চাকরিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের শিক্ষার্থীরা হঠাৎ কেন ‘অযোগ্য’?

১১ মার্চ ২০২৬, ০৪:৫৭ PM
বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগ

বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগ © টিডিসি সম্পাদিত

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (মাদ্রাসা) শিক্ষক নিয়োগের নীতিমালা-২০২৬-এ করা একটি পরিবর্তনে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন দেশের সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত আরবি বিভাগের শিক্ষার্থীরা। গত ১ ফেব্রুয়ারি জারি করা এই নীতিমালায় সহকারী মৌলভী ও আরবি প্রভাষক পদের জন্য আরবিতে অনার্স-মাস্টার্সের পাশাপাশি দাখিল ও আলিম পাস বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। অর্থাৎ, দাখিল পাসের পর কেউ যদি এইচএসসি পাস করে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আরবিতে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন, তবুও তিনি মাদ্রাসায় আরবি শিক্ষক হিসেবে আবেদনের অযোগ্য বলে গণ্য হবেন।

এই সিদ্ধান্তে হতাশা প্রকাশ করে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় আরবি বিভাগের শিক্ষার্থীরা বলছেন, এটি সুস্পষ্ট বৈষম্য এবং পূর্বঘোষণা ছাড়া নীতিমালা পরিবর্তনের মাধ্যমে হাজারো শিক্ষার্থীর ক্যারিয়ার হুমকির মুখে পড়েছে।

নীতিমালায় কী আছে?
নতুন নীতিমালার ১৩(গ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সহকারী মৌলভী (জুনিয়র মৌলভী) ও আরবি প্রভাষক পদে প্রার্থীকে আরবি বিষয়ে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পাশাপাশি দাখিল ও আলিম পাস হতে হবে। অথচ পূর্ববর্তী নীতিমালায় আরবি প্রভাষকের জন্য স্নাতকোত্তর ডিগ্রিকেই মূল যোগ্যতা হিসেবে বিবেচনা করা হতো। বিগত ৪০ বছর ধরে অনার্স-মাস্টার্স ডিগ্রিই আরবি শিক্ষকতার জন্য প্রধান যোগ্যতা হিসেবে স্বীকৃত ছিল।

কেন এই শর্ত অযৌক্তিক?
১. নিয়োগ পরীক্ষাই যোগ্যতার প্রকৃত মাপকাঠি
শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে যোগ্য প্রার্থী বাছাইয়ের মূল মাধ্যম হলো নিয়োগ পরীক্ষা। পরীক্ষার মাধ্যমেই প্রার্থীর জ্ঞান ও দক্ষতা যাচাই করা সম্ভব। দাখিলের পর আলিম না থাকার অজুহাতে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে আরবি ভাষা, সাহিত্য, ব্যাকরণ, ফিকহ, হাদিস, তাফসিরসহ বিভিন্ন বিষয়ে গভীর জ্ঞান অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের বাদ দেওয়ার কোনো যুক্তি নেই। নিয়োগ পরীক্ষার মাধ্যমেই তো তাঁদের যোগ্যতা নিরূপণ করা সম্ভব। আর কেউ যদি নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে না পারেন, সেটা তাঁর অযোগ্যতার কারণে হতে পারে। কিন্তু পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগই না দেওয়া মানেই তো তাঁকে পূর্বনির্ধারিতভাবে অযোগ্য ঘোষণা করা—যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

আরিবি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের ভর্তিতে মাদ্রাসার দাখিল-আলিম পাস শর্ত নয়

২. অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে বৈষম্য
নীতিমালার অন্যত্র সাধারণ বিষয়ের শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে শুধু সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অনার্স-মাস্টার্স থাকলেই চলে। এসএসসি বা এইচএসসিতে ওই বিষয় থাকার বাধ্যবাধকতা নেই। বাংলা, ইংরেজি, বিজ্ঞান, অর্থনীতি, পৌর নীতি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, ইতিহাস, ইসলামের ইতিহাস, ম্যানেজমেন্ট, মার্কেটিং, পরিসংখ্যান, গণিতসহ সব বিষয়ে শুধু স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রিই যথেষ্ট। কিন্তু একমাত্র আরবি ও ইসলামিক স্টাডিজের ক্ষেত্রে বাড়তি শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে—দাখিল ও আলিম পাস। এটি চরম বৈষম্য বলে দাবি করছেন শিক্ষার্থীরা।

৩. বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তিতে আলিমের শর্ত নেই, চাকরিতে কেন?
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের সব পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে দাখিল পাসের পর এইচএসসি দিয়ে ভর্তির সুযোগ রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যখন এই শিক্ষার্থীদের আরবিতে উচ্চশিক্ষার জন্য উপযুক্ত মনে করেন, তখন একই শিক্ষার্থী কেন চাকরির বাজারে হঠাৎ অযোগ্য হয়ে যাবেন? দাখিল পাসের পর কলেজে গিয়ে এইচএসসি সম্পন্ন করা শিক্ষার্থীরা কেন মাদ্রাসায় আরবি শিক্ষকতার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবেন?

৪. ১৭ বছরের পড়াশোনা কি মূল্যহীন?
যে শিক্ষার্থী দাখিল থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ে আরবি বা ইসলামিক স্টাডিজে অনার্স-মাস্টার্স শেষ করেছেন, তাঁর মোট পড়াশোনার সময়কাল প্রায় ১৭ বছর। শুধুমাত্র মাঝখানে দুই বছরের আলিম না পড়ার কারণে এই পুরো শিক্ষাজীবন ও বিনিয়োগ কি মূল্যহীন হয়ে যাবে? এটি নীতিগতভাবে যেমন অন্যায়, তেমনি মানবিক বিবেচনাও বর্জিত।

যুক্তি ও প্রতিবাদ
নতুন নীতিমালা প্রণয়নের পেছনে যুক্তি হিসেবে বলা হচ্ছে, অনেক শিক্ষার্থী দাখিল পাসের পর জেনারেল শিক্ষায় চলে যান এবং পরে জাতীয় বা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আরবি বা ইসলামিক স্টাডিজে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। তাঁরা মাদ্রাসার পরিবেশ ও আরবি ভাষার সঙ্গে পর্যাপ্ত পরিচিত নন বলে দাবি করা হচ্ছে। কিন্তু আরবি ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে পড়ুয়া শিক্ষার্থীরাও আরবি ভাষা, সাহিত্য, কোরআন, হাদিস, ফিকহসহ সব বিষয়েই পড়াশোনা করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচি মাদ্রাসার তুলনায় অনেক অনেক বেশি বিস্তৃত ও গভীর। তাই তাঁদের অযোগ্য বলার সুযোগ নেই।

অপর একটি যুক্তি হলো, আলিয়া মাদ্রাসার আলিম পর্যায়ে শিক্ষার্থীসংখ্যা কমে যাচ্ছে। ভালো শিক্ষার্থীরা দাখিল পাস করে অনেক সময় ভালো কলেজে চলে যাচ্ছেন। এই ধারা রোধ করতেই নতুন শর্ত আরোপ করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু একটি স্তরে শিক্ষার্থীসংখ্যা বাড়ানোর স্বার্থে হাজার হাজার বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর ক্যারিয়ার বিসর্জন দেওয়া কতটুকু যুক্তিসংগত, তা ভেবে দেখার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

‘পূর্বঘোষণা ছাড়া হঠাৎ করে নীতিমালা পরিবর্তন করে হাজারো মেধাবী শিক্ষার্থীর ক্যারিয়ার ঝুঁকির মুখে ফেলা হয়েছে। দীর্ঘ ১৭ বছরের পড়াশোনা, নিরলস অধ্যবসায় ও ভবিষ্যৎ স্বপ্নকে এক মুহূর্তে নস্যাৎ করে দেওয়ার এই সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই মানবিক ও ন্যায়সংগত হতে পারে না।’— অধ্যাপক ড. ইফতেখারুল আলম মাসুদ, রেজিস্ট্রার ও আরবি বিভাগের শিক্ষক

বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের সঙ্গে তুলনা
বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারে আরবি প্রভাষক পদে নিয়োগের জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে আরবিতে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রিই যথেষ্ট। সেখানে দাখিল বা আলিম পাসের কোনো শর্ত নেই। সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজে আরবি শিক্ষক হতে শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রিই যথেষ্ট। অথচ একই বিষয়ের শিক্ষক মাদ্রাসায় নিয়োগের জন্য কেন বাড়তি শর্ত? এটি নীতিগত সিদ্ধান্তের মধ্যে অসামঞ্জস্য বহন করে বলেও মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

শিক্ষক মহলের প্রতিক্রিয়া: 'আমাদের ছাত্ররা অযোগ্য হলে পরীক্ষায় প্রমাণ করুক'
এনটিআরসিএর এই বৈষম্যমূলক নীতিমালার প্রতিবাদে এখন সরব হয়েছেন দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঢাবি, রাবি, চবি, ইবি সহ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের শিক্ষকেরা। তাঁরা বলছেন, তাঁদের বিভাগ থেকে শিক্ষাগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা বিশ্বমানের জ্ঞানসম্পন্ন এবং তাঁরা আরবি শিক্ষকতার জন্য সম্পূর্ণ যোগ্য।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের চেয়ারম্যান ডক্টর মো: জাহিদুল ইসলাম তাঁর প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘আমাদের বিভাগে যে সকল ছাত্র-ছাত্রী দাখিল পাসের পর এইচএসসি সম্পন্ন করে ভর্তি হয়েছে, অতঃপর আমাদের তত্ত্বাবধানে আরবিতে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পূর্ণ করেছে; তারা অবশ্যই আরবি প্রভাষক পদে যোগ্য। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে আমরা তাদেরকে আরবি ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রতিটি শাখায় যথাযথভাবে দক্ষ করে গড়ে তুলি। এনটিআরসি কর্তৃপক্ষ আমাদের ছাত্রদের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ করছে, যা একাডেমিক শুদ্ধাচারের পরিপন্থী।’

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের অধ্যাপক ড. সালেকুজ্জামান খান বলেন, ‘আমরা আমাদের ছাত্রদের বিশ্বমানের জ্ঞানসম্পন্ন হিসেবে গড়ে তুলি। আরবি ভাষা, সাহিত্য, ব্যাকরণ, অলংকারশাস্ত্র, ফিকহ, হাদিস, তাফসিরসহ প্রতিটি বিষয়ে তারা গভীর ও পরিপূর্ণ জ্ঞান অর্জন করে। তাঁরা শিক্ষাদানের ক্ষেত্রে যেকোনো সেক্টরেই নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ রাখতে সক্ষম। এনটিআরসি কর্তৃপক্ষ আরবি বিভাগের ছাত্রদের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ করছে—এটি নীতিগতভাবে যেমন অন্যায়, বাস্তবতার বিচারেও তেমনই অগ্রহণযোগ্য ও দুঃখজনক।’

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ও আরবি বিভাগের অধ্যাপক ডক্টর ইফতেখারুল আলম মাসুদ স্পষ্ট ভাষায় তাঁর বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, ‘২০২৬ সালের নীতিমালায় দাখিল ও আলিম বাধ্যতামূলক করার যে শর্ত আরোপ করা হয়েছে, তা কোনোভাবেই যুক্তিসংগত নয়। আমাদের ছাত্র-ছাত্রীরা তাঁদের কঠোর পরিশ্রম ও যোগ্যতার মাধ্যমে আরবিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পূর্ণ করেছে। তাঁরা যদি সত্যিই আরবি শিক্ষকতা করার অযোগ্য হন, তাহলে সেটা তাঁদেরকে নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দিয়ে প্রমাণ করা হোক। পরীক্ষায় বসার সুযোগই না দিয়ে তাঁদেরকে অযোগ্য ঘোষণা করা চরম অন্যায় ও অগ্রহণযোগ্য।’

তিনি আরও বলেন, ‘পূর্বঘোষণা ছাড়া হঠাৎ করে নীতিমালা পরিবর্তন করে হাজারো মেধাবী শিক্ষার্থীর ক্যারিয়ার ঝুঁকির মুখে ফেলা হয়েছে। দীর্ঘ ১৭ বছরের পড়াশোনা, নিরলস অধ্যবসায় ও ভবিষ্যৎ স্বপ্নকে এক মুহূর্তে নস্যাৎ করে দেওয়ার এই সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই মানবিক ও ন্যায়সংগত হতে পারে না। আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি, এই বৈষম্যমূলক শর্ত অবিলম্বে বাতিল করে একটি ন্যায্য সমাধান নিশ্চিত করা হোক।’

শিক্ষার্থীদের দাবি
এনটিআরসিএর এই নীতিমালার প্রতিবাদে ইতোমধ্যে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের শিক্ষার্থীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের পক্ষ থেকে কয়েকটি দাবি জানানো হয়েছে—

১. সহকারী মৌলভী ও আরবি প্রভাষক পদে দাখিল ও আলিম বাধ্যতামূলকের শর্ত বাতিল করতে হবে।

২. যাঁরা ইতোমধ্যে অনার্স-মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন বা বর্তমানে অধ্যয়নরত, তাঁদের জন্য ন্যায্য সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। পূর্বের ন্যায় আরবিতে অনার্স-মাস্টার্স ডিগ্রিকেই পূর্ণাঙ্গ যোগ্যতা হিসেবে গণ্য করতে হবে।

৩. যদি নতুন শর্ত আরোপ করতেই হয়, তাহলে ২০২৬ সালের পর যারা দাখিলে ভর্তি হবে, তাঁদের জন্য এই শর্ত প্রযোজ্য করা হোক। আগের শিক্ষার্থীদের জন্য এটি প্রযোজ্য না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

৪. ন্যূনতম তিন-চার বছর সময় দিয়ে ধাপে ধাপে এই শর্ত চালু করা যেত। পূর্বঘোষণা ছাড়া হঠাৎ নীতিমালা পরিবর্তন করে হাজারো শিক্ষার্থীর ক্যারিয়ার ঝুঁকির মুখে ফেলা হয়েছে।

শিক্ষার্থীরা বলছেন, আমরা কোনো অযৌক্তিক দাবি করছি না। শুধু চাই, আমাদের শিক্ষা ও শ্রমের যথাযথ মূল্যায়ন হোক। আমরা যে বিষয়ে পড়াশোনা করেছি, সেই বিষয়েই শিক্ষকতা করার সুযোগ যেন পাই। আমাদের ভবিষ্যৎ যেন নীতিমালার গলগন্ডে হারিয়ে না যায়।

নীতিনির্ধারকদের প্রতি অনুরোধ, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে শিক্ষক মহলের বক্তব্যকে মূল্যায়ন করে একটি ন্যায্য ও যুক্তিসংগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হোক।

লেখক: মোঃ ফেরদৌস আলম, আরবি বিভাগ, রাবি। ই-মেইল: rifatferdusalam@gmail.com

সভা ডাকল এনটিআরসিএ
  • ১১ মার্চ ২০২৬
সকল বাস টার্মিনালে সার্বক্ষণিক ভিজিলেন্স টিম কাজ করবে: শিমু…
  • ১১ মার্চ ২০২৬
সাভারে নারীকে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় বিএনপি নেতাকে ছুরিকা…
  • ১১ মার্চ ২০২৬
ডেঙ্গু থেকে রক্ষা পেতে দেশবাসীর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও …
  • ১১ মার্চ ২০২৬
স্কুলের সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল নিয়ে যা বললেন গণশিক্…
  • ১১ মার্চ ২০২৬
আপ বাংলাদেশ ভেঙে নতুন রাজনৈতিক দলের ঘোষণা আসছে শনিবার
  • ১১ মার্চ ২০২৬
×
ADMISSION
GOING ON
SPRING 2026
APPLY ONLINE
UP TO 100% SCHOLARSHIP
UNIVERSITY OF ASIA PACIFIC 🌐 www.uap.ac.bd
Last Date of Application:
22 April, 2026
📞
01789050383
01714088321
01768544208
01731681081