নয়াপল্টনেই মহাসমাবেশ করার ঘোষণা গয়েশ্বর–রিজভীর

২৫ অক্টোবর ২০২৩, ০৮:৩৮ PM , আপডেট: ১৪ আগস্ট ২০২৫, ০২:৫৭ PM
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও রুহুল কবির রিজভী

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও রুহুল কবির রিজভী © ফাইল ছবি

আগামী ২৮ অক্টোবর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনেই বিএনপির মহাসমাবেশ হবে বলে জানিয়েছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। বুধবার নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

একই ধরনের কথা জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি বলেছেন, সোজা কথা, আমরা সমাবেশ করব। যেখানে (নয়াপল্টনে) বসার কথা সেখানে আমরা না বসলে সারা ঢাকার অলি-গলিতে ছড়িয়ে পড়ব। যার যা আছে তা নিয়ে। দেখবেন প্রত্যেক মানুষ ঘরের দরজা খুলে দিয়ে রাস্তায় নেমে আসবে। এখন টের পাচ্ছে না, তখন টের পাবে।

বুধবার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে এক দফা দাবিতে’ এক আলোচনা সভায় আগামী ২৮ অক্টোবর মহাসমাবেশ প্রসঙ্গে তিনি এসব কথা বলেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, শনিবার ঢাকায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে মহাসমাবেশের সব প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন। এটাই উপযুক্ত জায়গা। এখানে আমরা একাধিকবার শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করেছি। এই মহাসমাবেশ হবে নজিরবিহীন, ঐতিহাসিক। সারা দেশের গণতন্ত্রহারা বঞ্চিত মানুষ ঢাকার দিকে ছুটে আসার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়েছে। যদিও সরকারি জুলুম—নির্যাতন, দমন—পীড়নের কোনো কমতি নেই। অব্যাহত গণগ্রেফতারের মধ্যেও দীপ্ত অঙ্গীকারে তারা ঢাকার দিকে ছুটে আসছে।

মহাসমাবেশ নিয়ে পুলিশ কর্মকর্তাদের বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করে রিজভী বলেন, মহানগর পুলিশের কর্মকর্তারা বলছেন— যেখানেই অনুমতি দেওয়া হবে সেখানেই বিএনপিকে সমাবেশ করতে হবে। পুলিশ কর্মকর্তাদের এ রকমের বক্তব্যে এটাই প্রমাণিত হয় যে, বাংলাদেশের জনগণ এখন পরাধীন। বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলের কর্মকাণ্ড, মত প্রকাশ- সবকিছুই এখন পুলিশের ছাড়পত্রের ওপর নির্ভর করবে!

তিনি বলেন, বিএনপিসহ বিরোধী দলের প্রতি প্রধানমন্ত্রী ও পুলিশের ক্রোধ একই রকমভাবে প্রকাশ পাচ্ছে। তারা মনে করেন আওয়ামী লীগ ছাড়া আর সরকারবিরোধী রাজনৈতিক দল দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক। পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আক্ষরিক অর্থেই লাঠিয়াল বাহিনী হিসেবে কাজ করছে। সরকারের মন্ত্রীদের সুরে সুর মিলিয়ে পুলিশ কর্মকর্তাদের হুমকির মাত্রা তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে। আওয়ামী মন্ত্রী ও নেতাদের হুমকি, নির্মূলের হুমকি, হেফাজতকে দমনের মতো করে বিএনপির সমাবেশ নিয়ে হুমকি এক উপসংহারহীন পরিণতির সৃষ্টিরই ইঙ্গিত করা হচ্ছে।

গয়েশ্বর বলেন, আমরা প্রত্যেকটা কর্মসূচি গণতান্ত্রিকভাবে করছি। গণতান্ত্রিকভাবেই করব। আর পুলিশ প্রশাসনের লোক কিছু বাড়তি বাড়তি কথাবার্তা বলেন। পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বলব, রাজনৈতিক বিতর্ক রাজনীতিবিদদের মধ্যে থাকতে দিন। রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যে আপনারা জড়াবেন না। দয়া করে জড়াবেন না।

পুলিশ প্রশাসনের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমরা কোথায় সমাবেশ করব, করতে পারব না- আপনারা রাজনৈতিক বিবেচনায় যদি কোনো সিদ্ধান্ত নেন, সেই সিদ্ধান্ত আমরা যে মানতে বাধ্য তা তো না। আমরা জানি সব রাজনৈতিক দল সমাবেশ করার সময় স্থানীয় থানায় ইনফরমেশন দেয়। তাদের দায়িত্ব আছে জননিরাপত্তা এবং যারা মিটিং করে তাদের নিরাপত্তা দেওয়া।

বিএনপির একাধিক নেতার বক্তব্যে ধর্মবিদ্বেষী মনোভাবের পুনরাবৃ…
  • ১২ জানুয়ারি ২০২৬
চিন্তাশীল নাগরিক ছাড়া কোনো সমাজ এগোতে পারে না: শিক্ষা উপদেষ…
  • ১২ জানুয়ারি ২০২৬
স্কলারশিপে স্নাতক করুন ফ্রান্সে, আবাসনসহ থাকছে যেসব সুবিধা
  • ১২ জানুয়ারি ২০২৬
মোসাব্বির হত্যা: ৩ আসামি রিমান্ডে, একজনের দোষ স্বীকার
  • ১২ জানুয়ারি ২০২৬
আমার ছাত্রদল যদি রাজনীতি না করতে পারে, তাইলে এই মেডিকেল কলে…
  • ১২ জানুয়ারি ২০২৬
ফের পেছাল ব্রাকসু নির্বাচন
  • ১২ জানুয়ারি ২০২৬
X
UPTO
100%
MERIT BASED
SCHOLARSHIP
ADMISSION OPEN FOR
SPRING 2026
Application Deadline Wednesday, 21 January, 2026
Apply Now

Programs Offered

  • BBA
  • Economics
  • Agriculture
  • English
  • CSE
  • EEE
  • Civil
  • Mechanical
  • Tourism & Hospitality
01810030041-9