শরিফা ইয়াসমিন সৌমা © সংগৃহীত
মাত্রাতিরিক্ত ইঞ্জেকশন নেওয়ার কারণেই ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ছাত্রী শরিফা ইয়াসমিন সৌমার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তবে কেন বা কী কারণে এই ঘটনা ঘটেছে, তা এখনো জানা যায়নি। বিষয়টি নয়ে মুখ খুলছেন না শরীফার সহপাঠীরাও। বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে বলেন, এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাই না।
মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) দুপুরে ছাত্রী হোস্টেলের ৩১১ নম্বর কক্ষ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
সৌমা এমবিবিএস তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। খুলনার খালিশপুরের তায়েদুর রহমান ও ফাতেমা আক্তার দম্পতির মেয়ে তিনি। তবে মৃত শরীফা ইয়াসমিন সৌমা সুসাইডনোটে কী লিখেছেন, তা এখনো জানা যায়নি। বর্তমানে তার মৃতদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন এসআই মো. শফিক উদ্দিন।
ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মো. শিবিরুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে সৌমা শরীরে ইনজেকশন প্রয়োগ করে আত্মহত্যা করেছেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি সিরিঞ্জ ও ৪-৫ পৃষ্ঠার একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে, যেখানে তিনি মানসিক চাপ ও নানা কষ্টের কথা উল্লেখ করেছেন।
সহপাঠীরা জানিয়েছেন, পড়াশোনা ও ব্যক্তিগত জীবনসহ নানা কারণে সৌমা দীর্ঘদিন ধরে মানসিক চাপে ভুগছিলেন। তবে মৃত্যুর কারণ নিয়ে মুখ খোলেননি কেউ।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ময়মনসিংহ সদর সার্কেল) সোহরোয়ার্দী হোসেন বলেন, সৌমার কক্ষে আরও একজন ছাত্রী থাকেন। সকালে তিনি ক্লাসে যাওয়ার সময় সৌমাকে ঘুমিয়ে থাকতে দেখেন। পরে পুলিশ দরজা স্বাভাবিকভাবে বন্ধ অবস্থায় পায়।
মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মেয়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে বাবা-মা ময়মনসিংহের পথে রয়েছেন। তারা পৌঁছালে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।