শিগগিরই কওমি মাদ্রাসা খুলে দেয়ার আশ্বাস

২৫ আগস্ট ২০২১, ০৭:৩১ PM
শিগগিরই কওমি মাদ্রাসা খুলে দেয়ার আশ্বাস

শিগগিরই কওমি মাদ্রাসা খুলে দেয়ার আশ্বাস © ফাইল ফটো

দেশের সব ধরনের কওমি মাদ্রাসা খুলে দেওয়ার ব্যাপারে সরকারের আশ্বাস পাওয়ার কথা জানিয়েছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। কওমি মাদ্রাসার সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধি দল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে বুধবার বৈঠক করে। সেই বৈঠকে এই আশ্বাস দেওয়া হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

এদিন দুপুর ২টায় আল-হাইআতুল উলয়া চেয়ারম্যান ও বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের সভাপতি আল্লামা মাহমুদুল হাসানের নেতৃত্বে আটজনের একটি প্রতিনিধিদল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে তার সচিবালয়ের কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন। তারা সরকারের কাছে কওমি মাদ্রাসাগুলো খুলে দেওয়ার জোর দাবি জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে আল্লামা মাহমুদুল হাসান বলেন, কওমি মাদ্রাসাগুলোতে কুরআন-হাদিসভিত্তিক শিক্ষাকার্যক্রম চালানো হয় এবং কুরআন তেলাওয়াত, জিকির, দোয়া, তাহাজ্জুদ ও পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করে মহামারি ও বালা-মসিবত থেকে মুক্তির জন্য বিশেষভাবে মোনাজাত করা হয়। এর মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে জাতি করোনাসহ সবরকম বালা-মসিবত থেকে পরিত্রাণ পেতে পারে। মাদ্রাসাগুলো বন্ধ থাকায় মহান আল্লাহর দরবারে সম্মিলিত ও ব্যাপক দোয়া ও কান্নাকাটিও বন্ধ হয়ে আছে।

পড়ুন: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সর্বোচ্চ স্বাস্থ্যবিধি চায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

মাহমুদুল হাসান বলেন, প্রায় দেড় বছর হতে চলল সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। শিক্ষাকার্যক্রম বন্ধ থাকায় অনেক শিক্ষার্থীরা অহেতুক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে। পারিবারিক ও সামাজিক অবক্ষয় দেখা দিচ্ছে। এই অবস্থায় সার্বিক বিবেচনায় সারাদেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

জবাবে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে অতি দ্রুত হিফজ ও মক্তব বিভাগ খুলে দেওয়া হবে এবং পর্যায়ক্রমে সারাদেশের কওমি মাদ্রাসা ও অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালুর আশু পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

আল্লামা মাহমুদুল হাসান যেসব আলেম-উলামা, মাদ্রাসার ছাত্র ও ধর্মপ্রাণ মুসলমান জেলখানায় বন্দি আছেন তাদের দ্রুত মুক্তি দেওয়ার এবং যারা আত্মগোপনে আছেন বা হয়রানির শিকার তাদের হয়রানি বন্ধের জোর দাবি জানান।

জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আলেম-উলামাদের অনেককে জামিন দেওয়া হচ্ছে। এ সময় মাহমুদুল হাসান জামিনের প্রক্রিয়া আরও দ্রুততর করার দাবি জানান।

প্রতিনিধি দলের আল-হাইআতুল উলয়া ও বেফাকের অন্য সদস্যরা হলেন, মাওলানা নূরুল ইসলাম, আল্লামা আব্দুল কুদ্দুস, মাওলানা মাহফুজুল হক, মুফতি ফয়জুল্লাহ, মুফতি নূরুল আমীন, মুফতি মোহাম্মদ আলী এবং মাওলানা ইয়াহইয়া মাহমুদ।

গত বছর ৮ মার্চ দেশে করোনা মহামারির সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কওমি মাদ্রাসাও বন্ধ হয়ে যায়। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ নির্দেশনায় গত বছর সেপ্টেম্বরে কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়। চলতি বছরের মার্চে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হলে অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কওমি মাদ্রাসাও বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয় সরকার।

আচরণবিধি ভঙ্গ: বিএনপি মনোনীত প্রার্থীকে ১০ হাজার টাকা জরিমা…
  • ০৫ জানুয়ারি ২০২৬
জাবির হল থেকে ২১ বোতল বিদেশি মদসহ ছাত্রদল কর্মী আটক
  • ০৪ জানুয়ারি ২০২৬
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ১০ নেতাকর্মীর ছাত্রদলে যোগদান 
  • ০৪ জানুয়ারি ২০২৬
‘তারেক রহমানে বাসার সামনে থেকে আটক ব্যক্তি র‍্যাব সদস্য নয়’
  • ০৪ জানুয়ারি ২০২৬
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ব্যবসায় শিক্ষা’ ইউনিটে প্রথম হলেন যারা
  • ০৪ জানুয়ারি ২০২৬
সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে ঢাবির ‘ব্যবসায় শিক্ষা’ ইউনিটে মানবিক শা…
  • ০৪ জানুয়ারি ২০২৬