শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক © ফাইল ছবি
প্রশিক্ষিত ও দক্ষ শিক্ষকের অভাব রয়েছে। এর কারণে মানসম্মত শিক্ষাদান নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। অল্প সংখ্যক শিক্ষক শিক্ষার্থীর সামর্থ্য ও প্রয়োজন অনুযায়ী পাঠদান করছেন।
সম্প্রতি এক গবেষণা প্রতিবেদনে এমন চিত্র উঠে এসেছে। ‘টিচার ইফেক্টিভনেস’ শীর্ষক এ গবেষণা শিক্ষাবিদ অধ্যক্ষ ড. শিবানন্দ সিএস পরিচালিত করেন।
কিন্ডারগার্টেন থেকে শুরু করে ১২তম গ্রেডের শিক্ষকদের নিয়ে এই গবেষণা প্রকল্পটি পরিচালিত করা হয়। ২০২০ সালের নভেম্বরে শুরু হওয়া এই গবেষণার জন্য প্রায় ২,৫০০ ক্লাসের (লেসন) তথ্য পর্যালোচনা করা হয়।
এ গবেষণা প্রকাশ করা হয় দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউনে অনুষ্ঠিত ব্রিটিশ কাউন্সিলের ‘স্কুলস নাও ২০২৪’ সম্মেলনে। গবেষণায় বলা হয়, শিক্ষকদের মানোন্নয়নে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ফিডব্যাক নিয়ে কাজ করতে পারে। ফিডব্যাক দেওয়ার জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান লেসনভিত্তিক মানদণ্ড নির্ধারণ করতে পারে।
গবেষণায় উঠে আসে, খুব কম শিক্ষক কাস্টমাইজড শিক্ষক-শেখানো পদ্ধতিতে অভ্যস্ত, যার ফলে প্রতিটি শিক্ষার্থীর নিজস্ব প্রয়োজন গুরুত্ব পায় না এবং শিক্ষার্থীর বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়। এই সমস্যার সমাধানে ‘লার্নিং ডিফারেন্সিয়েশন’পদ্ধতির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন ড. শিবানন্দ। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো শিক্ষকদের উন্নয়নে মূল্যায়নের বিভিন্ন মানদণ্ড নির্ধারণ করে কাস্টমাইজড প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে পারে।