শান্তি ও নিরাপত্তায় বাংলাদেশ একটি নির্ভরযোগ্য নাম: প্রধানমন্ত্রী

২৯ মে ২০২৩, ০১:২৪ PM , আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৫, ০৩:৩০ PM
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা © সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার বৈশ্বিক প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ আজ একটি নির্ভরযোগ্য নাম। আমরা সর্বজন স্বীকৃত বিশ্বের বুকে রোল মডেল।’ বাংলাদেশ সবসময় শান্তিতে বিশ্বাস করে। শান্তির জন্য যা যা করার দরকার, বাংলাদেশ তাই করবে।

সোমবার (২৯ মে) দুপুরে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গত ৩৫ বছর ধরে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে সর্বোচ্চ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ এবং সক্রিয় অংশগ্রহণকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। এমনকি অনেক জায়গা রয়েছে যেখানে অন্যান্য দেশ শান্তিরক্ষী পাঠাতে চায়নি, সেখানেও আমরা শান্তিরক্ষী প্রেরণ করেছি। শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার বৈশ্বিক প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ আজ একটি নির্ভরযোগ্য নাম। 

তিনি বলেন, ‘আমরা সর্বজন স্বীকৃত বিশ্বের বুকে রোল মডেল। এই অর্জনের পেছনে রয়েছে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী ও বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর চৌকস ও পরিশ্রমী নিবেদিত প্রাণ সদস্যদের অবদান ও আত্মত্যাগ। আমরা জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের ৩৫ বছর উদযাপন করছি। অত্যন্ত গৌরব ও আনন্দের এই শুভক্ষণে আমি জাতিসংঘ মিশনে কর্মরত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীসহ সকল শান্তিরক্ষীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। আমরা উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে- বাংলাদেশ বিশ্বে মাথা উঁচু করে চলবে। আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছি। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছি। অবকাঠামো উন্নয়ন করে যাচ্ছি। পদ্মা সেতুর মত সেতু আমরা নিজস্ব অর্থায়নে নির্মাণ করে সারা বিশ্বকে দেখিয়েছি, জাতির পিতা বলেছিলেন ‘কেউ দাবায়ে রাখতে পারবা না’ আমাদের কেউ দাবায়ে রাখতে পারেনি।’

আরও পড়ুন: ২৬ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১৫ হাজার ৩৩০ কোটি টাকা

তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস-২০২৩’ উদযাপন উপলক্ষ্যে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাইকে আমি শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। আমি বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় জীবন উৎসর্গকারী সব শান্তিরক্ষীর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। শ্রদ্ধা জানাচ্ছি সব আহত শান্তিরক্ষীসহ বর্তমানে বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় নিয়োজিত শান্তিরক্ষীর প্রতি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কেবল বাঙালি জাতিরই নন, তিনি ছিলেন বিশ্বের নির্যাতিত, নিপীড়িত ও শোষিত মানুষের মুক্তির বার্তাবাহক ও শান্তির দূত। ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলায় প্রদত্ত তার প্রথম ভাষণে তিনি বলেছিলেন, “মানবজাতির অস্তিত্ব রক্ষার জন্য শান্তি একান্ত দরকার। এই শান্তির মধ্যে সারা বিশ্বের নর-নারীর গভীর আশা-আকাঙ্ক্ষা মূর্ত হয়ে রয়েছে। ন্যায় নীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত না হলে শান্তি কখনও স্থায়ী হতে পারে না।

মানসিক ভারসাম্যহীন যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬
মাদ্রাসার এমপিওভুক্তর উৎসব ভাতার চেক ছাড়
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬
জাবিতে স্টিকারবিহীন যানবাহন প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬
সংসদে উপস্থাপিত ‘ভুল তথ্যের’ জবাব দিলেন সদ্যবিদায়ী ৫ কমিশন…
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬
ছেলেসহ তিনজনকে কুপিয়ে ছাদ থেকে লাফ অবসরপ্রাপ্ত কনস্টেবলের, …
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬
চলমান সংকটের দায়ভার ও পরিণতি মোটেই সহজ হবে না
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬