২৪ ঘণ্টায় ঝরল ১১ শিশুর প্রাণ

তিন মেডিকেলের তথ্য ‘সমন্বয়’, এক দিনেই ৩৫২ থেকে হামে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ৪০৯ জনে

১০ মে ২০২৬, ০৮:৩৩ PM , আপডেট: ১০ মে ২০২৬, ০৮:৩৪ PM
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর © টিডিসি ছবি

গত ২৪ ঘণ্টায় হাম আক্রান্ত হয়ে ১১ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চের পর এই উচ্চ সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে মোট ৪০৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ রবিবার (১০ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

এদিকে গতকাল শনিবার পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে ওই দিন পর্যন্ত মোট ৩৫২ জন শিশুর মৃত্যুর খবর জানানো হয়েছিল। তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের ‘সমন্বয়হীনতা’র কারণে কয়েকটি মেডিকেল কলেজের তথ্য এতদিন আসেনি। এতে তথ্যের গড়মিল তৈরি হয়েছিল। রবিবার পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য সমন্বয় করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৭০৮ জন। এর মধ্যে রক্তপরীক্ষায় ২০৫ জনের হাম নিশ্চিত হয়েছে। বাকিদের ‘সন্দেহজনক হাম রোগী’ বলছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে মোট ৫৫ হাজার ৯৭৮ হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৪৯ হাজার ১৫৯ জনকে সন্দেহজনক বলা হয়েছে। বাকি ৬ হাজার ৮১৯ জনের রক্তপরীক্ষায় হাম নিশ্চিত হয়েছে।

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যে ‘সমন্বয়হীনতা’, হামে আক্রান্ত-মৃতের প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, গত ১৫ মার্চ থেকে মোট ৩৪ হাজার ৯০৯ জন শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল। এর মধ্যে ৩০ হাজার ৮৬২ জন হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে। তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় মৃতদের মধ্যে মোট ৬ জনই ঢাকা বিভাগের, এর একজন ছাড়া সবাই ঢাকা জেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গতকাল শনিবার দিনাজপুর জেলায় হাম রোগীর সংখ্যা ভুল মুদ্রণ হয়েছিল। সেখানে ৩৬৫ জন নিশ্চিত হাম রোগী দেখানো হলেও প্রকৃতপক্ষে কোনো রোগী শনাক্ত হয়নি। এ ছাড়া গত কয়েকদিনে বাদ পড়া ময়মনসিংহ, রংপুর এবং বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রাপ্ত সন্দেহজনক মৃত্যুর তথ্য সমন্বয় করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: হামে মৃত শিশুদের পরিবারকে দুই কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হাইকোর্টে রিট

এর আগে রবিবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. জাহিদ রায়হান দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, মাঝে মাঝে কিছু তথ্য ভুল হয়। যেমন কালকেও একটা ভুল হয়েছে, আমরা এটা কারেকশন করার জন্য বলেছি। এজন্য আজকে রিপোর্ট দিতে দেরি হচ্ছে।

তিনি বলেন, আরেকটা হচ্ছে যে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলো সিভিল সার্জনদের এখতিয়ারভুক্ত না। ফলে কতগুলো মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রিপোর্ট আসতে দেরি হয়েছে। এমন না যে ওই ডকুমেন্ট গায়েব করে দেওয়া হয়েছে, ওই ডকুমেন্ট পাওয়া যাচ্ছে না বা রোগী ভর্তি হয়েছে কিনা এমন কোন প্রমাণ নেই; ডকুমেন্টগুলো আছে। তবে প্রশাসনিক জটিলতার কারণে এমআইএসে আসেনি। সিভিল সার্জন মেডিকেল কলেজ থেকে তথ্য চাইতে বাধ্য না, এজন্য অনেকে চায়নি। আর ওরাও (মেডিকেল) দেয়নি। আমরা এই তথ্যগুলো সংযোজনের ব্যবস্থা করছি।

প্রতারণা থেকে বাঁচতে হোয়াটসঅ্যাপের নতুন ফিচার
  • ৩০ আগস্ট ২০২৬
চেলসিতে এসে শিরোপার স্বপ্ন মার্তিনেসের
  • ৩০ আগস্ট ২০২৬
ইস্পাহানী ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতাল নিয়োগ দেবে ল্যাবরেটরি সহ…
  • ৩০ আগস্ট ২০২৬
কেউ ১ বছর, কেউ ৩-৪ বছর পরীক্ষা দিতে পারবেন না— শাস্তি পেলেন…
  • ৩০ আগস্ট ২০২৬
ঢাবি শিক্ষার্থীদের আটকে থাকা টিউশনির টাকা তুলে দিতে উদ্যোগ …
  • ৩০ আগস্ট ২০২৬
দূরত্ব ভাতা পাচ্ছেন চর ও দুর্গম এলাকার শিক্ষকরা
  • ৩০ আগস্ট ২০২৬