হাইকোর্ট © ফাইল ফটো
গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিস-সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো আইন কর্মকর্তা বক্তব্য দিতে চাইলে অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গে পরামর্শ ও পূর্ব অনুমতি নিতে হবে।
বৃহস্পতিবার (৭ সেপ্টেম্বর) অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিনের সই করা এক নির্দেশনায় এসব কথা বলা হয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ‘এই অফিসের সকল আইন কর্মকর্তাগণকে জানানো যাচ্ছে যে, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অফিস সংক্রান্ত কোনো বিষয়ে কোনো প্রকার বক্তব্য প্রদানের পূর্বে অ্যাটর্নি জেনারেল মহোদয়ের সঙ্গে পরামর্শ ও পূর্ব অনুমতি সাপেক্ষে বক্তব্য প্রদানের জন্য নির্দেশক্রমে সবিনয় অনুরোধ করা হলো।’
প্রসঙ্গত, গত ৪ সেপ্টেম্বর ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এমরান আহম্মদ ভূঁইয়া সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ‘অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিচার কার্যক্রম সম্পর্কে খ্যাতিমান ১৬০ বিদেশির সাম্প্রতিক চিঠির প্রতিবাদে একটি বিবৃতি তৈরি করছে এবং তিনি বিবৃতিতে স্বাক্ষর প্রদানে অপারগতা প্রকাশ করেছেন।’ আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন সংবাদমাধ্যমে এ বিষয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান।
এর পর দিন জাতীয় প্রেস ক্লাবে আইনমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, এমরান আহম্মদ মিডিয়ায় ব্রিফিং করে শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছেন। তিনি অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিসে আইন কর্মকর্তা। যদি তাঁকে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে হয়, তাহলে পদত্যাগ করে বলতে হবে, অথবা কথা বলার জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলের অনুমতি নেওয়া উচিত। তিনি কোনোটাই করেননি। একই দিন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এমরান কাউকে খুশি করতে সাংবাদিকদের কাছে এসব কথা বলেছেন। তিনি আরও বলেন, ড. ইউনূসের বিচারের বিষয়ে তাঁর কার্যালয় কোনো বিবৃতি দেয়নি।