ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি © টিডিসি ফটো
সারাদেশের মতো চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনেও চলছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। সকাল সাড়ে সাতটা থেকে ধীরে ধীরে কেন্দ্রে আসতে শুরু করেছে ভোটাররা। নিরাপত্তা সংকট তৈরি না হওয়ায় শান্তিপূর্ণভাবেই চলছে ভোটগ্রহণ।
সকাল সকাল শীতের কিছুটা প্রকোপ থাকায় স্বল্প সংখ্যক ভোটার চোখে পড়লেও বেলা বাড়ার সাথে সাথে পাল্টাতে থাকে উপস্থিতির চিত্র। তবে এ সময়ের মধ্যে কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
সরেজমিনে দেখা যায়, প্রতিটি কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের কড়া নজরদারি রয়েছে। পুলিশ ছাড়াও সেনাবাহিনী,র্যাব ও বিজিবি সদস্যদের ভোট কেন্দ্রগুলোর কাছে টহল দিতে দেখা যায়।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলা সদরের চাতরী ইউনিয়নের ডুমুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সকাল থেকে এক ঘণ্টায় ১০০টি ভোট পড়েছে। কেন্দ্রটিতে পুরুষের দীর্ঘ সারি দেখা গেলেও মহিলাদের উপস্থিতি ছিল কম। সেখানে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ হাজার ৭৫৭ জন। পুরুষ ভোটার ১ হাজার ৮৮৯ এবং মহিলা ভোটার ১ হাজার ৮৬৮ জন।
এদিকে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সরওয়ার জামাল নিজাম সকাল আটটায় নজি বাড়ি বারখাইন ইউনিয়নের তৈলারদ্বীপ এরশাদ আলী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোটপ্রদান করেন। সুন্নি জোটের প্রার্থী এসএম শাহজাহান ভোটপ্রদান করেন চাতরী ইউনিয়নের ডুমুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এবং জামায়াত ইসলামী ও ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী মাহামুদুল হাসান চৌধুরী সকাল সাড়ে সাতটায় হাইলধর ইউনিয়নের দক্ষিণ ইছাখালী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তার ভোটপ্রদান করেন।
আনোয়ারা ডুমুরিয়ায় নিজ কেন্দ্রে ভোট প্রদানের পর জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদ ব্যক্ত করে বৃহত্তর সুন্নিজোট মোম্বাতি প্রতীকের প্রার্থী এস এম শাহজাহান বলেন, মানুষ মোমবাতি প্রতীকের পক্ষে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিচ্ছে। ভোট সুষ্ঠু ও কারচুপিমুক্ত হলে ইনশাআল্লাহ ব্যালট বিপ্লবের মাধ্যমে মোমবাতি বিশাল জয় পাবে। নতুন প্রজন্ম, বাপ-ভাই, মা বোন সবাই মোমবাতিকে বেছে নিয়েছে।
কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার রাশেদুল ইসলাম জানান, সকাল থেকে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ চলছে। প্রত্যেক প্রার্থীর এজেন্টরা সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করছে।
নির্বাচন অফিস সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম- ১৩ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৯৫ হাজার ২৪৬ জন। এর মধ্যে জন পুরুষ ২ লাখ ৭ হাজার ৭১৪ জন নারী ভোটার রয়েছেন ১ লাখ ৮৭ হাজার ৫৩২ জন।