জানাজা শেষে অভিশ্রুতি শাস্ত্রী ওরফে বৃষ্টি খাতুনকে গ্রামের বাড়িতে দাফন

১১ মার্চ ২০২৪, ১০:১৪ PM , আপডেট: ০৯ আগস্ট ২০২৫, ১০:৩৭ AM

© সংগৃহীত

রাজধানীর বেইলি রোডের অগ্নিকাণ্ডে মারা যাওয়া সাংবাদিক ও ইডেন কলেজছাত্রী অভিশ্রুতি শাস্ত্রী ওরফে বৃষ্টি খাতুনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার (১১ মার্চ) রাত ১০টার দিকে কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার বেতবাড়ীয়া ইউনিয়নের গ্রামের বাড়িতে তাকে জানাজা শেষে দাফন করা হয়।

এর আগে গ্রামের বাড়িতে মরদেহ পৌঁছানোর পর কান্নায় ভেঙে পড়েন স্বজনরা। এ সময় বৃষ্টির বাবা-মা বারবার মূর্ছা যাচ্ছিলেন। 

এদিকে, তার মরদেহ ১১ দিন পর সোমবার বিকেল তিনটার দিকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে সিআইডি। এর আগে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে তার মরদেহ শনাক্ত করা হয়। বাবা সবুজ শেখ ওরফে শাবলুল আলম এবং মা বিউটি খাতুনের দেওয়া ডিএনএ নমুনার সঙ্গে মিলেছে বৃষ্টির ডিএনএ। 

গত ২৯ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজ ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মারা যান বৃষ্টি খাতুন। বৃষ্টি তার বন্ধু ও সহকর্মীদের কাছে অভিশ্রুতি নামে পরিচিত ছিলেন। তিনি মূলত মুসলিম পরিবারের সন্তান। কিন্তু অভিশ্রুতি নামে নিজেকে পরিচয় দেওয়ার কারণে তার মরদেহ হস্তান্তর নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়।

মৃত্যুর পর রমনা মন্দিরের পুরোহিত বৃষ্টিকে সনাতন ধর্মাবলম্বী এবং সবুজ শেখ ও বিউটি খাতুন নিজের সন্তান বলে দাবি করেন। ধর্ম পরিচয় নিয়ে চারদিকে শুরু হয় নানা আলোচনা সমালোচনা। মরদেহ হস্তান্তর আটকে দেওয়া হয়। মরদেহ শনাক্তে নেওয়া হয় ডিএনএ নমুনা। নমুনা নেওয়ার ১১ দিন পর বৃষ্টির ডিএনএর সঙ্গে তার বাবা-মায়ের ডিএনএ মিলেছে।

বৃষ্টির গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার বেতবাড়ীয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বনগ্রাম গ্রামের প‌শ্চিমপাড়ায়। কলেজের সার্টিফিকেট, জন্মনিবন্ধন ও জাতীয় পরিচয়পত্রে অভিশ্রুতি শাস্ত্রীর নাম বৃষ্টি খাতুন।

কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপনের বিরুদ্ধে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ
  • ০৪ আগস্ট ২০২৬
ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিকে বয়কটের ঘোষণা তিতুমীর কলেজের …
  • ০৪ আগস্ট ২০২৬
ঢাবির সলিমুল্লাহ হলসংলগ্ন ফুটপাত থেকে নারীর লাশ উদ্ধার
  • ০৪ আগস্ট ২০২৬
তহশিলদারের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ
  • ০৪ আগস্ট ২০২৬
সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩১ পরিবারকে ১ কোটি ১৯ লাখ টাকা অন…
  • ০৪ আগস্ট ২০২৬
জকসু ভিপি ও জিএসকে মেরে ক্যাম্পাসছাড়া করল ছাত্রদল
  • ০৪ আগস্ট ২০২৬