ইউএনএফপিএ’র প্রতিবেদন

প্রাথমিকে ৯৫ আর মাধ্যমিকে ৬২ শতাংশ মেয়ে শিশু বিদ্যালয়ে যায়

২২ এপ্রিল ২০২১, ১১:১৬ AM
প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি © সংগৃহিত

বাংলাদেশে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাওয়ার উপযুক্ত বয়সী মেয়ে শিশুদের ৯৫ শতাংশ আর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে যাওয়ার উপযুক্ত বয়সীদের মধ্যে ৬২ শতাংশ বিদ্যালয়ে যায়।

জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (ইউএনএফপিএ) তাদের নিয়মিত বার্ষিক প্রকাশনা ‘বিশ্ব জনসংখ্যা পরিস্থিতি ২০২১’ এ বাংলাদেশের নারীশিক্ষা ও অধিকার বিষয়েে এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাওয়ার উপযুক্ত বয়সী শিশুদের ৯৫ শতাংশ বিদ্যালয়ে যায়। আর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে যাওয়ার উপযুক্ত বয়সীদের মধ্যে এই হার ৬২ শতাংশ। তবে ১৮ বছর বয়স পূর্ণ হওয়ার আগে ৫৯ শতাংশ কিশোরীর বিয়ে হয়ে যায়। আর স্বামীর হাতে নির্যাতনের শিকার হন ২৯ শতাংশ নারী।

এখানে আরো বলা হয়, পুরুষের তুলনায় মাত্র ৭৫ শতাংশ আইনি সুবিধা ভোগ করেন বিশ্বের নারীরা। বিশ্বের কোনো দেশ সামগ্রিকভাবে নারী-পুরুষের সমতা নিশ্চিত করতে পারেনি। সমতা নিশ্চিত হলে নারী ও মেয়েদের প্রতি সহিংস ঘটনা ঘটত না, বেতন বৈষম্য হতো না, নেতৃত্বে বৈষম্য দেখা যেত না, শারীরিক স্বাধীনতায় ঘাটতি থাকত না।

এতে বলা হয়, বাংলাদেশে পুরুষের তুলনায় নারীদের প্রত্যাশিত গড় আয়ু চার বছর বেশি। দেশে নারীদের প্রত্যাশিত গড় আয়ু ৭৫ বছর। আর পুরুষের গড় আয়ু ৭১ বছর।

দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের চেয়ে গড় আয়ুতে এগিয়ে রয়েছে মালদ্বীপ ও শ্রীলংকা। মালদ্বীপে পুরুষের ৭৮ ও নারীর ৮১ এবং শ্রীলংকায় পুরুষের ৭৪ ও নারীর ৮১ বছর প্রত্যাশিত গড় আয়ু। এছাড়া ভুটানে পুরুষদের গড় আয়ু বাংলাদেশের পুরুষদের তুলনায় এক বছর বেশি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশের বর্তমান জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৬৩ লাখ। বছরে জনসংখ্যা বাড়ার হার ১ দশমিক ১ শতাংশ। একজন বিবাহিত নারী প্রজনন বয়সে (১৫ থেকে ৪৯ বছর) গড়ে দুটি সন্তানের জন্ম দিচ্ছেন।

এছাড়া বাংলাদেশের বর্তমান জনসংখ্যার মধ্যে ১৪ বছরের নীচে রয়েছে ২৬ দশমিক তিন শতাংশ মানুষ। ১০ থেকে ১৯ বছরের মধ্যে ১৮ দশমিক তিন, ১০ থেকে ২৪ বছরের মধ্যে ২৭ দশমিক পাঁচ এবং ১৫ থেকে ৬৪ বছরের মধ্যে রয়েছেন ৬৮ দশমিক চার শতাংশ মানুষ। ৬৫ বা তার বেশি বয়সের মানুষ রয়েছেন পাঁচ দশমিক তিন শতাংশ।

বিশ্বের কোনো দেশ সামগ্রিকভাবে নারী-পুরুষের সমতা নিশ্চিত করতে পারেনি জানিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, অনেক দেশে সাংবিধানিক নিশ্চয়তা থাকার পরও পুরুষ যত আইনি অধিকার ভোগ করেন, তার ৭৫ শতাংশ ভোগ করতে পারেন নারী। ফলে, সহিংস ঘটনা, বেতন বৈষম্য, নেতৃত্বে বৈষম্য এবং শারীরিক স্বাধীনতায় ঘাটতি থেকেই যাচ্ছে।

সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরে আগুন
  • ০৬ এপ্রিল ২০২৬
ওরশ থেকে ফেরার পথে কাভার্ড ভ্যানের পেছনে বাসের ধাক্কা, আহত …
  • ০৬ এপ্রিল ২০২৬
ঝুঁকিপূর্ণভাবে জ্বালানি তেল মজুদ, ব্যবসায়ীকে জরিমানা
  • ০৬ এপ্রিল ২০২৬
চট্টগ্রামে জুলাই যোদ্ধার ওপর হামলার অভিযোগ
  • ০৫ এপ্রিল ২০২৬
ছাত্রদলে মেধাবী ও রানিং শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে চায় কবি নজর…
  • ০৫ এপ্রিল ২০২৬
এনএসইউতে এসএইচএসএস গ্র্যাজুয়েট কলোকিয়াম অনুষ্ঠিত
  • ০৫ এপ্রিল ২০২৬