ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি © সংগৃহীত
ভারতের চেন্নাইয়ের ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (আইআইটি) এক ছাত্রের মৃতদেহ ছাত্রাবাসে তার কক্ষ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। আইআইটি মাদ্রাজের কেমিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন তিনি।
পুলিশ জানায়, গত শুক্রবার ওই শিক্ষার্থীর কক্ষ থেকে অজ্ঞাত তারিখ এবং সই বিহীন একটি চিঠি উদ্ধার করা হয়েছে। যেখানে তিনি বন্ধুদের তার প্রতি সহৃদয় ব্যবহারের জন্য ধন্যবাদ দিয়েছেন।
লেখাপড়ার ‘দারুণ মেধাবী’ ওই শিক্ষার্থী সামজিকভাবে মানুষের সঙ্গে মিশতে অতটা ‘দক্ষ ছিলেন না’ বলে জানিয়েছে পুলিশ। যে কারণে, সে তার ‘মানসিক চাপ কাটিয়ে ওঠার সুযোগ পায়নি’।
ওই শিক্ষার্থী আসলেই আত্মহত্যা করেছেন কিনা পুলিশ তা খতিয়ে দেখছে। যদি তাই হয় তবে এটা এবছর আইআইটি মাদ্রাজে শিক্ষার্থী আত্মহত্যার চতুর্থ ঘটনা হবে বলে জানায় এনডিটিভি।
ওই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর দিনই আইআইটি মাদ্রাজ থেকে শোক প্রকাশ করে বলা হয়ছে, তার মৃত্যুর কারণ এখনো অজানা।
তারা শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করার জন্য প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে গ্রহণ করা কিছু ‘অত্যন্ত-সক্রিয় ব্যবস্থার’ কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
আইআইটি মাদ্রাজ জানায়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটিতে ‘বি হ্যাপি’ (খুশি থাকো) নামে একটি ওয়েবসাইট আছে। যাতে শিক্ষার্থীরা মানসিক চাপ মুক্ত থাকতে পারে। শিক্ষার্থীদের মানসিকভাবে সুস্থ ও হাসিখুশি রাখতে তারা আরো কিছু ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও বলেছেন।
এনডিটিভি জানায়, সম্প্রতি ক্যাম্পাসের বাইরেই নিজের অ্যাপার্টমেন্টে একজন পিএইচডি শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন। যিনি একটি সুইসাইড নোট রেখে গেছেন। যেখানে লেখা ছিল, দুঃখিত, আমি যথেষ্ট ভালো নই।
আইআইটিতে ভর্তি হওয়া অত্যন্ত কঠিন। শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম করেই ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়। অনেকে অভিযোগ করেন, আইআইটিতে ভর্তি হতে এক একজন পরীক্ষার্থী অমানুষিক চাপ গ্রহণ করে। ভর্তি হওয়ার পর পরবর্তী পাঁচ বছরও শিক্ষার্থীদের প্রচুর পরিশ্রম করতে হয়।