টেনিস খেলোয়াড়দের সাধারণ ইনজুরি প্রতিরোধে ঘরোয়া টোটকা

১৭ জুলাই ২০২৬, ১০:১৮ AM
প্রতীকি ছবি

প্রতীকি ছবি © এআই সম্পাদিত ছবি

টেনিস এমন একটি খেলা, যেখানে শরীরের প্রায় সব অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সক্রিয়ভাবে কাজ করে। নিয়মিত টেনিস খেললে শারীরিক সক্ষমতা ও ফিটনেস বাড়ে। তবে দ্রুত দৌড়ানো, হঠাৎ দিক পরিবর্তন, লাফানো, বারবার হাত ঘোরানো এবং দীর্ঘ সময় অনুশীলনের কারণে খেলোয়াড়দের বিভিন্ন ধরনের ইনজুরির ঝুঁকিও থাকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সচেতনতা, সঠিক প্রশিক্ষণ এবং সময়মতো চিকিৎসা নিলে এসব সমস্যা অনেকটাই এড়ানো সম্ভব।

টেনিস খেলোয়াড়দের মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত সমস্যাগুলোর একটি হলো টেনিস এলবো। এতে কনুইয়ের বাইরের অংশে ব্যথা অনুভূত হয়। বারবার র‌্যাকেট ধরার চাপ এবং কবজি ও বাহুর অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে এ সমস্যা দেখা দেয়। এর ফলে কনুইয়ে ব্যথা, হাত দিয়ে ভারী কিছু তুলতে অসুবিধা এবং হাত দুর্বল লাগতে পারে।

এ ছাড়া কাঁধের ইনজুরিও টেনিস খেলোয়াড়দের মধ্যে বেশ সাধারণ। সার্ভ দেওয়া বা স্ম্যাশ করার সময় কাঁধে অতিরিক্ত চাপ পড়ে। এর ফলে রোটেটর কাফ ইনজুরি, কাঁধে ব্যথা কিংবা জয়েন্টে প্রদাহ হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে হাত পুরোপুরি ওপরে তুলতেও কষ্ট হয়।

হাঁটু ও গোড়ালির ইনজুরিও নিয়মিত দেখা যায়। দ্রুত দৌড়ানো, হঠাৎ থেমে যাওয়া কিংবা দিক পরিবর্তনের সময় লিগামেন্টে টান, মচকানো বা মেনিস্কাস ইনজুরির ঝুঁকি থাকে। বিশেষ করে গোড়ালি মচকে যাওয়া টেনিস খেলোয়াড়দের অন্যতম পরিচিত সমস্যা।

দীর্ঘ সময় অনুশীলন, ভুল ভঙ্গিতে খেলা এবং কোর মাংসপেশি দুর্বল থাকলে কোমরব্যথা (লোয়ার ব্যাক পেইন) হতে পারে। এতে কোমরে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয় এবং ধীরে ধীরে ব্যথা বাড়তে থাকে।

ইনজুরি প্রতিরোধে যা করবেন
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, খেলার আগে অন্তত ১০ থেকে ১৫ মিনিট ওয়ার্ম-আপ করা উচিত। হালকা দৌড়, স্ট্রেচিং এবং জয়েন্ট মোবিলিটি ব্যায়াম শরীরকে খেলার জন্য প্রস্তুত করে। একই সঙ্গে খেলা শেষে কুল-ডাউন করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

সঠিক টেকনিক শেখাও ইনজুরি প্রতিরোধের গুরুত্বপূর্ণ উপায়। ভুলভাবে র‌্যাকেট ধরা বা শরীরের ভুল মুভমেন্ট ইনজুরির ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। তাই প্রশিক্ষকের নির্দেশনা অনুসরণ করে অনুশীলন করা উচিত।

আরও পড়ুন : ব্লুটুথের বদলে আবারও কেন তারযুক্ত হেডফোনে ফিরছেন ব্যবহারকারীরা?

এ ছাড়া ভালো গ্রিপযুক্ত উপযুক্ত জুতা এবং খেলোয়াড়ের জন্য মানানসই ওজন ও গ্রিপের র‌্যাকেট ব্যবহার করা প্রয়োজন। এগুলো হাঁটু, গোড়ালি ও হাতের ওপর অপ্রয়োজনীয় চাপ কমাতে সহায়তা করে।অতিরিক্ত অনুশীলনের পরিবর্তে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়াও জরুরি। শরীরে ব্যথা শুরু হলে তা অবহেলা না করে দ্রুত একজন ফিজিওথেরাপি চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ইনজুরি প্রতিরোধ ও পুনর্বাসনে ফিজিওথেরাপির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি ব্যথা কমাতে, মাংসপেশির শক্তি বাড়াতে, জয়েন্টের স্বাভাবিক নড়াচড়া ফিরিয়ে আনতে এবং খেলোয়াড়কে দ্রুত মাঠে ফিরতে কার্যকর ভূমিকা রাখে। তবে খেলার সময় যেকোনো ধরনের ইনজুরি হলে যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

ছাত্রাবাসে গাজা সেবন, ৮ শিক্ষার্থী হাতেনাতে ধরা
  • ০৬ আগস্ট ২০২৬
চার দপ্তরে নতুন সচিব নিয়োগ
  • ০৬ আগস্ট ২০২৬
‘রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপের’ অভিযোগে জবির ৬৮ শিক্ষকের বিরুদ্…
  • ০৬ আগস্ট ২০২৬
নারীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা, হাসপাতালের নিরাপত্তা প্রধ…
  • ০৬ আগস্ট ২০২৬
খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাসেও ছড়িয়ে পড়ে আন…
  • ০৬ আগস্ট ২০২৬
গবেষণাপত্র প্রত্যাহারের কারণ ও নৈতিকতা নিয়ে সেমিনারের আয়োজন…
  • ০৬ আগস্ট ২০২৬