হঠাৎ বাসে আগুন দেওয়ার উদ্দেশ্য কি?— সংসদে প্রধানমন্ত্রী

১৬ নভেম্বর ২০২০, ০৮:৩৫ AM
সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা © ফাইল ফটো

রাজধানীতে হঠাৎ করেই বাসে আগুন দেওয়ার উদ্দেশ্য কী, সে প্রশ্ন তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রবিবার জাতীয় সংসদে তিনি বলেন, ‘কোনো কথা নেই বার্তা নেই, হঠাৎ করে বাসে আগুন দিয়ে অগ্নি-সন্ত্রাস কেন? কী স্বার্থে? কিসের জন্য?’

কোনো রাজনৈতিক দলের নাম উল্লেখ না করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘নির্বাচন হয়। নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার নামে অংশগ্রহণ করে। টাকাপয়সা যা পায়, পকেটে নিয়ে রেখে দেয়। ইলেকশনের দিন ইলেকশনও করে না। এজেন্টও দেয় না। কিছুই করে না। মাঝপথে ইলেকশন বয়কটের নাম দিয়ে বাসে আগুন দিয়ে পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চায়। এটার উদ্দেশ্যটা কী?’

মুজিব বর্ষ উপলক্ষে সংসদের বিশেষ অধিবেশনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আনা সাধারণ প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। পরে প্রস্তাবটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে সংসদের ইতিহাসে এই প্রথম বিশেষ অধিবেশন হলো।

গতকাল রাতে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের পর সংসদের অধিবেশন কক্ষে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ (১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর সংসদে দেওয়া বঙ্গবন্ধুর বক্তব্য) শোনানো হয়। সাধারণ প্রস্তাব আনার আগে গত সোমবার বিশেষ অধিবেশনের শুরুতে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে স্মারক বক্তৃতা দিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। রবিবার বিশেষ অধিবেশনের সমাপনী দিনে সংসদের ‘প্রেসিডেন্ট বক্সে’ বসে আলোচনা শোনেন তিনি।

এর আগে ৯ নভেম্বর সংসদে বঙ্গবন্ধুকে শ্রদ্ধা জানাতে প্রস্তাব এনেছিলেন সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রস্তাবের ওপর সরকার ও বিরোধী দলের মোট ৭৯ জন সদস্য ১৯ ঘণ্টা ৩ মিনিট বক্তব্য দেন। তাঁরা বঙ্গবন্ধুর বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক এবং কর্মময় জীবন ও দর্শন নিয়ে আলোচনা করেন।

গতকাল সমাপনী ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ (বাকশাল) গঠনের প্রেক্ষাপট এবং এ বিষয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন নিয়ে আলোচনা করেন। তাঁর বক্তৃতায় উঠে আসে সমসাময়িক ঘটনাও।

সরকারপ্রধান শেখ হাসিনা বলেন, করোনা মোকাবিলা করেও মানুষ এগিয়ে যাচ্ছে, জীবনযাত্রা ও অর্থনীতি যাতে সচল থাকে, সে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যখন যেটা প্রয়োজন, সরকার তা করছে। করোনার মধ্যেই এল ঘূর্ণিঝড়, বন্যা। এরই মধ্যে হঠাৎ করে বাসে আগুন দিয়ে অগ্নি-সন্ত্রাস।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগের মাধ্যমে একটি ব্যবস্থা দাঁড় করাতে চেয়েছিলেন। সেখানেও নির্বাচনের ব্যবস্থা রেখেছিলেন। কিশোরগঞ্জ ও পটুয়াখালীতে ভোট হয়েছিল। কিশোরগঞ্জে একজন স্কুলশিক্ষক বিজয়ী হয়েছিলেন। জনগণের আস্থা ছিল তাঁর ওপর, এ কারণেই তিনি জিতেছিলেন। কিন্তু বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর নির্বাচন নিয়ে বারবার কথা উঠেছে। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর যারা ক্ষমতায় এসেছিল, তারা প্রহসন করে করে নির্বাচন পদ্ধতি নষ্ট করে দিয়ে গেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি একটি সিস্টেমে নিয়ে আসতে।’

বহিষ্কার হলেন নওগাঁ জেলা বিএপি নেতা 
  • ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানের ম্যাচ বয়কট: বড় ধরনের আর্থিক ক্…
  • ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
শেখ হাসিনা-টিউলিপের প্লট দুর্নীতির দুই মামলার রায় আজ
  • ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ঢাকার বাতাস আজ খুবই অস্বাস্থ্যকর, বিশ্বে অবস্থান দ্বিতীয়
  • ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
‘খালেদা জিয়া পরিষদ’ নাম দিয়ে বাড়ি দখল চেষ্টা, অতঃপর… 
  • ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
পাকিস্তানের ভারত ম্যাচ বয়কট; প্রতিক্রিয়া জানাল জয় শাহের আই…
  • ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬