সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে ফের চুরি

২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৫৩ PM
সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল, ইনসেটে সন্দেহভাজন চোর ও কন্ট্রোল প্যানেলের ফাইল ছবি

সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল, ইনসেটে সন্দেহভাজন চোর ও কন্ট্রোল প্যানেলের ফাইল ছবি © টিডিসি সম্পাদিত

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে আবারও চুরির ঘটনা ঘটেছে। এবার খোয়া গেছে অগ্নিসুরক্ষার গুরুত্বপূর্ণ সামগ্রী। গত ১ সেপ্টেম্বর চুরি হওয়ার ঘটনা হাসপাতাল প্রশাসনের নজরে এসেছে ১৭ দিন পর। ইতোমধ্যে এ ঘটনায় শাহবাগ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করা হয়েছে।

সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, হারানো সামগ্রীর মধ্যে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সতর্কতার জন্য স্থাপিত ফায়ার এলার্মের তিনটি কন্ট্রোল প্যানেল রয়েছে। গত ১ সেপ্টেম্বর ১৩ তলা বিশিষ্ট ভবনটির বেজমেন্ট-২ থেকে এসব সামগ্রী চুরি হয়। তবে হাসপাতাল প্রশাসন বিষয়টি জানতে পারে গত ১৭ সেপ্টেম্বর।

বাজারমূল্য যাচাই করে দেখা গেছে, ভালো মানের একেকটি কন্ট্রোল প্যানেলের মূল্য ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। তবে হাসপাতালের একটি সূত্রের দাবি, চুরি যাওয়া এসব সামগ্রীর একেকটির মূল্য ২৩ থেকে ২৫ লাখ টাকা। এ হিসেবে চুরি যাওয়া সম্পদের পরিমাণ ৭০ থেকে প্রায় ৭৫ লাখ টাকা।

সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের একজন কর্মকর্তা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, সিসিটিভি ক্যামেরা যাচাই করে একজন বহিরাগতকে এসব যন্ত্রপাতি চুরি করে নিয়ে যেতে দেখা গেছে। তবে স্টাফরা জড়িত না থাকলে ঘটনাস্থলে বাইরের লোক যাওয়া একেবারে অসম্ভব।

চুরি যাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. সাইফ উল্লাহ মুন্সী। তবে বিস্তারিত কথা বলতে রাজি হননি। দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে তিনি বলেন, এ বিষয়ে একটি জিডি করা হয়েছে। একই সাথে আমাদের অনুসন্ধানও চলছে।

এর আগে চলতি বছরের ২০ এপ্রিল হাসপাতালের বেজমেন্ট থেকে ৪ ট্রাকভর্তি বিপুল পরিমাণ নির্মাণসামগ্রী চুরি হয়। ওই ঘটনায় হাসপাতালের একজন অতিরিক্ত পরিচালক, একজন সহকারী পরিচালক এবং প্রকৌশল দপ্তরের প্রধানসহ ৬ কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। বরখাস্তকৃত এসব কর্মকর্তাদের মধ্যে ছিলেন—অতিরিক্ত পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. শাহিদুল হাসান বাবুল, সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসান আমিন, সহকারী প্রকৌশলী ও প্রকৌশল দপ্তরের প্রধান এরশাদুল হক, সিসি ক্যামেরার দায়িত্বে নিয়োজিত উপসহকারী প্রকৌশলী ফরহাদ, আরেক উপসহকারী প্রকৌশলী মামুনুর রশীদ ও পরিচালক দপ্তরের কম্পিউটার অপারেটর মো. মামুন। একই সাথে উপসহকারী প্রকৌশলী মামুনুর রশীদ ও কম্পিউটার অপারেটর মো. মামুন গ্রেপ্তার হয়েছিলেন।

হাসপাতালের কর্মকর্তারা বলছেন, আগের ঘটনায় অভিযুক্তরা আবারও নিজ নিজ স্থানে পুনর্বাসিত হয়েছেন। আর এর মধ্যেই নতুন করে চুরির ঘটনা ঘটল।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন কর্মকর্তা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল একেবারে অরক্ষিত ছিল। কিন্তু ওই সময়ে একটি সুঁইও হারায়নি। পরবর্তীতে যখন সুযোগ তৈরি হয়েছে, চুরির মহোৎসব শুরু হয়েছে। এবার ফায়ার অ্যালার্ম কন্ট্রোল প্যানেল চুরি হলো, এর আগে একে একে ১১টি ফায়ার ফায়ার হাইড্রেন্ট পাইপ চুরি হয়েছে। এসব জিনিস সংরক্ষণের দায়িত্ব ইঞ্জিনিয়ারদের। কিন্তু তাদের গাফিলতিতেই চুরির ঘটনা ঘটছে।

ঝালকাঠি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, আবেদন ২২ …
  • ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
লাশ উত্তোলনের ৮ মাসেও ফরেনসিক প্রতিবেদন না পাওয়ার অভিযোগ
  • ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পে স্কেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক: এখনও শুরু হয়নি কোনো কার্যক্রম
  • ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা
  • ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
যশোরে ভাইরাসে সাফ বাঁধাকপি, বড় লোকসানে কৃষক
  • ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মেসির বিদায়ী ম্যাচের আগে বড় দুঃসংবাদ পেল আর্জেন্টিনা
  • ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬