টিকাদান কর্মসূচিতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

রাতের অন্ধকারে আক্রমণ করেছে হাম, আমরা অ্যারেস্ট করতে সক্ষম হয়েছি

১২ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৫৮ PM , আপডেট: ১২ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:১২ PM
সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল

সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল © সংগৃহীত

রাতের অন্ধকারে হঠাৎ করেই এক দানবীয় শক্তির মতো আমাদের ওপর এই হামের আক্রমণ হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল। তিনি বলেছেন, আমি বলব না যে আমরা ১০০ ভাগ সফল হয়েছি, তবে এটি বলতে পারি যে আমরা আজ পর্যন্ত এই রোগটিকে সফলভাবে অ্যারেস্ট করতে বা নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছি।

আজ রবিবার (১২ এপ্রিল) সকালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) নগর ভবন মিলনায়তনে আয়োজিত মাসব্যাপী জরুরি হাম-রুবেলা টিকাদান কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

গত ৫ এপ্রিল দেশের ১৮ জেলার ৩০টি উপজেলায় হামের জরুরি টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়। রবিবার ঘনবসতিপূর্ণ চার সিটি কর্পোরেশন— ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ এবং ময়মনসিংহ ও বরিশালেও এই বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে। এদিন সকাল ৯টায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে হামের টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

এ সময় তিনি বলেন, ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রতিটি শিশুকে যদি আমরা সফলভাবে টিকার আওতায় আনতে পারি, তবেই আমরা এই আত্মঘাতী রোগ থেকে রক্ষা পাব। তিনি প্রতিটি অলি-গলিতে এই কর্মসূচি পৌঁছে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।

তবে হাম-রুবেলা নিয়ন্ত্রিত হলেও সামনে ডেঙ্গুর বড় চ্যালেঞ্জ আসছে বলে সতর্ক করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সামনেই ডেঙ্গুর একটি ধাক্কা আসতে পারে। আমরা দুই-তিন দিন আগেই এটা নিয়ে কাজ শুরু করেছি।

মশার ওষুধ ছিটানোর ক্ষেত্রে সঠিক মাত্রায় রাসায়নিক মিশ্রণের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ওষুধের মান ঠিক থাকলে তবেই পূর্ণবয়স্ক মশা মারা সম্ভব হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, হামের বিস্তার রোধে আইসোলেশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের সকল পর্যায়ের সরকারি হাসপাতালে রোগীদের জন্য বিশেষ আইসোলেশন ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

টিকাদান কর্মসূচিকে একটি আন্দোলন হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন, এটি কোনো একক ব্যক্তি বা স্বাস্থ্যকর্মীর পক্ষে সফল করা সম্ভব নয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন রেলপথ এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব। এতে সভাপতিত্ব করেন ডিএসসিসির প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম।

ডিএসসিসি সূত্রে জানা গেছে, এ ক্যাম্পেইনের আওতায় প্রায় ৪ লাখ ২ হাজার ৪৫৬ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর জন্য ৯০টি স্থায়ী ও ৪৫০টি অস্থায়ী কেন্দ্রসহ মোট ৫৪০টি কেন্দ্রে টিকা প্রদান করা হবে। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সি শিশুদের এ টিকা দেওয়া হবে।

খাসির মাংস না পেয়ে বিয়ের আসর থেকে চলে গেলেন জাপানপ্রবাসী বর
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
আমার ছবি শেয়ার করে অমার্জিত পোস্ট দেওয়া একমাত্র ছাত্রদলের প…
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
নিয়োগ পাওয়ার দিনই শাবিপ্রবি ট্রেজারার বললেন, ‘আমার এ পদে যো…
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে জাতীয় ক্যালেন্ডার এখন সময়ের দাবি
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
বিআইইউ সাংবাদিক সমিতির আত্নপ্রকাশ: নেতৃত্বে হাবিবুল্লাহ-মুজ…
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
র‍্যাব বিলুপ্তি করে এসআরবি গঠনের চূড়ান্ত অনুমোদন মন্ত্রিসভ…
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
nextjobzimage