এবার এস আলমের সম্পদ নিলামে তুলছে জনতা ব্যাংক

০৫ নভেম্বর ২০২৪, ১২:০৩ PM , আপডেট: ২০ জুলাই ২০২৫, ১২:০১ PM
সাইফুল আলম

সাইফুল আলম © সংগৃহীত

এস আলম গ্রুপের কাছ থেকে ১ হাজার ৮৫০ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ আদায়ের জন্য গ্রুপটির জামানত নিলামে তুলতে যাচ্ছে রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংক। ব্যাংক লুটেরা গ্রুপের অন্যতম সহযোগী প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল ট্রেডিং করপোরেশন লিমিটেডের জামানত সম্পত্তি নিলাম করার ঘোষণা দিয়েছে ব্যাংকটি।

এর মাধ্যমে প্রথমবারের মতো একটি ব্যাংক গ্রুপটির একটি কোম্পানির বন্ধক রাখা সম্পদ নিলামে ওঠানোর পদক্ষেপ নিল।

শেখ হাসিনার ১৫ বছরের শাসনামলে এস আলম গ্রুপ বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ঋণের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে পাচার করে দিয়েছে; যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে।

এ বিষয়ে গভর্নর আহসান এইচ মনসুর গণমাধ্যমকে বলেছেন, অন্তত ১০ বিলিয়ন ডলারের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক থেকে লুট করেছে এস আলম।

গত ১ নভেম্বর জনতা ব্যাংক পত্রিকায় নিলামসংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। ওই বিজ্ঞপ্তিতে আগামী ২০ নভেম্বর নিলামের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ইসিকে জনপ্রশাসনের জরুরি ৯ নির্দেশনা

ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ তথ্য অনুযায়ী, এ ঋণের বিপরীতে বন্ধক রাখা হয়েছে চট্টগ্রাম ও গাজীপুরে এস আলম গ্রুপের ১ হাজার ৮৬০ শতাংশ জমি, যার বাজারমূল্য সর্বোচ্চ ৩৫৮ কোটি টাকা। এ দাম পাওনা টাকার চেয়ে প্রায় পাঁচ গুণ কম। এ সম্পত্তি বিক্রি করে খেলাপি ঋণ পুরোপুরি আদায় করা সম্ভব নয়। বকেয়া বাকি টাকা আদায়ে আরও আইনি পদক্ষেপের প্রয়োজন হতে পারে। অর্থঋণ আদালত আইনের ১২(৩) ধারা অনুযায়ী ব্যাংক মামলা করার আগেই জামানতের সম্পত্তি বিক্রি করে টাকা আদায় সম্ভব।

বাংলাদেশের কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেলের (সিএজি) ২০২১ সালের এক নিরীক্ষা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্লোবাল ট্রেডিং করপোরেশন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশিকা না মেনে ঋণসীমা অতিক্রম করে অতিরিক্ত ঋণ নিয়েছে।

এস আলম গ্রুপের ওয়েবসাইট অনুসারে, ২০১২ সালে প্রতিষ্ঠিত গ্লোবাল ট্রেডিং করপোরেশন শিল্প কাঁচামাল, বাণিজ্যিক পণ্য ও নির্মাণসামগ্রীর ব্যবসায় জড়িত ছিল।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১২ সালে সাধারণ বীমা ভবনে অবস্থিত জনতা ব্যাংকের চট্টগ্রাম করপোরেট শাখা থেকে গ্লোবাল ট্রেডিং করপোরেশন প্রাথমিকভাবে ৬৫০ কোটি টাকা ঋণ নেয়। এ ঋণ ২০২১ সাল পর্যন্ত সুদে-আসলে মোট ১ হাজার ৭০ কোটি ৬৫ লাখ টাকায় পৌঁছেছে। এর মধ্যে ৬১৭ দশমিক ৪৭ কোটি টাকা পিএডি (পেমেন্ট এগেইনস্ট ডকুমেন্ট), ২২৩ দশমিক ১৮ কোটি টাকা এলটিআর (ট্রাস্ট রিসিপ্ট) ঋণ এবং ২২৯ দশমিক ৯৯ কোটি টাকা সিসি হাইপো ঋণ। সুদাসল মিলিয়ে ঋণের পরিমাণ ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে ১ হাজার ৮৫০ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে।

ট্যাগ: ব্যাংক
যে কারণে খুলনায় রাতে একা চলাচলে পুলিশ সদস্যদের নিষেধাজ্ঞা
  • ১১ অক্টোবর ২০২৬
বিছানায় শুয়েও দু’চোখে ঘুম নেই, মেনে চলুন এই নিয়মগুলো
  • ১১ অক্টোবর ২০২৬
জোড়া গরু জবাই করে জাবি ভিসি, প্রো-ভিসি ও কোষাধ্যক্ষকে সংবর্…
  • ১১ অক্টোবর ২০২৬
বেরিয়ে আসলো তাজমিনের কক্সবাজার যাওয়ার কারণ , যাওয়ার পর তার …
  • ১০ অক্টোবর ২০২৬
ধর্ম অবমাননার অভিযোগে রুয়েটের আইএপি সদস্য বহিষ্কার
  • ১০ অক্টোবর ২০২৬
দানবীর ড. সৈয়দ রাগীব আলীকে সংবর্ধনা দিল লিডিং ইউনিভার্সিটি
  • ১০ অক্টোবর ২০২৬