গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের লোগো ও নিহত জামায়াত নেতা © সংগৃহীত ও সম্পাদিত
বিএনপি নেতাকর্মীদের হামলায় গতকাল বুধবার শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
সরকার জানিয়েছে, শেরপুরে সংঘর্ষ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে। একই সঙ্গে জেলার সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার অফিশিয়াল ফেসবুক পেইজে দেওয়া এক বিবৃতির মাধ্যমে এ উদ্বেগ ও তথ্য জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, শেরপুরে সংঘটিত সাম্প্রতিক সহিংসতায় জামায়াতে ইসলামীর এক রাজনৈতিক কর্মীর মৃত্যুতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে। সহিংসতার ফলে প্রাণহানি সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য এবং অত্যন্ত দুঃখজনক।
আরও পড়ুন: হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে ১১ দলের জোয়ার বন্ধ করা যাবে না: নাহিদ ইসলাম
সংযম নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, জাতীয় নির্বাচন আর মাত্র দুই সপ্তাহ দূরে থাকাকালে সরকার বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামসহ সকল রাজনৈতিক দলের প্রতি দায়িত্বশীল নেতৃত্ব প্রদর্শন এবং তাদের সমর্থকদের মধ্যে সংযম নিশ্চিত করার আহ্বান জানাচ্ছে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সহিংসতা, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও প্রাণহানির কোনো স্থান নেই।
নিরাপত্তা জোরদারের বিষয়ে জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, শেরপুরে সংঘর্ষ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে। একই সঙ্গে জেলার সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে এতে বলা হয়, সব রাজনৈতিক দল, নেতা এবং নির্বাচনী প্রচারণায় যুক্ত সকলের প্রতি শান্তি বজায় রাখা, আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন এবং শান্তিপূর্ণ ও গঠনমূলক উপায়ে ভোটারদের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে। শান্ত পরিবেশ, শৃঙ্খলা ও গণতান্ত্রিক আচরণের ওপরই জাতির ভবিষ্যৎ নির্ভরশীল।
নিজেদের অবস্থান সম্পর্কে জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একটি শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।