বিবর্তন মানবা না তাহলে d/dt মানবা কিভাবে?

০৮ এপ্রিল ২০২২, ০৬:০৯ PM
ড. মো. কামরুল হাসান মামুন

ড. মো. কামরুল হাসান মামুন © সংগৃহীত

বিবর্তন মানবা না তাহলে d/dt মানবা কিভাবে? আর d/dt না মানলে বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিজ্ঞান পড়বে কিভাবে?

আমাদের চারিপাশের সকল ভৌত চলমান ঘটনা বা ফেনোমেনা সময়ের সাথে পরিবর্তিত হয়। কোন কিছু স্ট্যাটিক বা স্থির মানেই এর কোন উন্নয়ন নাই। তাই দেখা যায় পদার্থবিজ্ঞানে আমরা যেসকল ফেনোমেনা অধ্যয়ন করি তার প্রায় সবগুলোকেই d/dt-র সমীকরণ মানে।

মহাবিশ্বের সৃষ্টি তত্ত্বের সবচেয়ে সফল তত্ত্ব হল big bang তত্ত্ব। সেই তত্ত্ব অনুসারে আজ থেকে প্রায় ১৩.৮ বিলিয়ন বছর আগে এক বিস্ফোরণের মাধ্যমে এই মহাবিশ্বের সৃষ্টি। ঠিক তখন থেকে আইনস্টাইনের E=mc^২ অনুসারে লাইট এনার্জি ক্রমাগতভাবে ম্যাটার এনার্জিতে রূপান্তরিত হয়ে সেই থেকে নতুন নতুন গ্যালাক্সি তার ভিতরে গ্রহ নক্ষত্র তৈরি হতে থাকে আর মহাবিশ্ব প্রতিনিয়ত সম্প্রসারণ হতে থাকে। এর মধ্যে আমাদের বাড়ি পৃথিবীর জন্ম হয় মাত্র প্রায় ৪.৫ বিলিয়ন বছর আগে। সৃষ্টি হওয়া মাত্রই আজকের মত গাছপালা, প্রাণী, মানুষ ছিল না।

পৃথিবীতে প্রাণের অস্তিত্ব আসে প্রায় ৩.৭ বিলিয়ন বছর আগে। আর মানুষ বা Homo sapiens এর আবির্ভাব কবে থেকে? প্রায় ২ লক্ষ বছর থেকে। প্রথমে এক কোষী প্রাণী তারপর বিবর্তনের মাধ্যমে কমপ্লেক্স প্রাণের আবির্ভাব ঘটতে থাকে। তার মানে বিগ ব্যাংগ নিজেই বিবর্তন তত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত।

পদার্থবিজ্ঞান পড়লে আমাদেরকে অনবরত সময়ের সাপেক্ষে ডেরিভেটিভ বা d/dt-র সমীকরণ সমাধান করতে হয়ে। এখন আজকের বিশ্বে বাস করে এইটাকে অস্বীকার করে আমরা কিভাবে জ্ঞানে বিজ্ঞানে উন্নত হব?

আরও পড়ুন : অভিনন্দন বুয়েট, একেই বলে নেতৃত্ব

এই ইউনিভার্সের ডাইনামিকস হল একটা stochastic প্রসেস। যেকোনো মুহূর্তে এর একটা সেট অফ স্টেট থাকে এবং তার সাথে জড়িত থাকে একটা প্রবাবিলিটি ডিস্ট্রিবিউশন যা আবার সময়ের সাথে পরিবর্তিত হয়। রেন্ডমনেস এবং সময়ের সাথে পরিবর্তন এই দুইয়ে মিলে ধীরে ধীরে সিস্টেম কমপ্লেক্স হয়ে যায় কিন্তু মাইক্রোস্কোপিক রুল কিন্তু সিম্পল। কারণ ইনহেরেন্টলি প্রকৃতি খুব সহজ এবং সরল।

আজ থেকে ৪০০-৫০০ বছর আগে বিজ্ঞানীদের সাথে চার্চের অনবরত ঝগড়া হতো। অনেক বিজ্ঞানীকে অনেক শাস্তিও ভোগ করতে হয়েছে। তাতে কি বিজ্ঞানীরা সত্য কথা বলা থামিয়ে দিয়েছে? আমরা যে চারপাশে এত আরাম আয়েশের সামগ্রী উপকরণ দেখি তার শতভাগই বিজ্ঞানের কারণে। আমরা এত নিমক হারাম কিভাবে হই? এইটা কি পাপ না?

এখন বিজ্ঞান পড়তে হলে এইসব ধারণ করতে হবে। এইসবকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়ে বর্তমান বিশ্বে কোন মানুষ, কোন জাতি টিকে থাকতে পারে না। সময় এসেছে জাতি হিসাবে আমাদেরকে একটা সিদ্ধান্তে পৌঁছার।

প্রতি নিয়ত বিশ্বাস এবং বিজ্ঞানকে মুখোমুখি করে আমরা সামনে আগাতে পারব না। আমরা অলরেডি পিছিয়ে আছি। আরও কাল ক্ষেপণ করলে আমাদের দুর্গতি কেবল বৃদ্ধি পাবে। যা দেখতে পাচ্ছি তাতে মনে হচ্ছে নতুন প্রজন্মের একটি বড় অংশকেই প্যারাডক্সিক্যাল বানিয়ে ফেলা হয়েছে।

লেখক: অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

এগিয়ে আনা হলো বিপিএল ফাইনাল
  • ১৯ জানুয়ারি ২০২৬
রাকসু জিএস আম্মারের মানসিক চিকিৎসার দাবিতে মানববন্ধন করবে ছ…
  • ১৯ জানুয়ারি ২০২৬
বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদন আবারও বন্ধ
  • ১৯ জানুয়ারি ২০২৬
ছাত্রদলের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা
  • ১৯ জানুয়ারি ২০২৬
কুবিতে ‘পাটাতন’ এর প্রথম কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন
  • ১৯ জানুয়ারি ২০২৬
তারেক রহমানের সঙ্গে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী দলের নেতাদের সাক্ষাৎ
  • ১৯ জানুয়ারি ২০২৬
X
UPTO
100%
MERIT BASED
SCHOLARSHIP
ADMISSION OPEN FOR
SPRING 2026
Application Deadline Wednesday, 21 January, 2026
Apply Now

Programs Offered

  • BBA
  • Economics
  • Agriculture
  • English
  • CSE
  • EEE
  • Civil
  • Mechanical
  • Tourism & Hospitality
01810030041-9