দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভাগের শিক্ষার্থী এবং গবেষকেরা এ সেমিনারে অংশ নিতে পারবেন © সংগৃহীত
সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে গবেষণায় যুক্ত শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্য পোস্টার উপস্থাপনার সুযোগ দিচ্ছে বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি। আগামী ৩০ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়টিতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘ইন্টারন্যাশনাল সেমিনার ২০২৬: সাসটেইনেবল মেরিন ফিশারিজ অ্যান্ড ব্লু ইকোনমি’।
এ আয়োজনে অংশ নিতে আগ্রহীদের কাছ থেকে গবেষণার সারসংক্ষেপ আহ্বান করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
আয়োজকদের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভাগের শিক্ষার্থী এবং গবেষকেরা এ সেমিনারে অংশ নিতে পারবেন। সেমিনার ও পোস্টার উপস্থাপনায় অংশগ্রহণের জন্য কোনো নিবন্ধন ফি লাগবে না।
পোস্টার উপস্থাপনার জন্য গবেষণার বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে দুটি বিভাগে। প্রথমটি টেকসই সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ এবং দ্বিতীয়টি ব্লু ইকোনমি।
টেকসই সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ বিভাগে মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও সংরক্ষণ, দায়িত্বশীল জলজ চাষ, সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য, বাস্তুতন্ত্রের স্বাস্থ্য, জলবায়ু সহনশীলতা, উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জীবিকা, মৎস্যপ্রযুক্তি ও জলজ জীবপ্রযুক্তিবিষয়ক গবেষণা উপস্থাপন করা যাবে।
অন্যদিকে, ব্লু ইকোনমি বিভাগে সমুদ্র শাসন, সামুদ্রিক স্থানিক পরিকল্পনা, সমুদ্র অর্থনীতি, মৎস্যসম্পদবিষয়ক আইন, পরিবেশবান্ধব নৌপরিবহন, বন্দর ও সামুদ্রিক সরবরাহব্যবস্থা, সমুদ্রে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, উপকূলীয় পর্যটন এবং সামুদ্রিক দূষণ নিয়ে গবেষণার সুযোগ রয়েছে।
গবেষণার সারসংক্ষেপ সর্বোচ্চ ২০০ শব্দের মধ্যে লিখতে হবে। এটি জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১২ নভেম্বর। জমা পড়া সারসংক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে কি না, তা ১৭ নভেম্বর জানানো হবে। নির্বাচিত গবেষণার পোস্টারের সফট কপি জমা দেওয়ার শেষ সময় ২৫ নভেম্বর।
পোস্টারে গবেষণার শিরোনাম, লেখকের নাম ও যোগাযোগের তথ্য, সারসংক্ষেপ, গবেষণার উদ্দেশ্য, পদ্ধতি, ফলাফল, উপসংহার এবং তথ্যসূত্র থাকতে হবে। পোস্টারের সর্বোচ্চ মাপ হবে ৪৮ ইঞ্চি উচ্চতা ও ৩৬ ইঞ্চি প্রস্থ।
সেমিনারে পোস্টার উপস্থাপনায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারীদের জন্য পুরস্কারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
আগ্রহীদের গবেষণার সারসংক্ষেপ এবং নির্বাচিত হলে পোস্টারের সফট কপি [email protected] ঠিকানায় ই-মেইল করতে হবে।
এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির সমুদ্রবিজ্ঞান ও জলবিজ্ঞান বিভাগের ড. এস এম মোস্তাফিজুর রহমান এবং নেভাল আর্কিটেকচার অ্যান্ড অফশোর ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ড. এস এম রাশিদুল হাসানের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাবে।