১০ দিন পর অভিশ্রুতির মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর

১১ মার্চ ২০২৪, ০৪:৩৯ PM , আপডেট: ০৯ আগস্ট ২০২৫, ১০:৩৮ AM
অভিশ্রুতি শাস্ত্রী ওরফে বৃষ্টি খাতুন

অভিশ্রুতি শাস্ত্রী ওরফে বৃষ্টি খাতুন © ফাইল ছবি

রাজধানীর বেইলি রোডের অগ্নিকাণ্ডে মারা যাওয়া সাংবাদিক ও ইডেন কলেজছাত্রী অভিশ্রুতি শাস্ত্রী ওরফে বৃষ্টি খাতুনের মরদেহ ১০ দিন পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে সিআইডি।

সোমবার (১১ মার্চ) বিকেল তিনটার দিকে বৃষ্টি খাতুনের বাবা সবুজ শেখের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করে সিআইডি। এর আগে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে তার মরদেহ শনাক্ত করা হয়। 

রবিবার (১০ মার্চ) বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ডিআইজি একেএম নাহিদুল ইসলাম জানান, বাবা সবুজ শেখ ওরফে শাবলুল আলম এবং মা বিউটি খাতুনের দেওয়া ডিএনএ নমুনার সঙ্গে মিলেছে বৃষ্টির ডিএনএ। অর্থাৎ অভিশ্রুতিই আসলে বৃষ্টি খাতুন।

সিআইডি ঢাকা মেট্রোর অ্যাডিশনাল ডিআইজি মো. জাহাঙ্গীর আলম মাতুব্বর বলেন, আপনারা জানেন গত ২৯ ফেব্রুয়ারি বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সেখানে একজনের মরদেহের দুইজন দাবিদার পাওয়া যায়। কালী মন্দিরের একজন দাবি করেন অভিশ্রুতি শাস্ত্রী সেখানে যাতায়াত করতেন এবং তার বাবা দাবি করেন সে বৃষ্টি খাতুন। পরে আদালতের নির্দেশে তার মরদেহের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয় এবং তার বাবা-মায়ের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরে তার ডিএনএ বাবা-মায়ের সঙ্গে মিলে যায় এবং জাতীয় পরিচয়পত্র ও সার্টিফিকেটের সঙ্গে মিলে যায়। রমনা কালী মন্দিরের পক্ষ থেকেও লিখিতভাবে তাদের দাবি নেই বলে পুলিশকে জানানো হয়। যেহেতু অভিশ্রুতি শাস্ত্রী ওরফে বৃষ্টি খাতুনের ডিএনএ স্যাম্পল তার বাবা-মায়ের সঙ্গে মিলে যায় তাই আজ তার বাবার কাছে তার মরদেহ হস্তান্তর করা হলো।

বৃষ্টির বাবা সবুজ শেখ জানান, আমি আমার মেয়ের লাশ ফিরে পেয়েছি। কারা আমার মেয়ের লাশ নিয়ে ষড়যন্ত্র করলো আমি জানি না। আমি আমার মেয়ের লাশ কুষ্টিয়া জেলার খোকসা থানার বনগ্রামে নিয়ে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করব।

গত ২৯ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজ ভবনে অগ্নিকাণ্ডে মারা যান বৃষ্টি খাতুন। বৃষ্টি তার বন্ধু ও সহকর্মীদের কাছে অভিশ্রুতি নামে পরিচিত ছিলেন। তিনি মূলত মুসলিম পরিবারের সন্তান। কিন্তু অভিশ্রুতি নামে নিজেকে পরিচয় দেওয়ার কারণে তার মরদেহ হস্তান্তর নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়। 

মৃত্যুর পর রমনা মন্দিরের পুরোহিত বৃষ্টিকে সনাতন ধর্মাবলম্বী এবং সবুজ শেখ ও বিউটি খাতুন নিজের সন্তান বলে দাবি করেন। ধর্ম পরিচয় নিয়ে চারদিকে শুরু হয় নানা আলোচনা সমালোচনা। মরদেহ হস্তান্তর আটকে দেওয়া হয়। মরদেহ শনাক্তে নেওয়া হয় ডিএনএ নমুনা। নমুনা নেওয়ার ১১ দিন পর বৃষ্টির ডিএনএর সঙ্গে তার বাবা-মায়ের ডিএনএ মিলেছে।

বৃষ্টির গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার বেতবাড়ীয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বনগ্রাম গ্রামের প‌শ্চিমপাড়ায়। কলেজের সার্টিফিকেট, জন্মনিবন্ধন ও জাতীয় পরিচয়পত্রে অভিশ্রুতি শাস্ত্রীর নাম বৃষ্টি খাতুন।

বগুড়ায় পূর্বশত্রুতার জেরে যুবককে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ
  • ২১ অক্টোবর ২০২৬
মিউচুয়াল ট্রান্সফার দাবি প্রাথমিকের নতুন শিক্ষকদের, যা বললে…
  • ২১ অক্টোবর ২০২৬
যুব উন্নয়নের প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় এবার গ্রেপ্তার বিএআরসির কর্…
  • ২১ অক্টোবর ২০২৬
শিক্ষক সংকটে ব্যাহত পাঠদান, পিছিয়ে পড়ছে গলাচিপার চরাঞ্চলের …
  • ২১ অক্টোবর ২০২৬
বরিশালে গ্রাম পুলিশ সদস্যরা পেলেন বাইসাইকেল ও পোশাক
  • ২১ অক্টোবর ২০২৬
ইবিতে নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে আহত নির্মাণশ্রমিক
  • ২১ অক্টোবর ২০২৬