আজ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস

হানাদারদের প্রধান লক্ষ্য ছিল শিক্ষক সমাজ

১৪ ডিসেম্বর ২০১৯, ১১:২৬ AM

শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রকৃত সংখ্যা গণনা করা হয়নি। বিভিন্ন গ্রন্থ ও নিবন্ধের বর্ণনা অনুযায়ী, পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী পরিচালিত হত্যাকান্ডে প্রাণ হারানো শ্রেষ্ঠ সন্তানদের বেশির ভাগই ছিলেন শিক্ষক। 

১৯৭২ সালে প্রকাশিত ‘বাংলাদেশ’ শীর্ষক গ্রন্থের তথ্য বলছে, শহীদ বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে ৯৯১ জন ছিলেন শিক্ষাবিদ, ৪৯ জন চিকিত্সক, ৪২ জন আইনজীবী এবং ১৬ জন সাহিত্যিক, শিল্পী ও প্রকৌশলী। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে ২০২ জন শিক্ষক ও ১০ জন আইনজীবীকে হত্যা করা হয় । চট্টগ্রাম বিভাগে ২২৪ জন শিক্ষক ও ১০ জন আইনজীবীকে হত্যা করা হয়। খুলনা বিভাগে ২৮০ জন শিক্ষক ও ছয়জন আইনজীবীকে হত্যা করা হয়। রাজশাহী বিভাগে ২৬২ জন শিক্ষক ও ১৫ জন আইনজীবীকে হত্যা করা হয়। তবে এ তালিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নাম ছিল না।

হত্যাকান্ডের শিকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে ছিলেন এ এন এম মুনীর চৌধুরী, ড. জিসি দেব, মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, আনোয়ার পাশা, ড. জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা, আবদুল মুকতাদির, এস এম রাশীদুল হাসান, ড. এন এম ফয়জুল মাহী, ফজলুর রহমান খান, এ এন এম মুনীরুজ্জামান, ড. সিরাজুল হক খান, ড. শাহাদাত আলী, ড. এম এ খায়ের, এ আর খান খাদিম, মো. সাদেক, শরাফত আলী, গিয়াসউদ্দিন আহমেদ, অনুদ্বৈপায়ন ভট্টাচার্য।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছিলেন অধ্যাপক মীর আবদুল কাইয়ুম, হবিবর রহমান, সুখরঞ্জন সমাদ্দার, ড. আবুল কালাম আজাদ।

বাঙ্গালী জাতিকে শিক্ষকশূন্য করার লক্ষ্যেই এ হত্যাকান্ড বলে মনে করেন শিক্ষাবিদরা। এ প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান বলেন, ২৫ মার্চ থেকে শুরু করে ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর অন্যতম লক্ষ্যই ছিল শিক্ষক সমাজ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষকদের অপহরণ করে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। ঢাকা বাইরে চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও  ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ বিভিন্ন স্থানে শিক্ষক ও শিক্ষাবিদদের হত্যা করা হয়।

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানের এ দেশীয় দোসর আলবদরের সাহায্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ও বিভিন্ন স্থান থেকে শিক্ষক, সাংবাদিক, চিকিৎসক, সংস্কৃতি কর্মীসহ বিভিন্ন পেশার বরেণ্য ব্যক্তিদের অপহরণ করা হয়।পরে নিদারুণ যন্ত্রণা দিয়ে রায়েরবাজার ও মিরপুরে তাদের হত্যা করা হয়। এ দুটি স্থান এখন বধ্যভূমি হিসেবে সংরক্ষিত। মুক্তিযুদ্ধের শেষ লগ্নে ১০ থেকে ১৪ ডিসেম্বরের মধ্যে আলবদর বাহিনী আরো অনেক বুদ্ধিজীবীকে মোহাম্মদপুর ফিজিক্যাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে স্থাপিত আলবদর ঘাঁটিতে ধরে নিয়ে গিয়ে নির্যাতনের পর রায়েরবাজার বধ্যভূমি ও মিরপুর কবরস্থানে নিয়ে হত্যা করে।

আলোকস্বল্পতায় দ্বিতীয় দিনের খেলাও আগেভাগে শেষ
  • ২৯ অক্টোবর ২০২৬
১ নভেম্বর খুলছে সেন্টমার্টিন, তবে চলবে না পর্যটকবাহী জাহাজ
  • ২৯ অক্টোবর ২০২৬
পথসভা ছাড়াই গোপালগঞ্জের মহাসড়ক দিয়ে যাবে ১১-দলীয় জোটের লংমা…
  • ২৯ অক্টোবর ২০২৬
ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে নীতিমালা, গেজেট প্রকাশ ক…
  • ২৯ অক্টোবর ২০২৬
জুয়ার টাকার নেশায় মাকে ‘মৃত’ দেখিয়ে শিশুকন্যাকে বিক্রি ব…
  • ২৯ অক্টোবর ২০২৬
বাংলাদেশ-ইউনান প্রদেশের মধ্যে শিক্ষা সহযোগিতা জোরদারে বৈঠক
  • ২৯ অক্টোবর ২০২৬