শিশুটির হাতের হাড় ভেঙে গেছে © সংগৃহীত
ময়মনসিংহের ত্রিশালে দুর্ঘটনার সময় অন্তঃসত্ত্বা নারীর পেট ফেঁটে রাস্তায় জন্ম নেওয়া শিশুটির ডান হাতের হাড় ভেঙে গেছে। তার হাতে প্লাস্টার করা হয়েছে।
শনিবার (১৬ জুলাই) রাতে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান শিশুটির চাচা সাগর মিয়া।
নবজাতকের বাবার বন্ধু মো. শাহজাহান জানান, বিকেলে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর সেখানে ভিড় দেখে তারা নবজাতককে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে কমিউনিটি বেজড হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে চিকিৎসকের পরামর্শে হাতের প্লাস্টার করানোর জন্য নগরের বেসরকারি লাবিব প্রাইভেট হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে আবার কমিউনিটি বেজড হাসপাতালে নিয়ে আসেন। এরপর হাতে প্লাস্টার করিয়ে আবার তাকে লাবিব প্রাইভেট হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়েছে।
কমিউনিটি বেজড হাসপাতালের চিকিৎসক জান্নাতুল শিলা বলেন, শিশুটির ডান হাতের হাড় ভেঙে গেছে, সেখানে প্লাস্টার করা হয়েছে। তাছাড়া আর কোনো সমস্যা নেই।
এর আগে শনিবার দুপুরে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর আলট্রাসনোগ্রাফি করাতে বাড়ি থেকে ত্রিশাল এসেছিলেন জাহাঙ্গীর। রাস্তা পারাপারের সময় ময়মনসিংহ গামী একটি ট্রাক তাদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই স্বামী, স্ত্রী ও সন্তান মারা যায়। কিন্তু অলৌকিকভাবে বেঁচে গেছে গর্ভে থাকা সাত মাস বয়সী নবজাতক। সড়ক দুর্ঘটনার সময় অন্তঃসত্ত্বা নারীর পেট ফেটে সাত মাসের নবজাতক বেরিয়ে যায়।
ত্রিশাল থানার ওসি মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন জানান, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক পারাপারের সময় দ্রুতগামী মালবাহী ময়মনসিংহগামী ঢাকা মেট্রো-ট-২০-৩৫৮০ ট্রাকটি একই পরিবারের তিনজনকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তারা নিহত হয়। তবে ভূমিষ্ঠ নবজাতক শিশুটিকে উদ্ধার করে মমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।