সাঁতার শিখতে বিদেশ যাবেন ১৬ কর্মকর্তা! ব্যয় ৫০ লাখ

২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০২:২৬ PM
সাঁতার

সাঁতার © সংগৃহীত

সাঁতার শিখতে ২টি দলে বিদেশ যাবেন ১৬ কর্মকর্তা। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় একটি প্রকল্পের আওতায় এক্ষেত্রে ব্যয় ধরা হয়েছে ৫০ লাখ টাকা। এদিকে সাঁতার শিখতে কেন বিদেশ যেতে হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে সচেতন মহলে।

দেশে পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যুহার কমাতে শিশুদের সাঁতার শেখাতে ২৭১ কোটি ৮৩ লাখ টাকা ব্যয়ে এ প্রকল্প হাতে নিয়েছে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়। প্রকল্পটি মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন পেয়েছে।

প্রতিবছর দেশে প্রায় ১৯ হাজার ২৪৭ জন মানুষ পানিতে ডুবে মারা যায়, যার মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশই শিশু। এই সমীক্ষায় আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশের ৫ বছরের কম বয়সি শিশুরা সবচেয়ে বড় ঝুঁকির মধ্যে আছে। এই মৃত্যুর ঘটনাগুলো ঘটে সাধারণত বাড়ির ২০ মিটারের মধ্যে অবাঞ্ছিত জলাধারে এবং দিনের প্রথমভাগে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পরিকল্পনা কমিশনের আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো বিভাগের সদস্য (সচিব) নাসিমা বেগম বলেন, শুধু সাঁতার শিখতে নয়, বাচ্চাদের সুরক্ষা, বিকাশ এবং বাচ্চাদের ছোটবেলাটা কীভাবে সুন্দর করে কাটানো যায়, এর জন্য প্রশিক্ষণের দরকার আছে। তারা মূলত শিশুদের বাবা-মা যখন ঘরের বাইরে কাজে ব্যস্ত থাকেন সে সময়টা সন্তানদের কীভাবে ডে-কেয়ারে রেখে সুন্দর লাইফ দেওয়া যায় সেটাই দেখতে যাবেন।

আরও পড়ুন: কাতার বিশ্বকাপে থাকবে বাংলাদেশ!

তিনি বলেন, দুইটি টিমে ৮ জন করে ১৬ জন কর্মকর্তা বিদেশ যাবেন। এর জন্য ব্যয় হবে ৩০ লাখ টাকা। আর বাকি টাকা রাখা হয়েছে পরবর্তী সময়ে বিদেশে কোনো সেমিনার হলে সেখানে পাঠানোর জন্য। এদিকে প্রকল্পটির আওতায় ৯৮০ কর্মকর্তা দেশেই সাঁতার শেখার প্রশিক্ষণ নেবেন, যেখানে ব্যয় হবে ১১ কোটি ৪ লাখ টাকা। একেকজনের বিদেশ ভ্রমণে খরচ পড়বে ১ লাখ ১২ হাজার টাকা।

এ বিষয়ে নাসিমা বেগম বলেন, এখানে শুধু ৯৮০ জন কর্মকর্তাই নন, আরও অনেককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এখানে বেশি ব্যয় রাখা হয়নি। প্রকল্পের মেয়াদ সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য, দিনের সর্বোচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ সময়ে ৫ বছরের নিচের বয়সি শিশুদের বিকাশ উপযোগী সেবা প্রদান, ১-৫ বছর বয়সি শিশুর জন্য কেন্দ্রভিত্তিক সমন্বিত ইসিসিডি সেবা প্রদান যাতে শিশুর শারীরিক, সামাজিক, আবেগিক, ভাষাগত এবং জ্ঞানবুদ্ধির বিকাশ নিশ্চিত হয়, ৬-১০ বছর বয়সি শিশুদের নিরাপদ সাঁতার শেখানোর মাধ্যমে তাদের পানিতে ডুবে যাওয়া থেকে সুরক্ষা প্রদান, জাতীয় পর্যায় থেকে শুরু করে গ্রাম পর্যায়ে ইসিসিডি বিষয়ে কর্মরত বিভিন্ন সংস্থার সামর্থ্য বৃদ্ধি যাতে সংস্থাগুলো শিশুদের নিরাপত্তা এবং বিকাশে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

প্রকল্প গ্রহণের যৌক্তিকতা হিসেবে বলা হয়েছে, অপর্যাপ্ত সমন্বিত প্রারম্ভিক শিশুযত্নের ব্যবস্থা এবং অন্যান্য সুরক্ষা ও নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে বাংলাদেশের অনেক শিশুই গুরুত্বপূর্ণ পাঁচ বছর বয়স পর্যন্ত এই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়, এমনকি অনেক ক্ষেত্রে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে থাকে। এই বয়সি শিশুমৃত্যুর বিভিন্ন কারণের মধ্যে অন্যতম কারণ পানিতে ডুবে মৃত্যু। তাই এ প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে।

স্কুলের নামফলক থেকে বাদ গেল প্রতিষ্ঠাতা ভাসানীর নাম
  • ০৭ আগস্ট ২০২৬
জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রে চাকরি হারিয়েছেন ২৩ হাজার চাকরিজীবী 
  • ০৭ আগস্ট ২০২৬
ধরা পড়ে যা বললেন প্রবাসী প্রেমিককে মেয়েদের ছবি পাঠানো সেই ই…
  • ০৭ আগস্ট ২০২৬
কবি নজরুল কলেজে ৪ কোটি ৬৯ লাখ টাকার বাজেট, বেতন-ভাতায় সর্বো…
  • ০৭ আগস্ট ২০২৬
ইনফান্তিনোর পদত্যাগ চাইল নরওয়ে 
  • ০৭ আগস্ট ২০২৬
টিনের চালে আটকে থাকা বল আনতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মাদ্রাসাছ…
  • ০৭ আগস্ট ২০২৬