয়েছে। এমনকি তাকে নির্যাতন করে নীলফামারী জেলা পুলিশ সুপার এস কে জাহিদুল ইসলাম। এই নির্যাতনে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। সেই সাথে মিডিয়া ফ্রেমিং করে এই ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করা হয়েছে। আমরা গণমাধ্যমের কাছে দায়িত্বশীল ভূমিকার পাশাপাশি মিথ্যা প্রচারণা থেকে বিরত থাকার আহবান জানাচ্ছি। সেই সাথে নাটকের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।

নীলফামারী জেলা পুলিশ সুপার এস কে জাহিদুল ইসলাম ফ্যাসিবাদের দোসর উল্লেখ করে জামায়াত বলেছে, তিনি (বর্তমান এসপি) সাবেক ডিবি প্রধান ভারতে পলাতক মনিরুল ইসলামের অন্যতম সহযোগী ছিলেন। তিনি জঙ্গি নাটক সাজিয়ে বিভিন্ন অভিযানে অংশ নিয়েছিলেন। অবিলম্বে তার বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক দ্রুত ব্যবস্থা ও দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি।
ট্যাগ: জামায়াত
তিন কারণে ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের নামের পাশে …
  • ১৫ মে ২০২৬
পবিপ্রবিতে শিক্ষকদের আন্দোলনে হামলার নেপথ্যে ‘ভিসি-প্রোভিসি…
  • ১৫ মে ২০২৬
বাবা ও তিন ভাই-বোনের পরে মারা গেলেন মা’ও
  • ১৫ মে ২০২৬
ময়মনসিংহসহ ৫ জেলায় ৩টার মধ্যে কালবৈশাখী ঝড়ের সতর্কবার্তা
  • ১৫ মে ২০২৬
দুই দশক পর চাঁদপুর যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
  • ১৫ মে ২০২৬
মানসিক ভারসাম্য হারাচ্ছেন ধর্ষণের অভিযোগে ফাঁসানো সেই ইমাম 
  • ১৫ মে ২০২৬