ইতিহাস, স্থাপত্য ও ঐতিহ্যে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য ঈদগাহ

২০ মার্চ ২০২৬, ০৪:১৬ PM
 বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য ঈদগাহ

বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য ঈদগাহ © টিডিসি সম্পাদিত

ঈদ মুসলিম বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব। রমজানের এক মাসের সংযম ও সাধনার পর ঈদুল ফিতর এবং কোরবানি ও আত্মত্যাগের স্মৃতি নিয়ে ঈদুল আজহা। এই দুই উৎসব মুসলমানদের ধর্মীয় ও সামাজিক জীবনে এক অনন্য আনন্দবার্তা নিয়ে আসে। কিন্তু ঈদের আনন্দ কেবল নতুন পোশাক, আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে সাক্ষাৎ বা খাদ্য উৎসবেই সীমাবদ্ধ নয়; এর সূচনা ঘটে এক মহিমান্বিত সামাজিক ও ধর্মীয় সমাবেশের মধ্য দিয়ে ঈদের জামাতের মাধ্যমে। আর এই জামাতের ঐতিহ্যবাহী স্থানই হলো ‘ঈদগাহ’।

‘ঈদগাহ’ শব্দটি মূলত খোলা আকাশের নিচে বিশাল মাঠ বা প্রাঙ্গণকে বোঝায়, যেখানে মুসলমানরা একত্রিত হয়ে ঈদের নামাজ আদায় করেন। ইসলামী ঐতিহ্যে ঈদের নামাজ মসজিদে আদায় করা বৈধ হলেও, খোলা মাঠে বা ঈদগাহে জামাতের মাধ্যমে নামাজ আদায়ের মধ্যে বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। কারণ এতে বৃহত্তর সমাজের মানুষ একত্রিত হয়ে ভ্রাতৃত্ব, সমতা ও ঐক্যের বন্ধনে আবদ্ধ হন। এই কারণে উপমহাদেশসহ বিশ্বের বহু মুসলিম সমাজে ঈদগাহ একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিবেচিত।

বাংলাদেশেও শতাব্দীজুড়ে বহু ঐতিহাসিক ও ঐতিহ্যবাহী ঈদগাহ গড়ে উঠেছে। কোনোটি মুঘল আমলের স্থাপত্য ঐতিহ্যের স্মারক, কোনোটি সুফি সাধকদের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত, আবার কোনোটি আধুনিক সময়ের বৃহৎ সামাজিক সমাবেশের কেন্দ্র। এসব ঈদগাহ শুধু ধর্মীয় আচার পালনের স্থান নয়, বরং ইতিহাস, সংস্কৃতি ও সামাজিক সংহতির প্রতীকও বটে। বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে থাকা কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ঈদগাহের ইতিহাস ও বৈশিষ্ট্য নিয়ে এই নিবন্ধ।

জাতীয় ঈদগাহ: রাজধানীর কেন্দ্রস্থলে জাতীয় ঐক্যের প্রতীক

ঢাকার হাইকোর্ট প্রাঙ্গণের পাশে অবস্থিত জাতীয় ঈদগাহ বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঈদগাহগুলোর একটি। স্বাধীনতার পর ধীরে ধীরে এর বিকাশ ঘটে। এক সময় এই জায়গাটি ছিল ঝোপঝাড় ও একটি পুকুরে ঘেরা এলাকা। আশপাশে একটি মাজার থাকায় এখানে ওরস অনুষ্ঠিত হতো এবং সেই সূত্রেই এলাকাটি মানুষের কাছে পরিচিত হয়ে ওঠে। পরে সেখানে সামিয়ানা টাঙিয়ে ছোট পরিসরে ঈদের নামাজ আয়োজন শুরু হয়। ১৯৮৫ সালে পুকুরটি ভরাট করে বড় আকারের মাঠ তৈরি করা হয় এবং ১৯৮৭-৮৮ সালের দিকে সরকার এটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় ঈদগাহ হিসেবে ঘোষণা করে। বর্তমানে এটি বাংলাদেশ হাইকোর্টের তত্ত্বাবধানে থাকলেও এর ব্যবস্থাপনায় ভূমিকা রাখে গণপূর্ত বিভাগ এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। বিশাল এই প্রাঙ্গণে একসঙ্গে প্রায় এক লাখ মুসল্লি ঈদের নামাজ আদায় করতে পারেন। ঈদের দিন রাষ্ট্রপতি, প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রী, কূটনীতিকসহ সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ এখানে সমবেত হন। জাতীয় ঈদগাহ তাই শুধু একটি ধর্মীয় স্থান নয়, বরং জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত।

ধানমন্ডির মুঘল ঈদগাহ: চারশ বছরের ইতিহাস

বাংলাদেশের প্রাচীনতম ঈদগাহগুলোর মধ্যে অন্যতম ঢাকার ধানমন্ডি এলাকার মুঘল ঈদগাহ। সপ্তদশ শতাব্দীতে মুঘল শাসনামলে এটি নির্মিত হয়। ইতিহাস থেকে জানা যায়, ১৬৪০ সালে বাংলার সুবেদার শাহ সুজার আমলে তাঁর দেওয়ান মীর আবুল কাসেম এই ঈদগাহ নির্মাণ করেন।

প্রথমদিকে এটি ছিল মূলত মুঘল প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও অভিজাতদের জন্য নির্ধারিত। সাধারণ মানুষ সেখানে অংশ নিতে পারতেন না। তবে উনিশ শতকের শেষ দিকে শহরের সাধারণ মুসলমানরাও এখানে ঈদের নামাজে অংশ নিতে শুরু করেন এবং ঈদের সময় সেখানে মেলার আয়োজনও হতো। স্থাপত্যের দিক থেকে এটি মুঘল শিল্পরীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন।

ধানমন্ডির মুঘল ঈদগাহ

পোড়ামাটির ইট দিয়ে নির্মিত এই ঈদগাহ মাটি থেকে প্রায় চার ফুট উঁচু একটি প্ল্যাটফর্মের ওপর তৈরি। পশ্চিম প্রাচীরে রয়েছে প্রধান মেহরাব এবং দুই পাশে ছোট মেহরাব। চার কোণে অষ্টভুজাকার বুরুজও রয়েছে। বর্তমানে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এটিকে সংরক্ষিত পুরাকীর্তি হিসেবে রক্ষণাবেক্ষণ করছে।

শোলাকিয়া ঈদগাহ: উপমহাদেশের বৃহত্তম ঈদের সমাবেশ

উপমহাদেশের বিখ্যাত শোলাকিয়া ঈদগাহটি নির্মাণ করেছিলেন সুফি সৈয়দ আহমেদ। ইসলামের ঐশী বাণী প্রচারের জন্য সুদূর ইয়েমেন থেকে আগত সুফি সৈয়দ আহমেদ তার নিজস্ব তালুকে ১৮২৮ সালে নরসুন্দা নদীর তীরে ঈদের জামাতের আয়োজন করেন। ঐতিহাসিক বর্ণনা অনুযায়ী, সেই প্রথম জামাতে প্রায় সোয়া লাখ মুসল্লি অংশ নেন। সেই থেকেই মাঠটির নাম হয়ে যায় ‘সোয়া লাখি মাঠ’, যা পরে উচ্চারণ পরিবর্তনে ‘শোলাকিয়া’ নামে পরিচিতি পায়। বর্তমানে এই ঈদগাহ মাঠের আয়তন প্রায় সাত একর। মাঠের ভেতরেই প্রায় এক লাখ ত্রিশ হাজার মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারেন। তবে ঈদের দিন আশপাশের রাস্তা ও খোলা জায়গা মিলিয়ে প্রায় তিন লাখ মানুষের সমাগম ঘটে। ঈদের নামাজ শুরুর আগে ঐতিহ্যগতভাবে শর্টগানের ফাঁকা গুলির শব্দে জামাতের প্রস্তুতির সংকেত দেওয়া হয়। যা শোলাকিয়ার একটি অনন্য বৈশিষ্ট্য।

গোর-এ-শহীদ ঈদগাহ, দিনাজপুর: আকারে দেশের বৃহত্তম

দিনাজপুরের গোর-এ-শহীদ বড় ময়দানের ঈদগাহ বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ঈদগাহ হিসেবে পরিচিত। প্রায় সাড়ে ১৪ একর জমির ওপর নির্মিত এই ঈদগাহ মুঘল স্থাপত্যরীতিতে তৈরি। ২০১৫ সালে এর নির্মাণকাজ শুরু হয় এবং কয়েক বছরের মধ্যে এটি দেশের অন্যতম বৃহৎ ঈদের জামাতের কেন্দ্র হয়ে ওঠে। ঈদগাহটির প্রধান মেহরাবের উচ্চতা প্রায় ৫৫ ফুট এবং এতে রয়েছে ৫২টি গম্বুজ ও দুটি সুউচ্চ মিনার। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের মতে, এখানে একসঙ্গে প্রায় সাত লাখ বা তারও বেশি মুসল্লি ঈদের নামাজ আদায় করতে পারেন। ২০১৭ সালে এখানে প্রথম ঈদের জামাতে প্রায় চার লাখ মানুষের সমাগম হয়েছিল। ঐতিহাসিকভাবে এই ময়দানটির নামকরণ করা হয়েছে ইসলাম প্রচারক শাহ আমির উদ্দিন ঘুরী (রহ.)-এর স্মৃতিতে, যার মাজারও এখানে অবস্থিত।

শাহি ঈদগাহ, সিলেট: মুঘল স্থাপত্যের অনন্য নিদর্শন

সিলেট শহরের একটি টিলার ওপর অবস্থিত ঐতিহাসিক শাহি ঈদগাহ বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক স্থাপনা। সপ্তদশ শতাব্দীতে মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের আমলে সিলেটের ফৌজদার ফরহাদ খাঁ এটি নির্মাণ করেন। ঈদগাহটির স্থাপত্য অত্যন্ত নান্দনিক। প্রধান প্রাঙ্গণে পৌঁছাতে হলে ২২টি সিঁড়ি অতিক্রম করতে হয়।

পশ্চিম প্রাচীরে রয়েছে একটি প্রধান মেহরাব এবং তার দুই পাশে মোট ১৪টি সহকারী মেহরাব। চারদিকে সীমানা প্রাচীর ও প্রবেশ তোরণ রয়েছে। পরবর্তীকালে এখানে আধুনিক স্থাপত্যও যুক্ত হয়েছে। বিশেষ করে প্রায় ২০০ ফুট উচ্চতার একটি মিনার নির্মাণের মাধ্যমে। এই ঈদগাহ শুধু ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, বরং ঐতিহাসিক ও পর্যটন আকর্ষণ হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ।

শাহ মখদুম ঈদগাহ, রাজশাহী: শাহ মখদুম (রহ.)-এর স্মৃতি বিজরিত

রাজশাহী নগরীর পদ্মা তীরবর্তী দরগাহপাড়ায় অবস্থিত শাহ মখদুম কেন্দ্রীয় ঈদগাহ শহরের প্রধান ঈদের জামাতের স্থান। হজরত শাহ মখদুম (রহ.)-এর মাজারকে কেন্দ্র করেই এই এলাকার ধর্মীয় গুরুত্ব তৈরি হয়। দেশভাগের পর ১৯৪৭ সালে রাজশাহীর প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের উদ্যোগে এই ঈদগাহ প্রতিষ্ঠিত হয়। পরে বিভিন্ন সময়ে এর উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ করা হয়েছে। বর্তমানে এর আয়তন প্রায় ৪০০ ফুট বাই ৪০০ ফুট। মাঠের চারদিকে বেষ্টনী প্রাচীর, একাধিক প্রবেশপথ, অজুখানা এবং একটি ছোট মসজিদ রয়েছে। ঈদের দিন হাজার হাজার মুসল্লি এখানে সমবেত হয়ে জামাতে অংশ নেন।

জমিয়তুল ফালাহ ঈদগাহ, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম মহানগরের ওয়াসা মোড় এলাকায় অবস্থিত জমিয়তুল ফালাহ ঈদগাহ মাঠ শহরের বৃহত্তম ঈদের জামাতের স্থান। জমিয়তুল ফালাহ জাতীয় মসজিদের সামনে অবস্থিত এই বিশাল মাঠে প্রতি বছর হাজারো মানুষ ঈদের নামাজ আদায় করেন। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন প্রতি বছর ঈদের জামাতের সময়সূচি প্রকাশ করে এবং সেই তালিকায় এই ঈদগাহের সময়সূচি সবার আগে থাকে। এটি দীর্ঘদিন ধরে শহরের প্রধান ঈদগাহ হিসেবে পরিচিত।

গুঠিয়া মসজিদ ঈদগাহ, বরিশাল

বরিশালের উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া গ্রামে অবস্থিত বাইতুল আমান জামে মসজিদ কমপ্লেক্স বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় স্থাপনা। এই কমপ্লেক্সের মধ্যেই রয়েছে বিশাল ঈদগাহ মাঠ।

প্রায় ২০ হাজার মানুষের ধারণক্ষমতাসম্পন্ন এই ঈদগাহটি ২০০৬ সালে নির্মাণ শুরু হয়। এখানে রয়েছে মসজিদ, মিনার, এতিমখানা, পুকুর, ফুলের বাগানসহ একটি পূর্ণাঙ্গ ধর্মীয় কমপ্লেক্স। এই ঈদগাহের মিনারটির উচ্চতা প্রায় ১৯৩ ফুট, যা দূর থেকে দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্য হিসেবে চোখে পড়ে।

গুঠিয়া মসজিদ ঈদগাহ, বরিশাল

সাভার কেন্দ্রীয় ঈদগাহ

ঢাকার অদূরে সাভারের ভাগলপুর এলাকায় অবস্থিত কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠও একটি গুরুত্বপূর্ণ ঈদের জামাতের স্থান। এখানে প্রতি বছর প্রায় আট থেকে দশ হাজার মুসল্লি একসঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করেন। ঈদের সময় আবহাওয়া প্রতিকূল হলে মাঠে ত্রিপল ও প্যান্ডেলের ব্যবস্থা করা হয়। নারীদের জন্যও পৃথক নামাজের ব্যবস্থা রাখা হয়।

পর্যটন শহর কক্সবাজারের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ

পর্যটন শহর কক্সবাজারেও রয়েছে একটি কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠ, যেখানে প্রায় ২০ হাজার মানুষ একসঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করতে পারেন। ২০১২ সালে এই ঈদগাহ নির্মাণের কাজ শুরু হয়। ঈদের সময় পুরো মাঠকে শামিয়ানা ও ত্রিপল দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয় যাতে বৃষ্টি বা রোদে মুসল্লিরা স্বাচ্ছন্দ্যে নামাজ আদায় করতে পারেন।

কক্সবাজার কেন্দ্রীয় ঈদগাহ

বাংলাদেশের ঈদগাহগুলো কেবল নামাজের স্থান নয়; এগুলো সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এসব মাঠে মানুষ একত্রিত হয়ে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিয়েছে। ঈদের জামাতের মাধ্যমে ধনী-গরিব, শহর-গ্রাম, পেশা-পার্থক্য। সব বিভেদ ভুলে মানুষ একই কাতারে দাঁড়ায়। ইসলামের সমতা ও ভ্রাতৃত্বের এই শিক্ষা বাস্তব রূপ পায় ঈদগাহের মাঠে। ঐতিহাসিক ঈদগাহগুলো আমাদের অতীতের সাক্ষ্য বহন করে, আবার আধুনিক ঈদগাহগুলো আমাদের বর্তমান সামাজিক ঐক্যের প্রতীক। তাই এসব ঈদগাহ সংরক্ষণ করা শুধু ধর্মীয় প্রয়োজন নয়; এটি আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষারও অংশ।

লেখক: জাহিদুল ইসলাম, শিক্ষক

বাংলাদেশ স্টাডিজ এন্ড জিওগ্রাফি, মানারাত ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল কলেজ, ঢাকা

তারাবির ইমামতিকালে মস্তিষ্কে রক্তক্ষণ, দুদিন পর চলে গেলেন ম…
  • ২০ মার্চ ২০২৬
স্নাতকোত্তরে স্কলারশিপ দিচ্ছে গ্লাসগো ইউনিভার্সিটি, করুন আব…
  • ২০ মার্চ ২০২৬
ঈদকে কেন্দ্র করে ঢাকা কলেজের ছাত্রনেতাদের ভাবনা
  • ২০ মার্চ ২০২৬
শৈশবের ঈদ কি হারিয়ে যাচ্ছে?
  • ২০ মার্চ ২০২৬
নাহিদ-হাসনাতসহ এনসিপি নেতারা কে কোথায় ঈদের নামাজ পড়বেন?
  • ২০ মার্চ ২০২৬
টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরে চাকরি, পদ ৩১, আবেদন শেষ ১৬ এপ্রিল
  • ২০ মার্চ ২০২৬
×
  • Application Deadline
  • April 1, 2026
  • Admission Test
  • April 4, 2026
APPLY
NOW!
UNDERGRADUATE ADMISSION
SUMMER 2026!
NORTH SOUTH UNIVERSITY
Center of Excellence