পিআইবি মহাপরিচালক শাহ আলমগীর আর নেই

২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১১:৪০ AM
মো. শাহ আলমগীর

মো. শাহ আলমগীর © টিডিসি ফটো

বিশিষ্ট সাংবাদিক ও প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) মহাপরিচালক মো. শাহ আলমগীর ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। গত ২১ ফেরুয়ারি রাতে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের (সিএমএইচ) নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) তাকে ভর্তি করা হয়।

শাহ আলমগীর রক্তে হিমোগ্লোবিন কমে যাওয়া, ডায়াবেটিসসহ নানা ধরনের শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। গত ২১ ফেব্রুয়ারি রাতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে সিএমএইচে ভর্তি করা হয়। ২২ ফেব্রুয়ারি তাঁকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। আজ বেলা ১.৩০ টায় গোড়ানে তা প্রথম দফা জানাযা অনুষ্ঠিত হবে। পরে ২.৩০ টায় পিআইবি, ৩.০০টায় জাতীয় প্রেসক্লাব, ৪টায় উত্তরার জানাজা শেষে বিকেলে উত্তরা ১২ নম্বর সেক্টরে দাফন করা হবে বলে জানা গেছে।

শাহ আলমগীর ২০১৩ সালের ৭ জুলাই পিআইবির মহাপরিচালক হিসেবে যোগ দেন। ২০১৮ সালের জুলাই মাসে তাঁর চাকরির মেয়াদ আরও এক বছর বাড়ায় সরকার। উপমহাদেশের প্রথম শিশু-কিশোর পত্রিকা সাপ্তাহিক কিশোর বাংলা পত্রিকায় যোগ দেওয়ার মাধ্যমে তিনি সাংবাদিকতা শুরু করেন। সেখানে তিনি ১৯৮০ সাল থেকে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত সহ-সম্পাদক হিসেবে কাজ করেছেন।

এরপর তিনি দৈনিক জনতা, বাংলার বাণী, আজাদ ও সংবাদ-এ কাজ করেন। প্রথম আলো প্রকাশের সময় থেকেই তিনি পত্রিকাটির সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং ১৯৯৮ সালের নভেম্বর মাস থেকে ২০০১ সালের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত যুগ্ম বার্তা-সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। পরে তিনি চ্যানেল আইয়ের প্রধান বার্তা সম্পাদক, একুশে টেলিভিশনের হেড অব নিউজ, যমুনা টেলিভিশনে পরিচালক (বার্তা) এবং মাছরাঙা টেলিভিশনে বার্তা প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

শাহ আলমগীর ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি ‘কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ সাহিত্য পুরস্কার-২০০৬, ‘চন্দ্রাবতী স্বর্ণপদক ২০০৫’, ‘রোটারি ঢাকা সাউথ ভকেশনাল এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড-২০০৪’ এবং ‘কুমিল্লা যুব সমিতি অ্যাওয়ার্ড-২০০৪’ পেয়েছেন।

পৈতৃক বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে হলেও বাবার চাকরি সূত্রে বৃহত্তর ময়মনসিংহে জীবনের বড় একটি সময় কাটে তাঁর। ময়মনসিংহের গৌরীপুর কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করে ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। বাংলা সাহিত্যে অনার্স ও মাস্টার্স করেন। পারিবারিক জীবনে শাহ আলমগীর এক পুত্র ও কন্যা সন্তানের জনক।

তাঁর স্ত্রী ফৌজিয়া বেগম একটি ওষুধ কোম্পানিতে কাজ করেন। ছেলে আশিকুল আলম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ থেকে বিবিএ পাস করে কাজ করছেন এইচএসবিসি ব্যাংকে। মেয়ে অর্চি অনন্যা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইইউবিতে সাংবাদিকতা বিষয়ে পড়াশোনা করছেন।

সংসদে বিভিন্ন স্থায়ী কমিটির সভাপতির পদ বিরোধী দলের থাকছে না
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬
জাবিপ্রবিতে আবু সাঈদ-ওয়াসিম স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের চ্যা…
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬
রাষ্ট্রপ্রধান, সেনাপ্রধান ও প্রধান বিচারপতি হিসেবে যেমন ছিল…
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬
প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা পেলেন আশিক চৌধুরী
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬
কেন গ্রেপ্তার হলেন এরশাদের দ্বিতীয় স্ত্রী বিদিশা
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬
আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬