দেশে নিষিদ্ধ হচ্ছে যে মাছ

২৩ জুলাই ২০২২, ১২:৫৮ PM
সাকার ফিস

সাকার ফিস © সংগৃহীত

দেশের সব ধরনের জলাশয়ে ছড়িয়ে পড়েছে অ্যাকুয়ারিয়ামের শোভাবর্ধক ও আবর্জনাভুক ‘সাকার’ মাছ। দ্রুত বংশবিস্তারের মাধ্যমে দখল করছে অন্য মাছের আবাসস্থল। এটি এখন দেশি মাছের জন্যই হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ কারণে এবার মাছটি নিষিদ্ধে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে আইনগতভাবে এই মাছটি আমদানি, উৎপাদন, বিপণনে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হচ্ছে।

দক্ষিণ আমেরিকার আমাজন অববাহিকার সিলারিফর্মস বর্গের লোরিকারিডাই পরিবারের অন্তর্ভুক্ত সাকার মাছ। আমাদের দেশে ‘সাকার’, ‘প্লেকো’ এবং স্থানীয়ভাবে ‘চগবগে’ নামেও পরিচিত। মাছটি বর্তমানে উন্মুক্ত জলাশয় ও চাষের পুকুরে পাওয়া যাচ্ছে, যা উদ্বেগজনক। 

মৎস্য সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০০১ বা ২০০২ সালের দিকে ইউরোপের এক কূটনীতিক মেয়াদ শেষে চলে যাওয়ার আগে ঢাকার গুলশান লেকে কয়েকটি সাকার মাছ ছেড়ে দেন। এরপর সেখান থেকেই দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে এটি। বাংলাদেশে প্রাপ্ত সাকার ফিশ ১৬ থেকে ১৮ ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা হয়। এটি পানি ছাড়াই প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত বাঁচতে পারে। মৎস্য আইন ২০১১ অনুযায়ী বাংলাদেশে দেশীয় প্রজাতির মাছের ক্ষতি করে এমন যে কোনো বিদেশি মাছ আমদানি ও চাষ দণ্ডনীয় অপরাধ।

আরও পড়ুন: দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার সাবেক শিক্ষামন্ত্রী পার্থ

জেলেরা জানান, বুড়িগঙ্গাসহ দেশের কিছু নদ-নদীতে জাল ফেললে দেশীয় মাছের চেয়ে সাকার মাছই বেশি উঠছে। এসব মাছ পেলে মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়। অন্যথায় এসব মাছ আবার অন্য মাছের ডিম খেয়ে ফেলে। দেশীয় মাছ ধ্বংস করে। দ্রুত এ সমস্যা সমাধান না হলে সাকার মাছের সংখ্যা আরও বাড়বে।

মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খন্দকার মাহবুবুল হক জানান, সাকার ফিস অফিসিয়ালি বাংলাদেশে আসেনি। কোনো না কোনোভাবে এটি বাংলাদেশে আসছে। এটা নিষিদ্ধের জন্যও গেজেট হচ্ছে। সেটার যে প্রক্রিয়া লাগে সেটি আমরা করছি। আমাদের আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং হবে। এরপর এটি জিও হিসেবে জারি হবে। শিগগির এটির গেজেট প্রকাশ হবে।

২০০৮ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি পিরানহা ও ২০১৪ সালের ১০ জুন আফ্রিকান মাগুর আমদানি, উৎপাদন, বিপণন নিষিদ্ধ করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের গেজেট প্রকাশিত হয়। কিন্তু এরপরও পিরানহা মাছ রূপচাঁদা নামে এবং ছোট আকারের আফ্রিকান মাগুর বিক্রি করা হচ্ছে দেশি মাগুর বলে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে নানান সময়ে বিপুল পরিমাণের আফ্রিকান মাগুর এবং পিরানহা মাছ উদ্ধার করা হয়েছে। শাস্তির মুখোমুখি হতে হয়েছে সংশ্লিষ্টদের। এবার নিষিদ্ধ হচ্ছে সাকার ফিশ।

ট্যাগ: মাছ
শেরপুরের ঘটনার রেশ ধরে ঢাবিতে বিএনপির শীর্ষ নেতার নামে স্লো…
  • ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কর্ণফুলীতে শতাধিক বিএনপি নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান
  • ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মিরসরাইয়ে এক সপ্তাহে ৭ স্থানে আগুন, রাত জেগে গ্রাম পাহারা
  • ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
দুই প্রভাষক নিয়োগ দেবে ঢাবির মৎস্যবিজ্ঞান বিভাগ, আবেদন শেষ …
  • ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বিএনপি ছেড়ে জামায়াতে যোগ দিলেন বিএনপির এক ব্যবসায়ী
  • ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
১১ দলীয় জোট বিজয়ী হলে এনআইডি কার্ডেই সকল সেবা নিশ্চিত হবে: …
  • ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬