নির্বাচনে জিততে উত্তরবঙ্গে চোখ জামায়াতের, লাঙল কি এখনো ফ্যাক্টর?

০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:০০ PM
রংপুরের আসনগুলো জাতীয় পার্টির দুর্গ হিসেবে পরিচিত

রংপুরের আসনগুলো জাতীয় পার্টির দুর্গ হিসেবে পরিচিত © সংগৃহীত

রংপুর শহরে জাতীয় পার্টির অফিস। উন্মুক্ত ফটকের এক অংশে দলীয় প্রতীক লাঙল আঁকা আছে। আরেক অংশে দলের প্রতিষ্ঠাতা হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদের ছবি। ফটক পেরিয়ে ভেতরে ঢুকতেই মূল ভবন। যেটা আবার তালাবদ্ধ। জানা গেল, দলটির কিছু নেতা-কর্মী অফিসে আসেন। তবে বেশির ভাগ সময়ই কার্যালয়টি তালাবদ্ধ থাকে।

রংপুর জাতীয় পার্টির দুর্গ হিসেবে পরিচিত। দলটির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মাদ এরশাদের জন্মও এখানে। এর আগের নির্বাচনগুলোয় অধিকাংশ ক্ষেত্রেই রংপুরের আসনগুলোতে জয়ী হয়েছে জাতীয় পার্টি। কিন্তু পাঁচই অগাস্টের পর জাতীয় পার্টি এখন ব্যাকফুটে। অতীতে আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোটে এবং সরকারে থাকার কারণে দলটিকে নিষিদ্ধ করার দাবিও তোলা হয় এনসিপিসহ কয়েকটি দলের পক্ষ থেকে।

তবে জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধ করা কিংবা নির্বাচনে অংশ নিতে দেয়া হবে না, এমন হুশিয়ারির মধ্যেও দলটি অবশ্য সারাদেশে ১৯২টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে। যদিও জাতীয় রাজনীতিতে ব্যাকফুটে থাকা এই দলটি নির্বাচনে কতটা সুবিধা করতে পারবে, সেটা একটা প্রশ্ন।

জাতীয় পার্টি তার নিজের দুর্গ রংপুরে কেমন ফলাফল করে, তা নিয়ে আবার অনেকেরই আগ্রহ আছে। 

বিএনপি এবং জামায়াত মনে করছে, রংপুরে জাতীয় পার্টির দুর্গ ভেঙে গেছে। তবে জাতীয় পার্টি মনে করছে, দুর্গ ভাঙেনি। বরং দলটির চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের ভাষায় ‘ভোট আরও বেড়েছে’।

‘কলাগাছ দাঁড়ালেও লাঙল’ সেই অবস্থা এখন আছে?
রংপুরের শাপলা চত্তর মোড়। জটলা পাকিয়ে বিভিন্ন বয়সী কিছু মানুষ সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। রংপুরের রাজনীতি নিয়ে তাদের জিজ্ঞেস করতেই জানালেন, নির্বাচন জমজমাট হবে। তবে কোন কোন দলের মধ্যে লড়াই হবে, এমন প্রশ্নে আবার মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে ভোটারদের মধ্যে।

রংপুর শহরের শাপলা চত্বর মোড়ে আজিজুর রহমান নামে ষাটোর্দ্ধ এক বৃদ্ধের জবাব, ‘এবারের নির্বাচনে লড়াই হবে জামায়াত এবং বিএনপির মধ্যে’।

জাতীয় পার্টি বা লাঙলের কী অবস্থা- এমন প্রশ্নে তার উত্তর, ‘লাঙলের যে প্রভাব ছিল, সেটা হারিয়ে গেছে। লাঙলের মার্কেট নাই।’

পাশ থেকে আরেকজন শ্রমিক যোগ দিলেন আলোচনায়। বললেন, এবার তিনি 'লাঙলের সম্ভাবনা দেখেন না'।

কিন্তু লাঙলের জনপ্রিয়তা বা সমর্থন কমে যাওয়ার কারণ কী? এমন প্রশ্নে মোটাদাগে তিন ধরনের উত্তর পাওয়া গেলো।

এক. রংপুরে বিগত সময়ে ‘কাঙ্খিত উন্নয়ন হয়নি।’

দুই. রংপুর জেলার ৬টি আসনের মধ্যে ৩টি আসন আওয়ামী লীগের দখলে চলে যাওয়া।

তিন. নির্বাচনের পর এমপিদের ‘এলাকায় না পাওয়া’।

রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলায় একজন ভ্যানচালক আতোয়ার মিয়া বলেন, ‘এখানে আগে কলাগাছ দাঁড়ালেও লাঙল হইতো। সেই পরিবেশটা এখন আর নেই।’

কেন নেই এমন প্রশ্নে তার উত্তর জাতীয় পার্টির ভুল রাজনীতি।

তিনি বলেন, ‘ওিই যে লাঙলের সঙ্গে নৌকা অ্যাডজাস্ট হয়া গেল। নৌকা সরকারি দল, লাঙল বিরোধী দল। তখন থেকেই পরিবেশটা নষ্ট হয়া গেছে।’

বদরগঞ্জেরই একজন কৃষক জানালেন, তার ভাষায়, লাঙলের লোক এখন কম, তাদের কথাও শোনা যায় না।

তার মতে, ‘লাঙলই আমাদের সবকিছু ছিল। এখন নেই। আমরা লাঙলের ভক্ত ছিলাম ঠিকই, কিন্তু এলাকার উন্নতি হয় নাই।’

তবে অনেকেই আবার এমন দাবি নাকচও করছেন। যেমন আব্দুল আউয়াল নামে এক মুদি বলেন, ‘অন্তত রংপুরে লাঙল হারবে না।’

তিনি বলেন, ‘রংপুরে যে যেটাই বুলক এখানে লাঙল ছাড়া হবে না। এটা লাঙলের এলাকা। লাঙলেরই শক্তি বেশি।’

আফসার নামে আরেকজন ব্যবসায়ী বললেন, লাঙলের নীরব ভোট সবকিছু পরিবর্তন করে দিতে পারে। তিনি বলেন, ‘অন্য দলের দেখবেন আওয়াজ বেশি। অনেক প্রচারণা হচ্ছে। কিন্তু লাঙলের ভোটাররা সবসময়ই নীরব থাকে। ফলে বাইরে থেকে বোঝা যায় না। এরা ভোটের দিন ঠিকই লাঙলে ভোট দেবে।’

ভোটরাদের মধ্যে দুরকম মতই পাওয়া যাচ্ছে। তবে এরমধ্যেও ভোটারদের কথায় এটা স্পষ্ট যে, রংপুরে ভোটের যে একচেটিয়া সমীকরণ, সেখানে একটা পরিবর্তন এসেছে। কিন্তু সেটা কতটা তা বোঝার মতো তথ্য নেই। কারণ সর্বশেষ তিনটি নির্বাচনই ছিলো বিতর্কিত।

হেসেই উড়িয়ে দিলেন জি এম কাদের
রংপুরে জাতীয় পার্টির বাইরে অন্য দুটি দল বিএনপি এবং জামায়াতও মনে করছে ওই অঞ্চলের ভোটররা এখন উন্মুক্ত। জাতীয় পার্টির প্রভাব কমে গেছে। রংপুর মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব মাহফুজ উন নবী ডন বলেন, জাতীয় পার্টি থেকে ভোটররা মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে।

‘জাতীয় পার্টিকে এখন আমরা আর কোনো ফ্যাক্টর মনে করছি না। তাদের থেকে ভোটাররা মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। এখন বিএনপির অবস্থান ভালো।’

একই রকম মত দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও রংপুর জামায়াতের নেতা মাহবুবুর রহমান বেলাল।

তিনি বলেন, ‘যেটা বলা হয় যে, লাঙলের ঘাঁটি। সেটা অনেক আগেই ভেঙে গেছে। ২০১৪ সালেই যদি প্রকৃত ভোট হতো তখনি এই চিত্র আপনারা দেখতে পেতেন।’ কিন্তু জাতীয় পার্টি কি আসলেই তার দুর্গ রংপুরে দুর্বল হয়ে পড়েছে? এমন প্রশ্ন অবশ্য হেসেই উড়িয়ে দেন দলটির শীর্ষ নেতা জি এম কাদের।

তার মতে, দলের ভোট কমেনি বরং বেড়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় দুর্গ আরো শক্তিশালী হয়েছে। আর (দুর্গ) নাই, এটা যারা বলছেন তারা কীভাবে বলছেন? মানুষের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে যে সাড়া পাচ্ছি, তাতে মনে হচ্ছে যে, অন্য যেকোনো বারের চেয়ে এবার আমরা বেশি ভোট পাব।’

কিন্তু কী কারণে জাতীয় পার্টির ভোট বাড়বে, এমন প্রশ্নে জি এম কাদের বলেন, গত দেড়-দুই বছরে জাতীয় পার্টির সাহসী ভূমিকার কথা।

‘যারা আমাদের দল নিয়ে খুব একটা আগ্রহী ছিলো না, কিন্তু হয়তো ভোট দিতো বা (আমাদের নিয়ে) দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ছিল, তারাও এখন আমাদের রাজনীতির কারণে মনে করছে, দেশ বাঁচানোর সংগ্রামে জাতীয় পার্টি শক্তিশালী ভূমিকা রাখছে, অত্যন্ত সাহসী ভূমিকা রাখছে। যেটা অন্য আর কেউ এই মুহূর্তে করছে না।’

লাঙলের দুর্গ ভেঙে জয়ের পথ পরিস্কার করতে চায় জামায়াত
উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে আসন আছে ৩৩টি। এরমধ্যে ২৯টি আসনেই জামায়াতের প্রার্থী তাদের জোটের পক্ষ থেকে নির্বাচন করছেন। অর্থাৎ জামায়াত রংপুর বিভাগে তার শরীকদের আসন ছেড়েছে মাত্র তিনটি।

এর মূল কারণ রংপুর অঞ্চলের আসনগুলোতে দলটির বিবেচনায় জাতীয় পার্টির প্রভাব ‘ক্ষীণ হয়ে এসেছে’। ফলে এই অঞ্চলের ভোটাররা উন্মুক্ত। তারা এবার অন্য দলকে ভোট দেবেন। সেই অন্য দল হতে চায় জামায়াত।

গত দুই বছরে গ্রামে-গঞ্জে কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে দলটি মনে করছে, এখানকার অধিকাংশ আসনে জামায়াতের জয় লাভ করা সম্ভব। যেহেতু এখানকার অনেক আসনেই জামায়াতের 'নিজস্ব ভোট ব্যাংক' আগে থেকেই রয়েছে।

জামায়াত মনে করছে, এই এলাকার আসনগুলোতে বেশি সংখ্যায় জিততে পারলে সেটা জাতীয় নির্বাচনেও জামায়াতের আসন সংখ্যা বাড়িয়ে দেবে, জয়ের পথ পরিস্কার করবে। ফলে দলটি তাদের ঢাকার বাইরে আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করেছে উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলো থেকে।

দলটির আমীর রংপুরসহ আশেপাশের জেলাগুলোতে নির্বাচন প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন, তিস্তা প্রকল্প, কৃষিসহ বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে বক্তব্য তুলে ধরে ভোট চেয়েছেন। এমনকি নির্বাচনী প্রচারণার শেষ দিকে এসে আবারও উত্তরাঞ্চলে নির্বাচনী প্রচারণায় যেতে দেখা গেছে জামায়াতের আমিরকে।

জানতে চাইলে দলটির রংপুরের নেতা ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য মাহবুবুবর রহমান বেলাল অবশ্য বলেন, রংপুর অঞ্চল তো বটেই সারাদেশেই তারা জয়ের জন্য চেষ্টা করছেন।

‘এটা ঠিক যে, এখন রংপুরে লাঙলের ঘাটি আর নেই। ফলে এটা আমাদের জন্য বড় সুযোগ। আমরা এই মুহূর্তে কাউকেই আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করছি না এখানে। জামায়াতের প্রতি মানুষের ব্যাপক উদ্দীপনা এবং আস্থা তৈরি হয়েছে। তারা জামায়াতের প্রতি বিপুল সমর্থন দেবে।’

নিজেদের অপ্রতিদ্বন্দ্বী ভাবছে বিএনপি
রংপুরের আসনগুলোতে ১৯৯১ সাল থেকে ২০০৮ পর্যন্ত যেসব জাতীয় নির্বাচন হয়েছে সেগুলোতে ৯২ শতাংশ আসনেই জয়লাভ করেছিলো জাতীয় পার্টি এবং সেটাও বিশাল ব্যবধানে। কিন্তু গত ১৭ বছরে যে ৩টি বিতর্কিত নির্বাচন হয়েছে, তাতে রংপুরের ৬টির মধ্যে তিনটি আসনই চলে যায় আওয়ামী লীগের দখলে।

এখন আওয়ামী লীগ নেই।

অন্যদিকে বলা হচ্ছে, জাতীয় পার্টিও আগের তুলনায় দুর্বল। ফলে এখানে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি সম্ভাবনা দেখছে বিএনপি এবং জামায়াত দুটি দলই।

বিএনপি মনে করছে, রংপুরসহ পুরো অঞ্চলে বিএনপির পক্ষে 'জোয়ার তৈরি হয়েছে'। বিশেষকরে দলটি তিস্তার পাড়ে তিস্তা প্রকল্পের পক্ষে যেসব ধারাবাহিক কর্মসূচি পালন করেছে সেটা কৃষিভিত্তিক উত্তরাঞ্চলে বড় প্রভাব রাখবে বলে মনে করেন রংপুরের বিএনপি নেতারা।

জানতে চাইলে বিএনপির রংপুর মহানগর সদস্যসচিব মাহফুজ উন নবী ডন বলেন, ‘আসলে আমরা জাতীয় পার্টিকে ফ্যাক্টর মনে করিনা। তাদের বিগত সময়ে যারা পাঁচবছরের জন্য এমপি হয়েছেন, তারা তো মাসে পাঁচঘণ্টা সময়ও রংপুরবাসীর জন্য ব্যয় করেনি। পাশাপশি দৃশ্যমান কোন উন্নয়নও করেনি। এই অঞ্চলের সাধারণ মানুষ আমাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত হচ্ছে।’

‘জাতীয় পার্টিকে সাইড করার চেষ্টা হচ্ছে’
বিএনপি এবং জামায়াত, দুই দলই রংপুরের আসনগুলোতে জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী। তবে বাস্তবতা হচ্ছে, অতীতের নির্বাচনগুলোতে এ দুটি দল রংপুর জেলার আসনগুলোতে এমনকি দ্বিতীয় অবস্থানেও আসতে পারেনি। কিন্তু এখন যে দলগুলো জয়ের আশা করছে তার পেছনে ‘প্রশাসনের মদদ আছে’ বলে অভিযোগ করছে জাতীয় পার্টি।

দলটির চেয়ারম্যান জি এম কাদের মনে করেন, জাতীয় পার্টির জন্য বৈরি পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে এর উদ্দেশ্য যেন জাতীয় পার্টিকে মাইনাস করা যায়। অন্য কোনো দলের জেতা সহজ হয়।

তিনি বলেন, ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড আমরা বাদে মাঠে আর যারা আছেন, তারা সবাই পাচ্ছেন। আমাদেরকে এখানে সাইড করার চেষ্ট করা হচ্ছে। যাতে করে আমরা রাজনীতি থেকে দূরে থাকলে এটা অনেকেই তাদের ভোটের জন্য সুবিধাজনক বলে মনে করছেন। কিন্তু জাতীয় পার্টি মাঠে থাকবে।’

মূলত বিএনপি, এনসিপি এবং জামায়াত নির্বাচনের মাঠে বাড়তি সুবিধা পাচ্ছে এমন অভিযোগ তুলছে জাতীয় পার্টি।। যদিও এসব দল সেটা মনে করে না।

তবে এটা স্পষ্ট যে পাঁচই অগাস্ট পরবর্তী সময়ে জাতীয় পার্টি একটা চ্যালেঞ্জের মুখে আছে। কিন্তু এর ফলে যে দলটিকে এখনই অন্তত: রংপুরের রাজনীতির হিসেব থেকে বাদ দেয়া যাবে তেমনটাও আবার অনেকে মনে করছেন না।

তাদেরই একজন রংপুরে সুশাসনের জন্য নাগরিক সুজন সভাপতি ফখরুল আনাম বেঞ্জু।

‘কোনো জায়গায় হয়তো জামায়াত হট ফেভারিট হয়ে আছে। কোনো জায়গায় বিএনপি হট ফেভারিট হয়ে আছে। কিন্তু সামগ্রিকভাবে যদি চিন্তা করেন, তাহলে জাতীয় পার্টি একেবারেই মাইনাস হয়ে গিয়েছে, এই অবস্থাটা কিন্তু আমার মনে হয় হবে না।’ বলেন ফখরুল আনাম।

কিন্তু এমনটা মনে করার কারণ কী? এমন প্রশ্নে মি. আনাম বলেন জাতীয় পার্টি রংপুর অঞ্চলে এখনো ফ্যাক্টর।

তার ভাষায়, ‘এখানে জাতীয় পার্টি মাইনাস হওয়ার একটা চান্স ছিলো। কিন্তু যখন জাতীয় পার্টিকে রাজনীতিতে ব্যাক করানো হলো, সেটা যে কৌশলেই করানো হোক, এর অর্থ হচ্ছে জাতীয় পার্টি এখনো ফ্যাক্টর। তারা যে খুব খারাপ সংখ্যায় আসন পাবে তা নয়, একটা ভালো সংখ্যা তাদের কিন্তু আসবে।’
সূত্র: বিবিসি বাংলা

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে ইন্টার্নশিপের সুযোগ, পদ ১০, থাকছে মাস…
  • ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
জাকসু ভিপি জিতুসহ ছাত্রদল-বিএনপিতে যোগ দিলেন হল সংসদের যেসব…
  • ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
২২ দফা ইশতেহার ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস
  • ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
টেকনাফে বাসচাপায় অটোরিকশার দুই যাত্রী নিহত, আহত ৮
  • ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৩ বন্ধুর
  • ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ছাত্রশিবিরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি—মেধা, সতত…
  • ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬