স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ডেঙ্গু রোগীদের হাসপাতাল থেকে পালানো রোধে জোরদার হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা

০৫ জুলাই ২০২৬, ০৫:২১ PM
নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দিচ্ছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দিচ্ছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী © সংগৃহীত

ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় গত দুই মাস ধরে সরকার বিভিন্ন ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল। বলেছেন, উপজেলা হাসপাতালের চিকিৎসকদের ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা বিষয়ে সিভিল সার্জনদের মাধ্যমে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

একই সঙ্গে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীরা হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর সম্পূর্ণ সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত কাউকে ছাড়পত্র দেওয়া হবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি। বলেছেন, রোগীরা যেন হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যেতে না পারেন, সে লক্ষ্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে।

আজ রবিবার (৫ জুলাই) রাজধানীর জাতীয় নিউরোসায়েন্স হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট দ্বিতীয় ইউনিট উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত প্রস্তুতিমূলক সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

হাম পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এ মুহূর্তে হাম পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ইতোমধ্যে দেশব্যাপী টিকাদান কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। মূলত শিশুদের পুষ্টিহীনতার কারণে হাম পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব হচ্ছে না। তিনি দাবি করেন, গত চার বছর ধরে ফ্যাসিস্ট শাসনামলে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল বিতরণ ও টিকাদান কার্যক্রমে ঘাটতি থাকায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্যসেবার বিকেন্দ্রীকরণই বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর অন্যতম লক্ষ্য। যতদিন পর্যন্ত স্বাস্থ্যসেবার বিকেন্দ্রীকরণ করা না যাবে, ততদিন দেশের মানুষের দোরগোড়ায় মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে না। আগামী ১৫ আগস্ট নিউরোসায়েন্স হাসপাতালের এই ইউনিট উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আমি বিশ্বাস করি, প্রধানমন্ত্রী হাসপাতালটি পরিদর্শন করলে এর উন্নয়নে যা যা প্রয়োজন, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবেন।

এ সময় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত বলেন, আমাদের সরকার স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। স্বাস্থ্যসেবা যেন সবাই সমানভাবে পেতে পারেন, সেজন্য স্বাস্থ্যসেবার বিকেন্দ্রীকরণ জরুরি। এ লক্ষ্যে অন্তত চারটি পুরোনো বিভাগীয় শহরে নিউরোসায়েন্স ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করতে চাই। সে ক্ষেত্রে এই হাসপাতালের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখান থেকে যদি পর্যাপ্ত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তৈরি করা না যায়, তাহলে ওইসব ইনস্টিটিউট কার্যকরভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হবে না।

কারিগরি শিক্ষার্থীদের ৭১ শতাংশই পড়ছেন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে
  • ১৫ অক্টোবর ২০২৬
কর অঞ্চল-১ চট্টগ্রামে ২৬ জনবল নিয়োগ, আবেদন অনলাইনে
  • ১৫ অক্টোবর ২০২৬
টুর্নামেন্টের সীমানায় বল যাওয়াকে কেন্দ্র করে নজরুল বিশ্ববিদ…
  • ১৫ অক্টোবর ২০২৬
জেলের সন্তানের পুলিশ হওয়া হলো না, বিসিএস গেজেটে নেই ঢাবির চ…
  • ১৫ অক্টোবর ২০২৬
সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় রাবি ছাত্রদলের কর্মসূচি বয়কট
  • ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রশ্নফাঁসে আলোচিত আবেদের ছেলে সিয়ামের ৪ বছরের কারাদণ্ড
  • ১৫ অক্টোবর ২০২৬