সামিয়া ইসলাম © টিডিসি ফটো
হাসপাতাল মানে কতশত আর্তনাদ
কত যে না বলা জমা সব গল্প,
কারও সময় খুবই অল্প,
বাঁচিবার জন্য ছিল কত স্বপ্ন।
কারো বা আবার বাড়ি ফেরার চাহনী ঘেরা প্রতিক্ষা।
হাসপাতালের--
বেডগুলো এক একটি বৃত্তের সাক্ষী
জল অঞ্জলি ফুরিয়া আসিল জীবন বৃত্তি।
কত যে বেলা ফুরালো,
দেখা মেলেনি ঊষার প্রদীপের চাহনি,
বাঁচিবার যুদ্ধে লড়াই করছে আশাবাদী হবে তারা বিজয়ী।
কেউ আবার মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে,
রাতের অন্ধকারে লণ্ঠনগুলো জ্বল জ্বল করে জ্বলছে,
কিছু সময় পরপর ডাক পরে আর্তনাদের।
আমি বুঝেছি--
মুক্তির স্বাদ কি!
আমি বুঝেছি,
বন্দি জীবনের মানে!
আমি বুঝেছি একা বাঁচিবার দহন,
দেখেছি-
খুদা যুদ্ধে জীবন বাজি রাখা নিরস্ত্র সৈনিক।
আমি দেখেছি বাবা হারা সন্তানের আর্তনাদ,
স্বজনের আহাজারি।
আমি দেখেছি খেটে খাওয়া মানুষের কষ্ট,
জীবনের শেষ প্রান্তে
স্মৃতির ধারে ভেসে ওঠা-
বেদনাময় ভালোবাসার তিলক চিহ্ন।
স্বজনবিহীন মৃত্যু,
অতঃপর অনাদরে শায়িত লাশ।
আমি বুঝেছি ভালোবাসা তুচ্ছ,
নির্মম মহামারী মৃত্যুর কাছে।
আমি দেখেছি,
মৃত্যুর মিছিলে দাঁড়িয়ে হতভম্ব সৈনিকের আর্তনাদ।