রাজনীতির প্রতি তরুণদের অসন্তোষ বাড়ছে: পিটার হাস

১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১১:৪১ PM , আপডেট: ১৭ আগস্ট ২০২৫, ০১:৫৯ PM
পিটার হাস

পিটার হাস © ফাইল ফটো

তরুণদের ভাষ্য তুলে ধরে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস বলেছেন, বাংলাদেশের তরুণদের রাজনীতির প্রতি অসন্তোষ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে। এর পেছনের কারণের মধ্যে রয়েছে—বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক সহিংসতা, দুর্নীতি, বাক্‌স্বাধীনতায় বাধা, যে দল ক্ষমতায় থাকে তাদের একচেটিয়া ছাত্ররাজনীতি, রাজনীতিবিদ ও রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার প্রতি আস্থার অভাব এবং ভোট দিতে না পারার অক্ষমতা। 

বুধবার বিকেলে বনানীর একটি হোটেলে ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল আয়োজিত জাতীয় যুব সম্মেলনে বক্তব্যে এসব কথা বলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। এসময় তিনি গণতন্ত্রের চর্চার জন্য সোচ্চার হতে তরুণদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

পিটার হাস বলেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন তখনই সম্ভব, যখন সব ধরনের মানুষ ভূমিকা পালন করতে পারে ও ভূমিকা পালনের সুযোগ পায়। নাগরিকদের প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারা রাজনৈতিক দল ভোটে হেরে যায়।

‘যুব আলোচনা: নাগরিক প্রত্যাশা’ শিরোনামে এই সম্মেলন বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা তরুণেরা তাঁদের মতামত তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফরুল্লাহ, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান এবং জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ফখরুল ইমাম।

দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের সমাপনী পর্বে অতিথির বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত পিটার হাস বলেন, নাগরিকদের প্রত্যাশাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। এর সঙ্গে রাজনীতি ও নির্বাচন যুক্ত। রাজনৈতিক দল তাদের পরিকল্পনা নাগরিকদের কাছে তুলে ধরে এবং নাগরিকেরা সিদ্ধান্ত নেন কোন দল তাঁদের জন্য ভালো ও সে অনুযায়ী ভোট দেন। যে দল নাগরিকদের অগ্রাধিকারকে গুরুত্ব দিতে ব্যর্থ হয়, সে দল ভোটে হেরে যায়। ভোটে জেতা ও হারা—এ দুটো বিষয়ই কার্যকর গণতন্ত্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

নতুন চিন্তাভাবনা নিয়ে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে পিটার হাস বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে ছাত্ররাজনীতির ভূমিকা সবাই জানে। বাংলাদেশের ভিত্তি মজবুত করেছে ছাত্ররাজনীতি। তবে এই অনুষ্ঠানে তিনি শুনেছেন, রাজনীতিতে তরুণদের অংশগ্রহণের সংস্কৃতি কমে যাচ্ছে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক সহিংসতা হচ্ছে। দুর্নীতি, বাক্‌স্বাধীনতায় বাধা থাকায়, রাজনীতিবিদ ও রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় আস্থা হারিয়ে যাওয়ার কথা বলছেন তরুণেরা। এসব কারণে রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় অসন্তোষ বাড়ছে তরুণদের।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, আগামীর পথচলাকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন তরুণেরা। তাঁরা নতুন নতুন ধারণা নিয়ে আসবেন। তরুণদের দায়িত্ব এই পরিস্থিতিতে পরিবর্তন করা। তরুণদের কণ্ঠ ও উদ্যোগে তাঁরা যেমন বাংলাদেশ দেখতে চান, তা গড়ে উঠবে। তরুণেরা এগিয়ে এলেই পরিবর্তন আসবে। সহিংসতামুক্ত বাংলাদেশ গড়ে উঠবে। রাজনৈতিক নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে পিটার হাস বলেন, ‘রাজনৈতিক দলের ভেতরে গণতন্ত্রের চর্চার জন্য আপনারা সক্রিয় হোন। আপনারা সোচ্চার হলে দল তরুণদের দাবির প্রতি আগ্রহ দেখাতে শুরু করবে।

‘এমন দুর্নীতিগ্রস্ত প্রেসিডেন্ট আগে দেখিনি’—ট্রাম্পকে ওবামা
  • ২৬ অক্টোবর ২০২৬
সবার রেকর্ড ভেঙে দিলেন তাসকিন
  • ২৬ অক্টোবর ২০২৬
একাদশে ভর্তির শেষ সুযোগ শিক্ষার্থীদের, আবেদনের ফল প্রকাশ ৩০…
  • ২৬ অক্টোবর ২০২৬
তানজিদকে নিয়ে নিলামে কাড়াকাড়ি, ভাঙলেন শান্তর রেকর্ড
  • ২৬ অক্টোবর ২০২৬
চেয়ারম্যান-মেম্বারদের দ্বন্দ্বে এক মাস ধরে অচল ইউনিয়ন পরিষদ
  • ২৬ অক্টোবর ২০২৬
সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মধ্যে শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে জাবিপ্রবির ‘…
  • ২৬ অক্টোবর ২০২৬