বাড়ছে হার্ট অ্যাটাক: জীবনযাত্রার ছোট ৯ পরিবর্তনেই কমতে পারে বড় ঝুঁকি

১১ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৩৪ AM
প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি © টিডিসি ফটো/এআই

আধুনিক জীবনের ব্যস্ততা, অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস আর মানসিক চাপ সব মিলিয়ে বিশ্বজুড়ে দ্রুত বাড়ছে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি। উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এখন আর শুধু বয়স্কদের নয়, তরুণদের মধ্যেও বাড়ছে হৃদ্‌রোগের প্রবণতা। চিকিৎসকরা বলছেন, এই ‘নিঃশব্দ ঘাতক’ থেকে বাঁচতে বড় কোনো চিকিৎসা নয়, বরং দৈনন্দিন জীবনের কিছু ছোট পরিবর্তনই হতে পারে সবচেয়ে কার্যকর প্রতিরোধ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আমাদের প্রতিদিনের অভ্যাসই নির্ধারণ করে হৃদ্‌যন্ত্র কতটা সুস্থ থাকবে। তাই জীবনযাত্রায় সচেতন পরিবর্তন আনলেই অনেক ক্ষেত্রে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।

১. প্লাস্টিক ব্যবহার কমানো
বর্তমানে খাদ্য, পানি ও বাতাসে ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণার উপস্থিতি বেড়েছে। এগুলো শরীরে গিয়ে প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই দৈনন্দিন জীবনে প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো জরুরি।

২. পুষ্টিকর ফ্যাটি অ্যাসিডযুক্ত খাবার খাওয়া
বিশেষ করে সামুদ্রিক মাছের মতো খাবারে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড হৃদ্‌স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। এটি কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এবং হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি কমায়।

৩. নিয়মিত রোদে থাকা
সূর্যালোক শরীরের ভিটামিন ডি উৎপাদনে সাহায্য করে এবং ধমনীর স্বাস্থ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। প্রতিদিন কিছু সময় রোদে থাকা হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হতে পারে।

৪. পর্যাপ্ত ও মানসম্মত ঘুম
ভালো ঘুম শরীরের কোষ মেরামত এবং বিপাকক্রিয়া ঠিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ঘুমের ঘাটতি হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

৫. নিয়মিত শারীরিক সক্রিয়তা
দীর্ঘ সময় বসে থাকার অভ্যাস হার্টের জন্য ক্ষতিকর। প্রতিদিন হাঁটা, সাইকেল চালানো বা হালকা ব্যায়াম শরীরকে সচল রাখে এবং হৃদ্‌স্বাস্থ্য উন্নত করে।

৬. মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ
দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ শরীরে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে এবং হৃদ্‌যন্ত্রের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই ধ্যান, ব্যায়াম বা নিজের পছন্দের কাজের মাধ্যমে চাপ কমানো জরুরি।

৭. ঘরের পরিবেশ পরিষ্কার ও স্বাস্থ্যকর রাখা
আর্দ্রতা, ছত্রাক বা দূষিত পরিবেশ শরীরের ওপর দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। এটি হৃদ্‌রোগের ঝুঁকিও বাড়াতে পারে।

৮. নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা
শরীরের ভেতরের অবস্থা জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত পরীক্ষা করলে প্রদাহ, কোলেস্টেরল বা পুষ্টির ঘাটতির মতো ঝুঁকি আগেভাগেই শনাক্ত করা যায়।

৯. ইলেকট্রনিক ডিভাইসের ব্যবহার কমানো
অতিরিক্ত মোবাইল বা স্ক্রিন ব্যবহারের ফলে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে এবং মানসিক চাপ বাড়ে। বিশেষ করে ঘুমানোর আগে এসব ডিভাইস থেকে দূরে থাকা উচিত।

চিকিৎসকদের মতে, হার্ট অ্যাটাক হঠাৎ করে ঘটে না—এর পেছনে দীর্ঘদিনের অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাত্রা কাজ করে। তাই প্রতিদিনের ছোট ছোট পরিবর্তনই ভবিষ্যতের বড় ঝুঁকি কমাতে পারে। [সূত্র: আনন্দবাজার]

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ডাকাত ধরতে ধানক্ষেতে নেমে কাদা মেখে একাকার …
  • ১১ এপ্রিল ২০২৬
রাতেই ৬০ কি.মি. বেগে ঝড় হতে পারে যেসব অঞ্চলে
  • ১১ এপ্রিল ২০২৬
১১৬ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি-প্রোভিসি-ট্রেজারার পদে কার…
  • ১১ এপ্রিল ২০২৬
অনলাইন ক্লাস সহজ করবে যেসব অ্যাপস
  • ১১ এপ্রিল ২০২৬
চাচি-ভাতিজার প্রেমের সম্পর্ক, অন্তরঙ্গ মুহুর্তের ছবি নিয়ে ব…
  • ১১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের পদপ…
  • ১১ এপ্রিল ২০২৬
close