প্রতিস্থাপন নিয়ে যা বলছে এনটিআরসিএ

০১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৬:০৫ PM
এনটিআরসিএ

এনটিআরসিএ © ফাইল ছবি

৬ষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তিতে ভুল চাহিদায় সুপারিশপ্রাপ্তদের শিগগিরই প্রতিস্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। এ সংক্রান্ত ফাইল অনুমোদনের জন্য তোলা হয়েছে বলে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার (০১ জানুয়ারি) এনটিআরসিএর একটি সূত্র জানিয়েছে, ভুল চাহিদায় সুপারিশপ্রাপ্ত ৪৫০ এর অধিক প্রার্থী আবেদন করেছিলেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে বিষয়গুলো যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। যাচাইয়ে যারা প্রকৃত ভুক্তভোগী বলে মনে হয়েছে তাদের প্রতিস্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ সংক্রান্ত ফাইল তোলা হয়েছে।

নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে এনটিআরসিএর এক কর্মকর্তা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘আজ বৃহস্পতিবার প্রতিস্থাপনের ফাইল তোলা হয়েছে। ফাইল চূড়ান্ত অনুমোদন মিলবে সপ্তম গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের অনুমোদনের পর। ফলে প্রতিস্থাপনের অপেক্ষায় থাকা প্রার্থীদের আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে।’

সপ্তম গণবিজ্ঞপ্তির সঙ্গে প্রতিস্থাপনের সম্পর্ক জানতে চাইলে ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘৭ম নিয়োগের জন্য সংগৃহীত শূন্য পদের মধ্য থেকেই ভুল চাহিদায় সুপারিশপ্রাপ্তদের প্রতিস্থাপন করা হবে। এজন্য মন্ত্রণালয় গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের অনুমোদন না দেওয়া পর্যন্ত প্রতিস্থাপন করা সম্ভব হবে বলে মনে হয় না।’

এর আগে এক বিজ্ঞপ্তিতে এনটিআরসিএ জানায়, ৪০১টি শূন্যপদের জন্য ভুল তথ্য দিয়েছে ২৪৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও গভর্নিং বডির সদস্যরা। ভুল চাহিদা প্রদানের কারণে জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার এনটিআরসিএ পরিচালক (শিক্ষাতত্ত্ব ও শিক্ষামান) তাসনিম জেবিন বিনতে শেখ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি চিঠি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) পাঠানো হয়েছে। 

চিঠিতে বলা হয়েছে, এনটিআরসিএ কর্তৃক ৬ষ্ঠ নিয়োগ সুপারিশের বিজ্ঞপ্তি প্রচারের পূর্বে বিভিন্ন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এন্ট্রি লেভেলের শিক্ষকের শূন্যপদের চাহিদা/অধিযাচন (ই-রিকুজিশন) অনলাইনে সংগ্রহ করা হয়। ৩নং সূত্রে উল্লিখিত পরিপত্রের ৪.০ নম্বর অনুচ্ছেদের পরিপ্রেক্ষিতে ই-রিকুজিশনে উল্লিখিত শূন্যপদের প্রাপ্যতা সর্বশেষ জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী সঠিক আছে কিনা তা মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক অধিকতর যাচাইয়ের লক্ষ্যে শূন্যপদের তালিকাসহ গত ৭ এপ্রিল চিঠি পাঠানো হয়।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক শূন্যপদের চাহিদা যাচাইকৃত তথ্য ১নং সূত্রে উল্লিখিত পত্রে নির্ধারিত সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রেরণ না করায় গত ১৬ জুন ৬ষ্ঠ নিয়োগ সুপারিশ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ এবং ২২ জুন থেকে ১০ জুলাই পর্যন্ত অনলাইনে নিবন্ধনধারী প্রার্থীদের নিকট থেকে আবেদন গ্রহণ করা হয়। 

এতে বলা হয়েছে, অনলাইনে আবেদন গ্রহণ শেষে ফলাফল প্রক্রিয়াকরণের পূর্ব মূহুর্তে গত ১৩ জুলাই সূত্রোক্ত ২নং স্মারকে মাউশি অধিদপ্তর হতে কলেজ পর্যায়ের ২৪৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৪০১টি শূন্যপদ বাতিলের জন্য পত্র প্রেরণ করা হয়। ইতোমধ্যে নিয়োগ সুপারিশ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী প্রার্থীদের আবেদনের সময়সীমা অতিবাহিত হয়ে যায় এবং অনেক প্রার্থী উল্লিখিত বাতিলকৃত শূন্যপদে তাদের পছন্দ প্রদান করেন। উপরন্ত উক্ত শূন্যপদ বাতিলের বিষয়টি মাউশি অধিদপ্তর কর্তৃক সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে অবগত করানো হয়নি। ফলে এনটিআরসিএ কর্তৃক সার্বিক নিয়োগ সুপারিশ কার্যক্রমে প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে জটিলতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়েছে,  এমন অবস্থায় ভবিষ্যতে এ ধরণের জটিলতা এড়ানোর জন্য শূন্যপদের সঠিকতা যাচাই সংক্রান্ত প্রতিবেদন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রেরণ এবং অধিদপ্তর কর্তৃক প্রেরণকৃত ২৪৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৪০১টি শূন্যপদে ভুল চাহিদা প্রদানের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান ও গভনিং বডির বিরুদ্ধে সর্বশেষ জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে।

ভেনেজুয়েলার তেল বিক্রয় ‘অনির্দিষ্টকাল’ নিয়ন্ত্রণ করবে যুক্ত…
  • ০৮ জানুয়ারি ২০২৬
হাদি-বিশ্বজিত-খালেদা জিয়া ও জুলাই শহীদদের বিজয় উৎসর্গ করলেন…
  • ০৮ জানুয়ারি ২০২৬
জকসু নির্বাচনে যে ৫ পদে হারল শিবির
  • ০৮ জানুয়ারি ২০২৬
দুপুরে ছাত্রদলের সুপার ফাইভকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা : রাতে শোকজ
  • ০৮ জানুয়ারি ২০২৬
চবির বি-২ উপ-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা আজ, আসনপ্রতি লড়বেন ১৭ শি…
  • ০৮ জানুয়ারি ২০২৬
জকসুর ২১ পদের ১৬টি শিবিরের, ছাত্রদল ৪-স্বতন্ত্র ১
  • ০৮ জানুয়ারি ২০২৬