প্রতিষ্ঠানপ্রধান নিয়োগে পদ সংখ্যা কমছে 

২৫ মার্চ ২০২৬, ০২:৩৩ PM
এনটিআরসিএ লোগো

এনটিআরসিএ লোগো © টিডিসি সম্পাদিত

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহ-প্রধান নিয়োগের সংশোধিত বিজ্ঞপ্তিতে  ৬০৮টি পদসংখ্যা কমবে বলে জানা গেছে। এ ক্ষেত্রে সাড়ে ১৩ হাজারের জায়গায় ১২ হাজার ৯৫১ পদের বিপরীতে এ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হতে পারে। 

বুধবার (২৫ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। 

সূত্র জানায়, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রধান, সহকারী প্রধান, অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, সুপার, সহকারী সুপার নিয়োগের নতুন করে আবেদনগ্রহণ আগামী ২৯ মার্চ থেকে শুরু হবে। যা চলবে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত।   

এর আগে গত ১২ মার্চ প্রতিষ্ঠানপ্রধান নিয়োগে নতুন করে বিজ্ঞপ্তি জারির জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে অনুমতি চাওয়া হয়। সেই প্রস্তাবে আজ অনুমোদন দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। গত ১০ মার্চ প্রতিষ্ঠানপ্রধান, সহকারী প্রধান নিয়োগের যোগ্যতায় সংশোধনী আনা হয়। এজন্য এমপিও নীতিমালার কয়েকটি ধারা সংশোধন করা হয়।

প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগ পরীক্ষার সিলেবাস অনুযায়ী মোট ৮টি বিষয়ে ৮০ নম্বরের পরীক্ষা হবে। এর মধ্যে বাংলায় ১০ নম্বর, ইংরেজিতে ১০ নম্বর, আইসিটিতে ১০ নম্বর, মানসিক দক্ষতা ও গাণিতিক যুক্তিতে ৫ নম্বর, বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলীতে ৫ নম্বর, প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় ১০ নম্বর, আর্থিক ব্যবস্থাপনায় ১০ নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর বাইরে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পরীক্ষার্থীদের জন্য সাধারণ শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় ২০ নম্বর, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের পরীক্ষার্থীদের জন্য কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থাপনা ও কারিগরি শিক্ষা সংশ্লিষ্ট মৌলিক জ্ঞানে ২০ নম্বর এবং মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের পরীক্ষার্থীদের জন্য মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থাপনা, আল কুরআন, হাদীস, ফিকাহ, আরবি ভাষা ও ইসলামী শিক্ষায় ২০ নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের যেমন সম্ভাবনা দেখেন রফিক
  • ১৪ এপ্রিল ২০২৬
ইসরায়েলের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্থগিত করল ইউরোপের এক দেশ
  • ১৪ এপ্রিল ২০২৬
বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে এমপিকে বাধা, সমর্থকদের ওপর হামলার অভিযোগ
  • ১৪ এপ্রিল ২০২৬
দুর্ঘটনায় আহত উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার চিকিৎসার খোঁজ নিত…
  • ১৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রায় দেড় যুগ পর প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা শুরু কাল
  • ১৪ এপ্রিল ২০২৬
বাংলা বর্ষপঞ্জি বাংলাদেশে কতটা ব্যবহার হচ্ছে?
  • ১৪ এপ্রিল ২০২৬