এআই দিয়ে তৈরি ছবি © প্রতীকী ছবি
গ্যাসের সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। এর থেকে রেহাই পেতে একগাদা ওষুধও খেতে হয়। চিকিৎসকেরা বলেন, ‘গ্যাস বা অম্বলের সমস্যা কমাতে যাঁরা প্রত্যেক দিন প্যান্টোপ্রাজোল জাতীয় ওষুধ খান, তাঁদের নানা রকম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি বেশি।’ তাই ওষুধের বদলে পথ্যে নজর দেওয়া জরুরি। তবে সকালে কিছু পানীয় পানের সহজ অভ্যাসেই মিলতে পারে এই যন্ত্রণা থেকে মুক্তি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিদিন ওষুধের ওপর নির্ভর না করে খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনলে গ্যাস, পেট ফাঁপা ও অম্বলের সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
আদা-হিংয়ের ডিটক্স
এক কাপ জলে আদার পাউডার, হিং ও সৈন্ধব লবণ দিয়ে ভালো করে ফুটিয়ে নিতে হবে। এরপর সেই জল ছেঁকে নিয়ে তাতে অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার মেশাতে হবে। কিছুটা ঠান্ডা করে ঈষদুষ্ণ অবস্থায় সকালে খালি পেটে পান করলে সারাদিন গ্যাস বা অম্বলের সমস্যা কম থাকে। ভারী খাবার খাওয়ার পর বা নিমন্ত্রণ বাড়ি থেকে এসে পেট ভার লাগলেও এই পানীয় বেশ উপকারী।
দইয়ের কাঞ্জি
খুব সহজেই ঘরে তৈরি করা যায় প্রোবায়োটিক পানীয় ‘কাঞ্জি’। এর জন্য দুই চামচ ভাত ও দইয়ের সঙ্গে সামান্য জল মিশিয়ে সারা রাত রেখে দিতে হবে। গাঁজন প্রক্রিয়ায় এতে উপকারী ব্যাকটেরিয়া তৈরি হয়। পরদিন সকালে এতে অল্প লবণ মিশিয়ে ব্লেন্ড করে নিলেই প্রস্তুত কাঞ্জি। নিয়মিত এই পানীয় খেলে হজমশক্তি বাড়ে এবং গ্যাসের সমস্যা কমে।
ধনে পাতা-দারচিনির ডিটক্স
পুদিনা পাতা, ধনে পাতা, আদা, দারচিনি, গোটা হলুদ ও লবঙ্গ পানিতে ভিজিয়ে বা হালকা সিদ্ধ করে তৈরি করা যায় আরেকটি ডিটক্স পানীয়। এতে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট থাকে, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। পাশাপাশি এটি ওজন নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে এবং হজম প্রক্রিয়া উন্নত করে।
নিয়মিত এই ধরনের প্রাকৃতিক পানীয় অভ্যাসে গ্যাস ও অম্বলের সমস্যা অনেকটাই কমে আসতে পারে। তবে অতিরিক্ত সমস্যা হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।