এরা নাকি জনপ্রতিনিধি!

ঢাবি
ড. মো. কামরুল হাসান মামুন  © টিডিসি ফটো

সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়েই তেঁতুলতলা মাঠে থানা: ডিএমপি, WOW! এই জন্যই তো এর নাম বাংলাদেশ। সব খারাপ কাজ তো সকল পক্ষের যোগ সাজসেই হয়। ভালো কাজের জন্য এই রকম কন্সার্টেড যোগসাজোস কখনো হয় না। ভালো কাজে বরং প্রতিবন্ধকতা তৈরির জন্য সকলে একজোট হবে। 

এই শহরে এমনিতেই সকল খেলার মাঠ দখল হয়ে যাচ্ছে। দুই-একটা যেইগুলো আছে সেগুলোও সকলে মিলে নিয়ে নিচ্ছে। থানার জন্য সরকার প্রয়োজনে যথোপযুক্ত মূল্য দিয়ে জমি কিনে নিবে। বিকল্প মাঠ কেন খুঁজতে হবে। খোজ উচিত থানার জন্য বিকল্প জায়গা। 

রক্ষক যখন ভক্ষক হয় সর্বনাশ তখন চতুর্দিক থেকে ধেয়ে আসে। ওই মাঠ ওই জমি অধিগ্রহণের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক অনুমোদন পাওয়া গেছে। সরকারি প্রয়োজনে ও জনস্বার্থে রাজউকের কোনো আপত্তি নেই মর্মে ছাড়পত্র পাওয়া গেছে। শিশু কিশোরদের খেলাধুলার প্রয়োজন নাই?

আরও পড়ুন : বিবর্তন মানবা না তাহলে d/dt মানবা কিভাবে

মাঠের জায়গাটি প্রস্তাবিত ভূমি ব্যবহার আরবান রেসিডেন্সিয়াল জোন হিসেবে চিহ্নিত থাকায় নগর উন্নয়নের ছাড়পত্র এবং সরকারের প্রচলিত আইন ও নীতি অনুযায়ী অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে পরিবেশ অধিদপ্তরের অনাপত্তিপত্র পাওয়া গেছে।

এমনকি স্থানীয় সংসদ সদস্য এলাকাবাসীর নিরাপত্তার স্বার্থে স্থায়ীভাবে কলাবাগান থানা স্থাপনের জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে ডিও লেটারও দিয়েছেন। এই জন্যই তো এই সমস্যার সময় মেয়রকে দেখি নাই। এমনকি ঢাকা কলেজের ঝামেলার সময়ও মেয়রকে দেখা যায়নি। এরা নাকি জনপ্রতিনিধি।


x

সর্বশেষ সংবাদ