হাদি হত্যা মামলায় গ্রেফতার অস্ত্র ব্যবসায়ী তিন দিনের রিমান্ডে

১৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৩৬ PM
হাদি হত্যা মামলায় গ্রেফতার অস্ত্র ব্যবসায়ী তিন দিনের রিমান্ডে

হাদি হত্যা মামলায় গ্রেফতার অস্ত্র ব্যবসায়ী তিন দিনের রিমান্ডে © টিডিসি ফটো

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার অস্ত্র ব্যবসায়ী মো. মাজেদুল হক হেলালের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ বুধবার (১৫ এপ্রিল) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট হারুনুর রশীদ। এদিন আদালতে আসামি পক্ষের কোন আইনজীবী ছিল না।

এর আগে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্রের বিক্রেতা মো. মাজেদুল হক হেলালকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তার সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করে সিআইডি। এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল কাদির ভূঞা এই আবেদন করেন।

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, হাদি হত্যার ঘটনায় ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্র (পিস্তল) উদ্ধার করা হয়েছে নরসিংদী এলাকা থেকে। এই ঘটনায় অস্ত্র আইনে মামলা হয় নরসিংদী থানায়। উদ্ধার অস্ত্রটি এবং এ মামলার ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া কার্তুজ ও গুলির ফরেনসিক পরীক্ষায় জানা যায়, এই পিস্তল থেকেই ছোড়া হয়েছে ঘটনাস্থলে পাওয়া বুলেট।

এতে আরও বলা হয়, মাইক্রো এনালাইসিস পরীক্ষায় বের করা গেছে পিস্তলের সিরিয়াল নম্বর। তদন্তে জানা যায়, পিস্তলটি আমদানি করেন ঢাকার এম আইচ আর্মস কোং। ২০১৭ সালের ৩ ডিসেম্বর অস্ত্রটি কিনে নেয় চকবাজারের ইসলাম উদ্দিন আহমেদ অ্যান্ড সন্স। তিনি ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে চট্টগ্রামের হামিদুল হক আর্মস অ্যান্ড কোং এর কাছে বিক্রি করে দেন অস্ত্রটি। এই দোকানের মালিক আসামি মাজেদুল হক হেলাল।

এই দোকানের লাইসেন্স ছিল মাজেদুল হকের বাবা হামিদুল হকের নামে। ২০০০ সালে লাইসেন্সটি তার নামে করে নেন। লাইসেন্সটি ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নবায়ন থাকলেও পরে আর নবায়ন করেননি। লাইসেন্স নবায়ন না করেই ইসলাম উদ্দিন আহমেদ অ্যান্ড সন্স দোকান থেকে এই অস্ত্রটি কিনে নেন মাজেদুল হক। রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়, অস্ত্রটি মো. মাজেদুল হক হেলালের কাছ থেকে কীভাবে আসামিদের হাতে গেছে, তা জানতে আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। তার সাত দিনের রিমান্ড চেয়েছে সিআইডি।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ১২ ডিসেম্বর মতিঝিলে জুমার নামাজ পড়ে নির্বাচনী প্রচারণা শেষ করেন হাদি। এরপর রিকশায় চড়ে যাচ্ছিলেন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দিকে। পল্টন মডেল থানাধীন বক্স কালভার্ট এলাকায় পৌঁছালে তাকে গুলি করে পালিয়ে যায় মোটরসাইকেলে থাকা দুষ্কৃতকারীরা। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে নেওয়া হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখানে অপারেশন শেষে পাঠানো হয় এভারকেয়ার হাসপাতালে। পরবর্তী সময়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ১৫ ডিসেম্বর তাকে পাঠানো হয় সিঙ্গাপুরে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৮ ডিসেম্বর মারা যান তিনি। এ ঘটনার মামলায় তদন্ত শেষে গত ৬ জানুয়ারি সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পি, ফয়সাল করিম মাসুদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় গোয়েন্দা পুলিশ। তবে ডিবি পুলিশের দেওয়া অভিযোগপত্রে অসন্তোষ জানিয়ে গত ১৫ জানুয়ারি নারাজির আবেদন করেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের। শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করে অধিকতর তদন্তের জন্য নির্দেশ দেন সিআইডিকে।

শিক্ষকদের সিকিউরিটি-মর্যাদা-সচ্ছলতার একটাই রাস্তা জাতীয়করণ
  • ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রথমবারের মতো ট্রান্সপোর্ট পার্টনার পেল বিসিবি
  • ১৫ অক্টোবর ২০২৬
সরকারি হচ্ছে রাজধানীর এক কলেজ
  • ১৫ অক্টোবর ২০২৬
পূজার ছুটিতে যবিপ্রবির বিশেষ পরিবহন সেবা, উচ্ছ্বসিত শিক্ষার…
  • ১৫ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকায় বসছে ৪ জাতি নারী হ্যান্ডবল টুর্নামেন্ট
  • ১৫ অক্টোবর ২০২৬
নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • ১৫ অক্টোবর ২০২৬