'তিনি আমাদের হিমালয়-সম ব্যক্তিত্ব আকড়ে বেঁচে থাকার শিক্ষা দিয়ে যাচ্ছেন'

বাবার সঙ্গে প্রথম ও একমাত্র ছবি দিয়ে লিখলেন হাসনাত

২৬ আগস্ট ২০২৫, ১০:২১ AM , আপডেট: ২৭ আগস্ট ২০২৫, ১০:৫২ PM
হাসনাত আবদুল্লাহ আব্দুল্লাহ ও তার বাবা

হাসনাত আবদুল্লাহ আব্দুল্লাহ ও তার বাবা © সংগৃহীত

‘তিনি আমাদের হিমালয়-সম ব্যক্তিত্ব, আকড়ে বেঁচে থাকার শিক্ষা দিয়ে যাচ্ছেন’ — উল্লেখ করে বাবাকে নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ আব্দুল্লাহ মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি আবেগঘন পোস্ট শেয়ার করেছেন। এটি মূলত ২০২২ সালের ৯ জানুয়ারিতে ফেসবুকে প্রকাশিত একটি পুরোনো স্ট্যাটাস, তিনি আবার নতুন করে প্রকাশ করেছেন।

পোস্টে তিনি একটি ছবির প্রসঙ্গ তুলে লিখেছেন, ‘পাশে বসে থাকা ভদ্রলোক আমার বাবা। এটা বাবার সাথে আমার প্রথম এবং একমাত্র ছবি।’

হাসনাত আব্দুল্লাহ লেখেন, ‘উনি খুব ইন্টারেস্টিং ক্যরেক্টার,দারুণ অদ্ভুত। সারাজীবন উনি হারিয়ে গিয়েছেন জীবনকে নিয়ে যেমন-খুশি তেমন খেলার অশান্ত ঢেউয়ের মহাকালের অতলে।তবে শেষ পর্যন্ত ডুবে যাননি,ভেসে থেকেছেন, ভাসিয়ে রেখেছেন,নিজেকে এবং আমাদের সবাইকে।’

তিনি লিখেন, ‘আমার বাবার সম্পর্কে যে জিনিসটা আমার সবচেয়ে ভালো লাগে তা হচ্ছে, এ পর্যন্ত কোনো তুচ্ছ কাজে বা কথায় তার কোনো আসক্তি দেখি নি কোনো ছোট কথা,জাগতিক বিষয়াদি, ব্যক্তিগত স্বার্থ ইত্যাদি।নিজের কষ্টের বেলায় উনি কাউকে কিছু বলবেন না, মুখ বুজে সমুদ্র গিলবেন। অপরকে ভালো রেখে নিজে ভালো থাকার এক দুর্দমনীয় প্রবৃত্তি তার মধ্যে রয়েছে।’

হাসনাত আরও লেখেন, ‘আমার বাবার কাছ থেকে সারাদিন ঝগড়া করে যতটা না আদায় করা যায়, তাঁরচেয়ে চারগুন বেশি আদায় করা যায় দু'মিনিট নিরব থেকে। উনি উনার সারাজীবন ধরে আমাদেরকে হিমালয়-সম ব্যক্তিত্ব,নিরাসক্ত পর্বতসম মহত্ত্বকে আঁকড়ে ধরে বেঁচে থাকার শিক্ষা দিয়ে যাচ্ছেন।’

তিনি জানান, আমাকে অনেকেই প্রশ্ন করেন আমার এই ঠোঁট কাটা স্বভাব কোথায় পেলাম।সেটাও আমার বাবার শিক্ষা। উনি প্রায়শই বলেন, জীবনে হারজিত থাকবে, উত্থান-পতন আসবে, রৌদ্রজ্জ্বল দিনকেও কালো মেঘ ঢেকে দিবে,ঘোর অমানিশা নেমে আসবে। কিন্তু একমাত্র স্থায়ী থাকবে আদর্শ। যেকোন প্রতিকূল-ধ্বংসাত্মক পরিস্থিতিই আসুক না কেনো,তোমার ধারন করা নীতি ও আদর্শের সঙ্গে তুমি কখনো আপস করবে না। এটাই হোক তোমার সংকল্প।’

পোস্টের শেষ অংশে তিনি লেখেন, ‘দূর থেকে উনার পর্বতসম নিরাসক্ত ব্যক্তিত্বকে সবসময় স্পর্শ করতে চেয়েছি। দীর্ঘ ছয় বছর পর উনি দেশে এসেছেন। আগামী চারমাস উনার সান্নিধ্যে পাবো। এটা এ-বছরের প্রাপ্তি। আমার বাবার সার্বিক কল্যাণ হোক।’

পুলিশের লাঠিচার্জে আহত সেই তাহরিমা
  • ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বিএনপি-জামায়াতের শক্তি কোথায়, দুর্বলতা কোথায়
  • ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
৬ এডমিনের সঙ্গে বাদ পড়লেন ২ পুলিশও ক্যাডারও
  • ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
শত নির্যাতনেও ছাত্রশিবিরের অগ্রযাত্রা থামানো যায়নি : নূরুল …
  • ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান…
  • ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
‘কোথাও বিজয়ী না হলেও বরগুনা-১ আসনে হাতপাখার জয় হবে’
  • ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬