উপদেষ্টা মাহদী আমিন © সংগৃহীত
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম আকাঙ্ক্ষা ছিল স্বাধীন, সার্বভৌম ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা। সেই ধারাবাহিকতায় পলাতক দণ্ডপ্রাপ্ত ফ্যাসিস্ট নেত্রীকে দিল্লিতে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়ায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জোরালো প্রতিক্রিয়াকে সার্বভৌম ও মর্যাদাবান বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন।
আজ বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে মাহদী আমিন এসব কথা বলেন।
স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম আকাঙ্ক্ষা ছিল স্বাধীন, সার্বভৌম ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা। এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা, যেখানে নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কোনো স্থান থাকবে না। দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক প্রতিটি ক্ষেত্রে সমতা ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে সম্পর্ক গড়ে তোলা হবে। বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশ হবে আত্মমর্যাদায় গৌরবান্বিত এক দেশ।’
পলাতক দণ্ডপ্রাপ্ত ফ্যাসিস্ট নেত্রীকে দিল্লিতে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়ায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জোরালো ভাষায় যে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে, ‘সেটি সেই সার্বভৌম ও মর্যাদাবান বাংলাদেশেরই প্রতিচ্ছবি। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ঐতিহাসিক সার্বভৌমত্বের ধারাকে ধারণ করেই, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতির ভিত্তিতে এগিয়ে চলছে স্বনির্ভর, সমৃদ্ধ ও আন্তর্জাতিকভাবে সমাদৃত বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা।’