আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আজ

২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৬:৫৮ AM
জাতীয় শহীদ মিনার

জাতীয় শহীদ মিনার © ফাইল ছবি

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আজ। মহান শহীদ দিবস ও অমর একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে ভাষা আন্দোলনের ৭৪ বছর পূর্ণ হলো। দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনে রাজধানীসহ সারা দেশে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক কর্মসূচি। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা ১ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার-এ পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে দিবসের আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শুরু হয়।

একুশের প্রথম প্রহরে সেখানে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরে রাত ১২টা ৪০ মিনিট থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মী এবং সর্বস্তরের মানুষ শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

ভোরে আজিমপুর কবরস্থানে ভাষা শহীদদের কবরে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, ফাতেহা পাঠ ও কুরআনখানির আয়োজন করা হয়। দেশের বিভিন্ন মসজিদ, মন্দির ও অন্যান্য উপাসনালয়েও শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন রয়েছে।

দিবসটি উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারসহ রাজধানীর সার্বিক নিরাপত্তায় মোতায়েন রয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ-এর প্রায় ১৫ হাজার সদস্য। পাশাপাশি সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

১৯৫২ সালের এই দিনে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে আন্দোলনরত ছাত্রদের ওপর তৎকালীন পুলিশ গুলিবর্ষণ করলে কয়েকজন শহীদ হন। তাদের মধ্যে সালাম, বরকত, রফিক, শফিউর ও জব্বার অন্যতম। এ কারণেই দিনটি শহীদ দিবস হিসেবে পালিত হয়।

তৎকালীন পূর্ব বাংলার রাজধানী ঢাকায় ১৯৪৭ সালের নভেম্বর-ডিসেম্বরের দিকে ভাষা আন্দোলনের সূচনা হয়। ১৯৪৮ সালের মার্চে সীমিত আকারে আন্দোলন গড়ে ওঠে এবং ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি তা চূড়ান্ত রূপ নেয়। সেদিন সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে রাজপথে নামলে পুলিশ নির্বিচারে গুলি চালায়। এতে কয়েকজন ছাত্র শহীদ হন। ঘটনার পরদিন ২২ ফেব্রুয়ারি নানা বাধা ও নির্যাতন সত্ত্বেও শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ আবারও রাজপথে নেমে প্রতিবাদ জানান।

শহীদদের স্মরণে মেডিকেল কলেজ হোস্টেল প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত গায়েবি জানাজায় বিপুল মানুষের অংশগ্রহণ ছিল। ২৩ ফেব্রুয়ারি এক রাতের মধ্যে সেখানে একটি অস্থায়ী স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হয়, যা ২৬ ফেব্রুয়ারি সরকার গুঁড়িয়ে দেয়। তবে একুশের রক্তঝরা ঘটনার পর ভাষা আন্দোলন আরও বেগবান হয়।

১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট বিজয়ী হলে ৭ মে গণপরিষদের অধিবেশনে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। পরে ১৯৫৬ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে বাংলাকে পাকিস্তানের দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ১৯৮৭ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদে ‘বাংলা ভাষা প্রচলন বিল’ পাস হয় এবং তা ৮ মার্চ থেকে কার্যকর হয়।

উল্লেখ্য, ২০১০ সালে জাতিসংঘ-এর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতিবছর ২১ ফেব্রুয়ারি বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

অপারেশন থিয়েটারে মির্জা আব্বাস, মস্তিষ্কে অস্ত্রোচার চলছে
  • ১৩ মার্চ ২০২৬
ছাত্রশক্তির নেতা সাইফুল্লাহর গ্রামের বাড়িতে নাসিরুদ্দীন পা…
  • ১৩ মার্চ ২০২৬
নোবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের জন্য ‘টিউশন মিডিয়া’ আনল ছাত্রদল
  • ১৩ মার্চ ২০২৬
শুভেচ্ছা জানাতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের কখনো রাস্তায় দাঁড় করাব…
  • ১৩ মার্চ ২০২৬
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে চাকরি, আবেদন শেষ ১৬ মার্চ
  • ১৩ মার্চ ২০২৬
ইরাকের আকাশে মার্কিন বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৪ 
  • ১৩ মার্চ ২০২৬
×
ADMISSION
GOING ON
SPRING 2026
APPLY ONLINE
UP TO 100% SCHOLARSHIP
UNIVERSITY OF ASIA PACIFIC 🌐 www.uap.ac.bd
Last Date of Application:
22 April, 2026
📞
01789050383
01714088321
01768544208
01731681081