ভিপি-জিএস হিসেবে কী ধরনের ক্ষমতা ও সুবিধা পাচ্ছেন সাদিক-ফরহাদ?

১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৭:৩২ PM , আপডেট: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৭:৪২ PM
সাদিক কায়েম ও এস এম ফরহাদ হোসেন

সাদিক কায়েম ও এস এম ফরহাদ হোসেন © সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট’ প্যানেল বিপুল বিজয় লাভ করেছে। ২৮টি কেন্দ্রীয় পদে তাদের প্রার্থীরা ২৩টি পদ জয়ী হয়েছেন। বুধবার সিনেট ভবনে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা করা হয়।

সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে মো. আবু সাদিক কায়েম ১৪ হাজার ৪২ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল সমর্থিত আবিদুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৫ হাজার ৭০৮ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী শামীম হোসেন পেয়েছেন ৩ হাজার ৮৮৩ এবং উমামা ফাতেমা পেয়েছেন ৩ হাজার ৩৮৯ ভোট; বৈষম্যবিরোধী আব্দুল কাদের পেয়েছেন ১ হাজার ১০৩ এবং প্রতিরোধ পর্ষদের তাসনিম আফরোজ ইমি পেয়েছেন ৬৮ ভোট।

এদিকে নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই স্যোশাল মিডিয়ায় আলোচনা— ভিপি ও জিএস হিসেবে কী কী সুযোগ-সুবিধা পাবেন সাদিক কায়েম ও এস এম ফরহাদরা। ভিপি ও জিএসের কী কী ক্ষমতা রাখেন এবং তারা কী কী সুযোগ-সুবিধা পান, এমন জানার আগ্রহও রয়েছে অনেকের।

জানা গেছে, ডাকসুর নির্বাচিত ভিপি ও জিএস আলাদা কোনো ভাতা-সম্মানী না পেলেও সম্মান ও ক্ষমতার দিক থেকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ পদ দুটি। এ পদ দুটির সবচেয়ে বড় গুরুত্ব হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ বডি সিনেট-এর সদস্য হবেন তারা। সেখানে তারা ঢাবির হাজার হাজার শিক্ষার্থীর প্রতিনিধিত্ব করে ছাত্রদের বিভিন্ন দাবির কথা তুলে ধরতে পারবেন। পাশাপাশি ছাত্রদের স্বার্থপরিপন্থী যে কোনো বিষয়ে তারা সেখানে প্রতিবাদ করতে পারবেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট দেশের ভিআইপি ব্যক্তিরা সদস্য হন। এ বডিতে তারাও অন্য সদস্যদের মতোই ক্ষমতাবান হিসেবে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে তাদের মতামত প্রদানের সুযোগ পাবেন। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন পরিকল্পনাসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে ছাত্রদের প্রতিনিধি হিসেবে সেখানে উপস্থিত থাকবেন তারা। নব-নির্বাচিত এ নেতৃদ্বয়ের জন্য ডাকসুতে রুমও বরাদ্দ থাকবে।

নীতি নির্ধারণী সভাগুলোসহ বিশ্ববিদ্যালয়ে সব কাজ-কর্মেই কোনো না কোনোভাবে তাদের সম্পৃক্ততা থাকবে। সমাবর্তন বা যে কোনো কর্মসূচিতে তাদের প্রতিনিধিত্ব থাকবে। তাছাড়া  বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো জরুরি ঘটনার ক্ষেত্রে জরুরি কোনো বৈঠক হলে ছাত্রদের প্রতিনিধি হিসেবে তারা ওখানেও থাকবেন তারা। বিশ্ববিদ্যালয়ের এসব বডিতে থেকে নিয়মতান্ত্রিক কোনো বেতন-ভাতা পাবেন না তারা। তবে, সিনেট বৈঠকে যোগদান করলে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ ভাতা পাবেন। 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আলাদা কোনো বেতন না থাকলেও এক বছর ক্যাম্পাসে নিজের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এককালীন টাকা পেয়ে থাকেন তারা। এ অর্থ চা-নাস্তা এবং অন্যান্য খাতে ব্যয়ের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়। ভিপি এবং জিএসের জন্য মোট ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ থাকে। এর আগে দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ডাকসুর সাবেক জিএস গোলাম রাব্বানী বলেন, ‘ভিপি এবং জিএসের জন্য মোট ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ থাকে। এর মধ্যে পাঁচ লাখ টাকা ভিপির জন্য এবং পাঁচ লাখ টাকা জিএসের জন্য। এই টাকা মূলত চা-নাস্তার জন্য দেওয়া হয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তাও করা হয়।’

বৃহস্পতিবার থেকে উত্তরাঞ্চলে শুরু তারেক রহমানের নির্বাচনী প…
  • ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
বিএনপির হামলায় জামায়াত নেতা খুন, প্রতিবাদে বিক্ষোভের ডাক ডা…
  • ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
কারিগরি শিক্ষায় জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান ড. …
  • ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
স্বাধীনতাবিরোধী দল ধোঁকা দিয়ে ভোট নিয়ে উন্নয়নকে ব্যাহত করছ…
  • ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
ফিলিপ সি. জেসাপ আন্তর্জাতিক মুট কোর্টে টানা দ্বিতীয়বার সেরা…
  • ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
ভাতা নয়, কর্মসংস্থানই যুবসমাজের প্রকৃত মুক্তি: ড. ব্যারিস্ট…
  • ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
diuimage