যে বেশি শিক্ষিত, তার বেকার থাকার সম্ভাবনাও বেশি: রুমিন ফারহানা

২৯ মার্চ ২০২২, ০১:৪৭ PM
সংসদ অধিবেশন ও রুমিন ফারহানা

সংসদ অধিবেশন ও রুমিন ফারহানা © সংগৃহীত

সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, যে যত বেশি শিক্ষিত, তার বেকার থাকার সম্ভাবনাও তত বেশি। সবচেয়ে বেশি বেকার স্নাতক ডিগ্রিধারীরা।

মঙ্গলবার (২৯ মার্চ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় পিরোজপুর বিলের ওপর আলোচনায় এসব কথা বলেন তিনি। এর আগে, জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বিলটি উপস্থাপন করেন।

রুমিন ফারহানা বলেন, বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান বিআইডিএস’র গবেষণায় বলা হয়েছে, স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রি সম্পন্ন করে চাকরি পান মাত্র ২১ শতাংশ। ৭ শতাংশ শিক্ষার্থী এখনও অন্য কোনও বিষয়ে স্নাতকোত্তর বা কারিগরি শিক্ষা গ্রহণ করছেন বা কিংবা প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। ৩ শতাংশ শিক্ষার্থী স্ব-উদ্যোগে কিছু করার চেষ্টা করছেন।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ শ্রমশক্তি জরিপের বরাতে সংরক্ষিত নারী আসনের এ সদস্য বলেন, দেশের শিক্ষিত মানুষের মধ্যে বেকারের হার বেশি। ৪৭ শতাংশ মানুষই বেকার থাকছে। আরেকটা বিষয় এখানে গুরুত্বপূর্ণ স্পিকার আমাদের দেশে চাকরিরত মানুষের মধ্যে বড় একটা অংশ আন্ডার এমপ্লয়েড। অর্থাৎ তারা তাদের যোগ্যতার তুলনায় নিচু পদে ও কম পারিশ্রমিকে কাজ করছে।

তিনি বলেন, দেশের শিক্ষিত তরুণরা বিসিএস’র দিকে ছুটছে। অথচ সবশেষে বিসিএস’র পরীক্ষায় যখন পৌনে পাঁচ লাখ প্রার্থী অংশগ্রহণ করছেন, তখন শূন্যপদের সংখ্যা দুই হাজার একশটি। সরকারি চাকরি লোভনীয় কোনো সন্দেহ নেই।

তিনি বলেন, চাকরিতে নিশ্চয়তা আছে, ভালো বেতন ও অবসরের পরে পেনশনের ব্যবস্থা আছে। চাইলে আছে অবৈধভাবে অকল্পনীয় উপার্জনের রাস্তা। আছে ক্ষমতার দো-দণ্ড প্রতাপ। কিন্তু দেড়-দুই দশক আগেও বিসিএস নিয়ে এমন উন্মাদনা ছিল না। কারণ নিশ্চিতভাবে শিক্ষিত তরুণদের জন্য ভালো চাকরির সুযোগ এখনকার তুলনায় অনেক বেশি ছিল।

আরও পড়ুন : প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এ আর রহমানের সাক্ষাৎ

জাতীয় সংসদে বিএনপি’র এই নেত্রী বলেন, গণতন্ত্র ও বাজার অর্থনীতিতে বিশ্বাসী ৩৮টি দেশের সংগঠন অর্গানাইজেশন ফর ইকোনোমিক কো-কর্পোরেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট’র মতে, এসব দেশ শুধু উন্নয়নশীল দেশই নয়, জাতিসংঘের মানব উন্নয়ন সূচকেও অত্যন্ত উচ্চস্তরের অধিকারী।

এই নেত্রী আরও বলেন, তাদের শিক্ষা ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশজুড়ে আছে সরাসরি কর্মমুখী শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ। ভোকেশনাল অ্যাডুকেশন অ্যান্ড ট্রেনিং। এসব দেশে মাধ্যমিক পর্যায় থেকে যুক্ত হয় প্রায় এক তৃতীয়াংশ শিক্ষার্থী। মাধ্যমিক স্তরে যুক্ত না হলে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে গিয়ে ৪২ শতাংশ শিক্ষার্থী ভোকেশনাল অ্যান্ড ট্রেনিংয়ে যুক্ত হয়। এ ধরনের শিক্ষায় যুক্ত হওয়ার হার বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মাত্র ১২ শতাংশ। শিক্ষা ব্যবস্থা কেমন হবে সেটার যথেষ্ট নজির আছে বিশ্বব্যাপী। কিন্তু সেদিকে না হেঁটে আমাদের সরকার হাঁটছে উল্টো দিকে।

কক্সবাজারে প্যারাসেইলিং দুর্ঘটনায় হত্যা মামলার প্রধান আসামি…
  • ০৭ আগস্ট ২০২৬
ডাকসুর উদ্যোগে ঢাবিতে ৬ শতাধিক শিক্ষার্থী নিয়ে মাসব্যাপী ‘…
  • ০৭ আগস্ট ২০২৬
ফেনী সীমান্তে ৫৭ কেজি গাঁজাসহ ভারতীয় পণ্য জব্দ
  • ০৭ আগস্ট ২০২৬
গণমাধ্যম শক্তিশালী হলেই গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে: স্থানীয় সরক…
  • ০৭ আগস্ট ২০২৬
‘বর্ষা বিপ্লবের গান’ কনসার্টে গায়ক হাসানকে লক্ষ্য করে বোতল …
  • ০৭ আগস্ট ২০২৬
দেশে ফিরে আইনের পথেই হাঁটুক শেখ হাসিনা: আইনমন্ত্রী
  • ০৭ আগস্ট ২০২৬