প্রতীকী ছবি © সংগৃহীত
আগামী বছরের পবিত্র রমজান, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করেছে কাজাখস্তান। দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কাজইনফর্ম নিউজ এজেন্সির এক প্রতিবেদনে সম্প্রতি এ তথ্য জানানো হয়েছে। ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, ৮ ফেব্রুয়ারি পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে পারে। মাসব্যাপী সিয়াম সাধনা শেষে ৯ মার্চ ঈদুল ফিতর এবং ১৬ থেকে ১৮ মে পর্যন্ত ঈদুল আজহা পালনের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রতিবেদন বলা হয়েছে, ২০২৭ সালের ৫ মার্চ দিবাগত রাতে পবিত্র লাইলাতুল কদর বা শবে কদর পালিত হবে। আর ঈদুল আজহার আগের দিন ১৫ মে পালিত হবে আরাফাতের দিন।
ক্যালেন্ডারে হিজরি সনের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় দিবসের সম্ভাব্য তারিখও উল্লেখ করা হয়েছে। সূচি অনুযায়ী, ৪ থেকে ৫ জানুয়ারি দিবাগত রাতে শবে মেরাজ এবং ২২ থেকে ২৩ জানুয়ারি দিবাগত রাতে শবে বরাত পালিত হবে। এ ছাড়া ১৫ জুন আশুরা এবং ১৪ থেকে ১৫ আগস্ট মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্মবার্ষিকী ঈদে মিলাদুন্নবী পালনের তারিখ উল্লেখ করা হয়েছে। একই ক্যালেন্ডারে ২৪ থেকে ২৫ ডিসেম্বর শবে মেরাজের আরেকটি তারিখও দেওয়া হয়েছে।
কাজাখস্তানের মুসলিম ধর্মীয় প্রশাসন জানিয়েছে, নতুন চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ধর্মীয় উৎসব ও দিবসগুলোর নির্ধারিত তারিখ এক দিন আগে-পরে হতে পারে। ফলে ঘোষিত তারিখগুলো সম্ভাব্য সূচি হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।
অন্যদিকে, জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাবের ভিত্তিতে ১৪৪৮ হিজরি সনের পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইভিত্তিক ইংরেজি দৈনিক গালফ নিউজ। সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে পারে। তবে চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করেই রমজান শুরুর চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণ করা হবে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৭ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি (রবিবার) সন্ধ্যায় পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখার চেষ্টা করা হবে। ওই দিন চাঁদ দেখা গেলে সন্ধ্যায় প্রথম তারাবিহর নামাজ আদায় করা হবে। এরপর রাতে সেহরি খেয়ে পরদিন সোমবার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে রোজা রাখা শুরু করবেন মুসলিমরা।
গালফ নিউজের প্রতিবেদনে জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাবের ভিত্তিতে ২০২৭ সালের ১০ মার্চ (বুধবার) ঈদুল ফিতর উদযাপনের সম্ভাব্য তারিখও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ঈদের চূড়ান্ত তারিখ চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করবে।
উল্লেখ্য, ২০২৬ সালে পবিত্র রমজান মাস ১৯ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে ১৯ মার্চ পর্যন্ত স্থায়ী হয়েছিল। ওই বছর ২০ মার্চ ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়।