আইনের শাসন, ন্যায়বিচার ও মানবাধিকার না থাকলে দেশ গণতান্ত্রিক মানবিক রাষ্ট্র হতে পারে না: প্রধানমন্ত্রী

২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:০৭ PM , আপডেট: ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:০৮ PM
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান © পিএম অফিস

যে রাষ্ট্রে আইনের শাসন ন্যায়বিচার এবং মানবাধিকার নেই সেই দেশ কখনোই একটি গণতান্ত্রিক মানবিক রাষ্ট্র হতে পারে না বা হয়ে উঠতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে এক আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসানের পর বাংলাদেশের জনগণ পুনরায় গণতন্ত্রের পথে হাঁটতে শুরু করেছে। এ গণতান্ত্রিক যাত্রা সুসংহত করতে রাষ্ট্রে ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই। আর এ ন্যায়বিচার সবার জন্যই প্রযোজ্য। 

তারেক রহমান বলেন, একজন মানুষও যাতে অর্থের অভাবে এক্সেস টু জাস্টিস থেকে বঞ্চিত না হয়। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে সরকার লিগালি কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছে। একজন ‍ভুক্তভোগী টাকার অভাবে আইনজীবী সহায়তা নিতে পারবে না। এমনটা যেন না হয় সেটি সরকার চেষ্টা করবে সর্বতোভাবে নিশ্চিত করতে। আর্থিকভাবে সামর্থ্যবান নয় এমন মানুষদের জন্য এক্সেস টু জাস্টিস নিশ্চিত করতে সরকার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

প্রধানমন্ত্রী তার সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরে বলেন, ন্যায়বিচারের কথা শুধু আইনের বইয়ে নয়। এটি প্রতিটি মানুষের জীবনেই সত্য এবং বাস্তব হয়ে উঠুক। এটি বর্তমান সরকারের প্রত্যাশা। ন্যায়বিচার কখনোই কেবল আদালত কেন্দ্রিক নয়, কোন প্রক্রিয়া নয়। এটি একটি জীবন্ত মূল্যবোধ। যা রাষ্ট্রের প্রতিটি নীতি, প্রতিটি সিদ্ধান্ত এবং প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে অবশ্যই প্রতিফলিত হওয়া প্রয়োজন। ন্যায় পরায়নতা তখনই অর্থপূর্ণ হয়ে ওঠে যখন আইন মানুষের উপর প্রয়োগের একটি যান্ত্রিক উপায় না হয়ে বরং তাদের মর্যাদা সংরক্ষণ এবং প্রাপ্ত অধিকার নিশ্চিত করার একটি গভীর নৈতিক অঙ্গীকারের রূপ নেয়। 

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের রাষ্ট্র গঠনের ইতিহাসেও এ ন্যায়বোধ একটি শক্তিশালী প্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে। যেহেতু ন্যায়বিচার প্রাপ্তি প্রতিটি মানুষের সাংবিধানিক অধিকার। যেহেতু সেই অধিকার যাতে প্রত্যেকটি মানুষ চর্চা করতে পারে তাদেরকে সরকার যথাসাধ্য লিগাল এইড দেবে। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে সরকার সংশ্লিষ্ট বিধি-বিধানের প্রয়োজনীয় সংশোধন এনেছে। 

রাজধানীর শাহবাগে শহীদ আবু সাঈদ ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে এ আলোচনা সভা হয়। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে এ অনুষ্ঠান হয়।

অনুষ্ঠানে সেরা প্যানেল আইনজীবী হিসেবে ঢাকার সায়েম খান ও রাজশাহীর নীলিমা বিশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে ক্রেস্ট ও সম্মাননা গ্রহণ করেন। এছাড়া সারাদেশে লিগ্যাল এইডের কার্যক্রম এগিয়ে নিতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ‘সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা কর্মসূচি ব্রাক ব্যাংককে মনোনীত করা হয়। ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে সম্মাননা পত্র ও ক্রেস্ট গ্রহণ করেন।

এসময় আইন মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার, আইনগত সহায়তা অধিদফতরের মহাপরিচালক মনজুরুল হাসান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

ডাকসু নেতাদের ওপর ছাত্রদল কর্মীদের হামলা, দায়ীদের বিরুদ্ধে …
  • ২৮ এপ্রিল ২০২৬
সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে চুরি, প্রকৌশল-পরিচালক দপ্তরের ৬…
  • ২৮ এপ্রিল ২০২৬
নিয়োগ বাণিজ্য ও অর্থ আত্মসাৎ: তদন্তে অনিয়মের প্রমাণ মিলল অধ…
  • ২৮ এপ্রিল ২০২৬
ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালসে চাকরি, আবেদন অভিজ্ঞতা ছাড়াই
  • ২৮ এপ্রিল ২০২৬
ট্রাম্পের স্ত্রীকে ‘সম্ভাব্য বিধবা’ বলায় বিপাকে মার্কিন কমে…
  • ২৮ এপ্রিল ২০২৬
অবশেষে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে জ্বালানি লোডিং উদ্ব…
  • ২৮ এপ্রিল ২০২৬