হাঁটার নতুন কৌশল ‘ইন্টারভ্যাল ওয়াকিং ট্রেনিং’, মেদ ঝরাতে জেনে নিন জাপানি ৩-৩-৩ হাঁটার কৌশল

২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১৫ PM
হাঁটার কৌশল

হাঁটার কৌশল © সংগৃহীত

জাপানি কায়দায় নানা রকম হাঁটার কৌশল এখন বেশ জনপ্রিয়। তাড়াতাড়ি ওজন কমাতে জাপানি কায়দার নানা ব্যায়াম, এমনকি খাওয়াদাওয়ার কৌশলও মেনে চলার চেষ্টা করছেন বাঙালিরা। এক বিশেষ হাঁটার পদ্ধতি এখন আলোচনায়। রোজ মাত্র ১৮ মিনিট করলেই নাকি মেদ ঝরবে অল্পদিনে।

হাঁটা মানেই যে ১০ হাজার পা, তা কিন্তু নয়। হাঁটারও অনেক কৌশল আছে। জাপানিরা তা শিখিয়েছেন। মাত্র ১৮ মিনিট হাঁটলেও ওজন কমবে, এমন কৌশলও রয়েছে। জাপানিরা তাকে বলেন ‘ইন্টারভ্যাল ওয়াকিং ট্রেনিং’। এর ৩-৩-৩ পদ্ধতি রয়েছে। খুবই সহজ সেই পদ্ধতি। সেই নিয়ম মেনে ১৮ মিনিট হাঁটতে পারলেই মেদ ঝরতে শুরু করবে। এমনকি জাপানি কায়দার এই হাঁটার কৌশলে রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল কমে যেতেও দেখা গিয়েছে।

কেমন সে হাঁটা?
জাপানের শিনশু বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা হাঁটার এই বিশেষ পদ্ধতিটি বার করেছেন। হাঁটার গতি কখনও কমিয়ে, আবার কখনও বাড়িয়ে ‘ইন্টারভ্যাল ওয়াকিং ট্রেনিং’ করা হয়। ১৮ মিনিটের হাঁটার সময়টিকে ৩ মিনিট করে করে ভাগ করা হয়েছে।

প্রথম ৩ মিনিট- ধীরেসুস্থে স্বাভাবিক ভাবে হাঁটতে হবে। কোনও তাড়াহুড়ো করা চলবে না। স্বাভাবিক নিয়মে শ্বাস নিতে ও ছাড়তে হবে।

পরের ৩ মিনিট- এ বার গতি বাড়িয়ে দ্রুত হাঁটতে হবে। শরীরের সমস্ত পেশি সক্রিয় হয়ে উঠবে। ঘাম ঝরিয়ে হনহনিয়ে হাঁটা বলে যাকে, সে ভাবে হাঁটতে হবে।

এর পরের ৩ মিনিট- আবার গতি কমিয়ে ধীরে হাঁটতে হবে। এই পর্বে স্বাভাবিক ভাবে শ্বাস নিতে ও ছাড়তে ছাড়তে এমন ভাবে হাঁটতে হবে, যাতে শরীর কিছুটা বিশ্রাম পায়।

এভাবে পরের ৩-৩-৩ ভাগেও শুরুতে স্বাভাবিক হাঁটা, পরে দ্রুত গতিতে হাঁটা, শেষে ধীরে হাঁটা দিয়ে শেষ করতে হবে।


উপকারিতা
‘ইন্টারভ্যাল ওয়াকিং ট্রেনিং’-এ বিপাকীয় হার বৃদ্ধি পায়। হজমক্ষমতা বাড়ে। দ্রুত ক্যালোরি পুড়তে থাকে। এমন হাঁটায় হাত-পায়ের পেশি সচল হয়, পেশির জোরও বাড়ে। দীর্ঘসময় ধরে ডেস্কে বসে কাজ করেন যাঁরা, তাঁদের জন্য এমন ব্যায়াম কার্যকর হতে পারে। এতে বেশি পরিশ্রমেরও প্রয়োজন নেই। শরীর ক্লান্তও হবে না।

ওজন কমবে তাড়াতাড়ি। পেট, কোমর, ঊরু ও নিতম্বের মেদ ঝরবে তাড়াতাড়ি। প্রসবের পরে ওজন বেড়েছে যাঁদের, কিন্ত ভারী ব্যায়াম করা নিষেধ, তাঁরা এই কায়দায় হাঁটলে ওজনও কমবে, শরীরও সুস্থ থাকবে। সুগারের রোগীরা নিয়মিত এই পদ্ধতিতে হাঁটলে রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

কারা করবেন না?
হাঁটুতে ব্যথা বা অস্টিয়োআর্থ্রাইটিস থাকলে এই ব্যায়াম করা যাবে না। তীব্র শ্বাসকষ্টের সমস্যা থাকলে যেমন হাঁপানি বা সিওপিডি থাকলে, এই ব্যায়াম না করাই ভাল। হার্টে অস্ত্রোপচার হয়েছে বা হার্টের অসুখে ভুগছেন, এমন মানুষজন চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এ ভাবে হাঁটবেন না।

যেভাবে টিন সার্টিফিকেট বাতিলের আবেদন করবেন
  • ২৬ অক্টোবর ২০২৬
ডিআইইউ মাতাতে আসছেন ‘বখতিয়ার–দ্য আর্টম্যান’
  • ২৬ অক্টোবর ২০২৬
পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে বিভিন্ন পদে চাকরি, আবেদন ২৬ নভেম্বর…
  • ২৬ অক্টোবর ২০২৬
নিয়মিত এক কাধেঁ ব্যাগ নিচ্ছেন, যে সমস্যা হতে পারে শরীরে
  • ২৬ অক্টোবর ২০২৬
এবার শুঁটকিতে পাওয়া গেল ৯ ধরনের মাইক্রোপ্লাস্টিক
  • ২৬ অক্টোবর ২০২৬
অফিসার নিয়োগ দেবে এনসিসি ব্যাংক, আবেদন ১০ নভেম্বর পর্যন্ত
  • ২৬ অক্টোবর ২০২৬